১
অন্তর-বিধ্বংসী বিষয়সমূহ ঝগড়া-বিবাদ
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
ঝগড়া-বিবাদ সৃষ্টির কারণসমূহ
আমরা যদি একটু নিজেকে জিজ্ঞাসা করি, কি কারণে মানুষের মধ্যে পরস্পর ঝগড়া-বিবাদ ও মতবিরোধ তৈরি হয়? তাহলে আমরা এর অনেকগুলো কারণ খুঁজে পাবো। সব কারণ উল্লেখ করা সম্ভব নয়। নিম্নে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আলোচনা করা হলো:
প্রকাশ্যে উপদেশ দেওয়া।
অসময়ে উপদেশ দেওয়া।
অনুপযোগী স্থানে উপদেশ দেওয়া। যার ফলে অন্যরা তাকে ঘৃণা করে ও লজ্জা দেয়।
আবার কখনো ঝগড়া বিবাদের কারণ হয়, অন্যের নিকট যা আছে তা লাভের জন্য পদক্ষেপ নেয়া বা তার প্রতি লোভ করা।
অন্যের ওপর যে কোনো উপায়ে প্রাধান্য বিস্তার বা বিজয়ী হওয়ার জন্য অধিক চেষ্টা করা। আর তা চাই অনৈতিক পদ্ধতিতে হোক বা সঠিক পদ্ধতিতে। মোট কথা যে কোনোভাবে তাকে প্রাধান্য বিস্তার করতেই হবে।
আর কখনো সময় পরিবেশ ও পরিপার্শ্বিকতা মানুষের মধ্যে ঝগড়া বিবাদকে উসকিয়ে দেয়। বিশেষ করে যুব সমাজকে পরিবেশ ও সমাজ ব্যবস্থা ঝগড়া-বিবাদের দিকে ঠেলে দেয়। তাই উচিৎ হলো, তাদের এ ব্যাপারে অধিক সতর্ক করা। আবার কখনো কখনো দেখা যায়, দীনদার ও দা‘ঈদের মধ্যেও ঝগড়া-বিবাদ পরিলক্ষিত হয়, যা তাদের মধ্যে ফিরকা-বন্দি ও দলাদলিকে উসকিয়ে দেয়। আবার কখনো দেখা যায় স্কুল মাদ্রাসার শিক্ষকদের মধ্যেও ঝগড়া-বিবাদ দেখা দেয়। অনেক সময় তারা ছাত্রদের সাথে বিবাদ ও বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে, যার প্রভাবে ছাত্রদের মধ্যেও এ ঘৃণিত গুণটি সয়লাব করে এবং তারা ঝগড়াটে স্বভাবের হয়ে যায়। আবার কখনো এমন হয় যে, মাতা-পিতা ঝগড়াটে হলে, তার প্রভাবে ছেলে সন্তানও ঝগড়াটে হয়। এ জন্য অভিভাবকদের উচিৎ তারা যেন এ ঘৃণিত অভ্যাসটি পরিহার করে এবং তা থেকে বেচে থাকে।
অহংকার, ধোঁকাবাজি ও অহমিকা ইত্যাদি ঝগড়ার কারণ হয়।
আল্লাহর ভয় না থাকাও ঝগড়া-বিবাদের অন্যতম কারণ।
অবসর থাকা। কোনো কাজকর্ম না থাকলে মানুষ ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। একজন অবসর সৈনিক তাকে দাঙ্গা হাঙ্গামায় লিপ্ত থাকতে দেখা যায়। তুমি যদি চিন্তা কর, তাহলে দেখতে পাবে কেবল অবসর লোক, যাদের কোনো কাজ নাই তারাই বেশিরভাগ ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত থাকে। আর এটাই ঝগড়া বিবাদের অন্যতম কারণ।
প্রকাশ্যে উপদেশ দেওয়া।
অসময়ে উপদেশ দেওয়া।
অনুপযোগী স্থানে উপদেশ দেওয়া। যার ফলে অন্যরা তাকে ঘৃণা করে ও লজ্জা দেয়।
আবার কখনো ঝগড়া বিবাদের কারণ হয়, অন্যের নিকট যা আছে তা লাভের জন্য পদক্ষেপ নেয়া বা তার প্রতি লোভ করা।
অন্যের ওপর যে কোনো উপায়ে প্রাধান্য বিস্তার বা বিজয়ী হওয়ার জন্য অধিক চেষ্টা করা। আর তা চাই অনৈতিক পদ্ধতিতে হোক বা সঠিক পদ্ধতিতে। মোট কথা যে কোনোভাবে তাকে প্রাধান্য বিস্তার করতেই হবে।
আর কখনো সময় পরিবেশ ও পরিপার্শ্বিকতা মানুষের মধ্যে ঝগড়া বিবাদকে উসকিয়ে দেয়। বিশেষ করে যুব সমাজকে পরিবেশ ও সমাজ ব্যবস্থা ঝগড়া-বিবাদের দিকে ঠেলে দেয়। তাই উচিৎ হলো, তাদের এ ব্যাপারে অধিক সতর্ক করা। আবার কখনো কখনো দেখা যায়, দীনদার ও দা‘ঈদের মধ্যেও ঝগড়া-বিবাদ পরিলক্ষিত হয়, যা তাদের মধ্যে ফিরকা-বন্দি ও দলাদলিকে উসকিয়ে দেয়। আবার কখনো দেখা যায় স্কুল মাদ্রাসার শিক্ষকদের মধ্যেও ঝগড়া-বিবাদ দেখা দেয়। অনেক সময় তারা ছাত্রদের সাথে বিবাদ ও বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে, যার প্রভাবে ছাত্রদের মধ্যেও এ ঘৃণিত গুণটি সয়লাব করে এবং তারা ঝগড়াটে স্বভাবের হয়ে যায়। আবার কখনো এমন হয় যে, মাতা-পিতা ঝগড়াটে হলে, তার প্রভাবে ছেলে সন্তানও ঝগড়াটে হয়। এ জন্য অভিভাবকদের উচিৎ তারা যেন এ ঘৃণিত অভ্যাসটি পরিহার করে এবং তা থেকে বেচে থাকে।
অহংকার, ধোঁকাবাজি ও অহমিকা ইত্যাদি ঝগড়ার কারণ হয়।
আল্লাহর ভয় না থাকাও ঝগড়া-বিবাদের অন্যতম কারণ।
অবসর থাকা। কোনো কাজকর্ম না থাকলে মানুষ ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। একজন অবসর সৈনিক তাকে দাঙ্গা হাঙ্গামায় লিপ্ত থাকতে দেখা যায়। তুমি যদি চিন্তা কর, তাহলে দেখতে পাবে কেবল অবসর লোক, যাদের কোনো কাজ নাই তারাই বেশিরভাগ ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত থাকে। আর এটাই ঝগড়া বিবাদের অন্যতম কারণ।