hadith book logo

পকেট সালাত

লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৩৫

৩৪. সিজদায় কী পড়বে?

সিজদায় রাসূলুলস্নাহ ﷺ নিম্নের তাসবীহটি তিন বার পড়েছেন :

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْاَعْلٰى

অর্থাৎ আমি আমার সুউচ্চ মহান রবের পবিত্রতা বর্ণনা করছি।

সিজদা অবস্থায় বান্দা আলস্নাহর সবচেয়ে নিকটবর্তী হয়। তাই রাসূলুলস্নাহ ﷺ সে সময় বেশি বেশি দু‘আ করতে বলেছেন (মুসলিম : ৪৮২)। কেননা এটি দু‘আর উত্তম মুহূর্ত। তা ফরয বা নফল যে কোন সালাতেই হোক না কেন। সিজদায় রাসূলুলস্নাহ ﷺ বহু ধরনের দু‘আ করতেন। তন্মধ্যে একটি হলো :

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِىْ ذَنْبِىْ كُلَّهٗ دِقَّهٗ وَجِلَّهٗ وَاَوَّلَهٗ وَاٰخِرَهٗ وَعَلَانِيَّتَهٗ وَسِرَّهٗ

হে আলস্নাহ! আমার সব গোনাহ তুমি ক্ষমা করে দাও, হোক না ছোট বা বড়, আগের বা পরের, প্রকাশ্য বা গোপন। (মুসলিম : ৪৮৩)

আবার কোন কোন তাসবীহ রাসূলুলস্নাহ ﷺ রম্নকূ ও সিজদাহ উভয় অবস্থাতেই পড়তেন, আয়েশা (রাঃ) বলেন, নবী (সা) রম্নকূ ও সিজদায় পড়তেন-

سُبُّوْحٌ قُدُّوْسٌ رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَ الْرُّوْحِ

অর্থাৎ আমাদের এবং সমসত্ম ফেরেশতা ও জিবরীলের প্রতিপালক অত্যমত্ম পূত-পবিত্র। (মুসলিম : ৪৮৭)

উলেস্নখ্য, রম্নকূ ও সিজদা অবস্থায় কুরআন তিলাওয়াত নিষেধ। তবে কুরআনে বর্ণিত দু‘আগুলো সিজদায় দু‘আ হিসেবে পড়া যেতে পারে। কোন কোন ফকীহ সিজদায় আরবী ছাড়া অন্য কোন ভাষায় দু‘আ না করাই উত্তম বলে মত ব্যক্ত করেছেন। আবার কেউ কেউ সিজদাতে আরবী ছাড়া অন্য ভাষায়ও দু‘আ করার জায়েয মনে করেন।