১
অন্তর-বিধ্বংসী বিষয়সমূহ ঝগড়া-বিবাদ
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২১
পরিশিষ্ট:
আমরা যখন চাইবো যে, আমরা অনর্থক বিতর্ক ও ঝগড়া-বিবাদ হতে বিরত থাকবো এবং ঝগড়া-বিবাদের নিজেদের জড়াবো না, তখন আমাদের কর্তব্য হলো, আমরা এ দ্বীনকে মজবুত করে ধরবো দ্বীন থেকে বিচ্যুত হবো না। কারণ, যারা দ্বীনকে ছেড়ে দেয়, তাদের জন্য আল্লাহ তা‘আলার শাস্তি হলো, আল্লাহ তা‘আলা তাদের মধ্যে জাহালত ও ঝগড়া-বিবাদ ও ফিতনা ছড়িয়ে দেয়।
আবু উমামা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«مَا ضلَّ قَوْمٌ بَعْدَ هُدىً كَانُوا عَلَيْهِ إِلَّا أُوتُوا الجَدَلَ ثم تلا النبي هذه الآية ﴿وَقَالُوٓاْ ءَأَٰلِهَتُنَا خَيۡرٌ أَمۡ هُوَۚ مَا ضَرَبُوهُ لَكَ إِلَّا جَدَلَۢاۚ بَلۡ هُمۡ قَوۡمٌ خَصِمُونَ﴾»
“মানুষ সঠিক পথের ওপর থাকার পর কখনো গোমরাহ হয় নাই কিন্তু যখন তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ দেওয়া হলো, তখন তারা ধ্বংস হতে আরম্ভ করল। তার এ আয়াত-
﴿وَقَالُوٓاْ ءَأَٰلِهَتُنَا خَيۡرٌ أَمۡ هُوَۚ مَا ضَرَبُوهُ لَكَ إِلَّا جَدَلَۢاۚ بَلۡ هُمۡ قَوۡمٌ خَصِمُونَ﴾ [ الزخرف :58]
“আর তারা বলে, ‘আমাদের উপাস্যরা শ্রেষ্ঠ নাকি ঈসা’? তারা কেবল কূটতর্কের খাতিরেই তাকে তোমার সামনে পেশ করে। বরং এরাই এক ঝগড়াটে সম্প্রদায়।” [সুরা আয-যুখরুফ, আয়াত: ৫৮] তিলাওয়াত করেন।
আল্লাহ তা‘আলা তাদের থেকে বদলা নিয়েছেন এবং তাদের শাস্তি দিয়েছেন। যেমন, তাদের নিকট যে দীন ও ইলম পেশ করা হয়েছিল তার বিনিময়ে তাদের ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত করা হয়েছে। তাদের অনর্থক বিতর্কে লিপ্ত করে দেওয়া হলো।
আর মনে রাখতে হবে, এ হলো, চিরন্তন নিয়ম, যখন কোনো জাতি উপকারী ইলম ও কুরআন ও সুন্নাহের ইলম ছেড়ে দেবে, আল্লাহ তা‘আলা তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ ও ফিতনা ফাসাদ ছড়িয়ে দিয়ে তাদের থেকে বদলা নিবে।
হে আল্লাহ তুমি আমাদের হককে হক হিসেবে পরিচয় করে দাও আর তার অনুকরণ করার তাওফীক দান কর। আর বাতিলকে বাতিল হিসেবে চেনার তাওফীক দাও এবং বাতিল থেকে বেঁচে থাকার তাওফীক দাও।
وصلى الله وسلم على نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين
মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
আবু উমামা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«مَا ضلَّ قَوْمٌ بَعْدَ هُدىً كَانُوا عَلَيْهِ إِلَّا أُوتُوا الجَدَلَ ثم تلا النبي هذه الآية ﴿وَقَالُوٓاْ ءَأَٰلِهَتُنَا خَيۡرٌ أَمۡ هُوَۚ مَا ضَرَبُوهُ لَكَ إِلَّا جَدَلَۢاۚ بَلۡ هُمۡ قَوۡمٌ خَصِمُونَ﴾»
“মানুষ সঠিক পথের ওপর থাকার পর কখনো গোমরাহ হয় নাই কিন্তু যখন তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ দেওয়া হলো, তখন তারা ধ্বংস হতে আরম্ভ করল। তার এ আয়াত-
﴿وَقَالُوٓاْ ءَأَٰلِهَتُنَا خَيۡرٌ أَمۡ هُوَۚ مَا ضَرَبُوهُ لَكَ إِلَّا جَدَلَۢاۚ بَلۡ هُمۡ قَوۡمٌ خَصِمُونَ﴾ [ الزخرف :58]
“আর তারা বলে, ‘আমাদের উপাস্যরা শ্রেষ্ঠ নাকি ঈসা’? তারা কেবল কূটতর্কের খাতিরেই তাকে তোমার সামনে পেশ করে। বরং এরাই এক ঝগড়াটে সম্প্রদায়।” [সুরা আয-যুখরুফ, আয়াত: ৫৮] তিলাওয়াত করেন।
আল্লাহ তা‘আলা তাদের থেকে বদলা নিয়েছেন এবং তাদের শাস্তি দিয়েছেন। যেমন, তাদের নিকট যে দীন ও ইলম পেশ করা হয়েছিল তার বিনিময়ে তাদের ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত করা হয়েছে। তাদের অনর্থক বিতর্কে লিপ্ত করে দেওয়া হলো।
আর মনে রাখতে হবে, এ হলো, চিরন্তন নিয়ম, যখন কোনো জাতি উপকারী ইলম ও কুরআন ও সুন্নাহের ইলম ছেড়ে দেবে, আল্লাহ তা‘আলা তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ ও ফিতনা ফাসাদ ছড়িয়ে দিয়ে তাদের থেকে বদলা নিবে।
হে আল্লাহ তুমি আমাদের হককে হক হিসেবে পরিচয় করে দাও আর তার অনুকরণ করার তাওফীক দান কর। আর বাতিলকে বাতিল হিসেবে চেনার তাওফীক দাও এবং বাতিল থেকে বেঁচে থাকার তাওফীক দাও।
وصلى الله وسلم على نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين
মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ