১
পকেট সালাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬০
৫৯. জানাযার সালাত পড়ার নিয়ম কী?
জানাযার সালাতে ৪টি তাকবীর দিতে হয়। মনে মনে নিয়ত করে প্রথম তাকবীর দিয়ে হাত বাঁধবেন। অতঃপর ‘আউযুবিলস্নাহি মিনাশ শায়তানির রাজীম’ ও ‘বিস্মিলস্নাহির রাহমানির রাহীম’ পড়ে সূরা ফাতিহা পড়বেন। এরপর অন্য একটি সূরা পড়বেন। তারপর দ্বিতীয় তাকবীর দিয়ে নামাযে পঠিত দরূদ পড়বেন। অতঃপর তৃতীয় তাকবীর দিয়ে নিম্নের যে কোন একটি অথবা দুটি দু‘আ-ই পড়বেন। সর্বশেষ চতুর্থ তাকবীর দিয়ে সালাম ফিরিয়ে জানাযার সালাত শেষ করবেন।
(ক) ইবনে আববাস (রাঃ) বলেন,
أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه و سلم قَرَأَ عَلَى الْجَنَازَةِ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ
নবী ﷺ জানাযার সালাতে সূরা ফাতিহা পড়তেন। (তিরমিযী : ১০২৬)
(খ) তালহা ইবনে আবদুলস্নাহ ইবনে আউফ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,
صَلَّيْتُ خَلْفَ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا عَلَى جَنَازَةٍ فَقَرَأَ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ قَالَ لِيَعْلَمُوا أَنَّهَا سُنَّةٌ **********
আমি আব্দুলস্নাহ ইবনে আববাস (রাঃ) এর পেছনে জানাযার সালাত আদায় করেছি। তাতে তিনি সূরা ফাতিহা পাঠ করলেন এবং জানাযা শেষে বললেন, লোকেরা যেন জেনে নেয় যে, জানাযার সালাতের এই পদ্ধতি।
(বুখারী : ১৩৩৫, ইফা : ১২৫৪)।
উলেস্নখ্য, কেউ কেউ প্রথম তাকবীরের পর শুধু ছানা (অর্থাৎ সুবহানাকা আলস্নাহুম্মা......) পড়েন; অথচ এর সপক্ষে কোন সহীহ হাদীস খুঁজে পাওয়া যায় না। তাই প্রথম তাকবীরের পর আউযুবিলস্নাহ ও বিসমিলস্নাহ এবং পরে সূরা ফাতিহা পড়বে; কিন্তু ছানা পড়বে না।
জানাযার দু‘আ- ১
আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুলস্নাহ ﷺ যখন জানাযার সালাত পড়াতেন, তখন এই দু‘আ পড়তেন :
اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا وَصَغِيْرِنَا وَكَبِيْرِنَا وَ ذَكَرِنَا وَأُنْثَانَا ‐ اَللّٰهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهٗ مِنَّا فَأَحْيِهٖ عَلَى الْاِسْلَامِ وَمَنْ تَوَفَّيْتَهٗ مِنَّا فَتَوَفَّهٗ عَلَى الْاِيْمَانِ -‐ اَللّٰهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهٗ وَلَا تُضِلَّنَا بَعْدَهٗ
হে আলস্নাহ! আমাদের জীবিত ও মৃত, উপস্থিত-অনুপস্থিত, ছোট-বড়, নর-নারী সকলকে ক্ষমা করে দাও। হে আলস্নাহ! আমাদের মাঝে যাদেরকে জীবিত রাখো,তাদেরকে ইসলামের উপর জীবিত রাখো, আর যাদেরকে মৃত্যু দান কর, তাদেরকে ঈমানের সাথে মৃত্যু দান করো। হে আলস্নাহ! আমাদেরকে তার নেকী হতে বঞ্চিত করো না এবং তার মৃত্যুর পর আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করো না। (আবু দাউদ, হা/৩২০৩; ইবনে মাজাহ, হা/১৪৯৮; তিরমিযী, হা/১০২৪; মিশকাত, হা/১৬৭৫)
জানাযার দু‘আ- ২
اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَهٗ وَارْحَمْهُ وَعَافِهٖ وَاعْفُ عَنْهُ وَأَكْرِمْ نُزُلَهٗ وَوَسِّعْ مَدْخَلَهٗ وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَنَقِّهٖ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الْاَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِّنْ دَارِهٖ وَأَهْلًا خَيْرًا مِّنْ أَهْلِهٖ وَزَوْجًا خَيْرًا مِّنْ زَوْجِهٖ وَأَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ وَأَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَ مِنْ عَذَابِ النَّارِ
হে আলস্নাহ! তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও, তার উপর রহম করো, তাকে পূর্ণ নিরাপত্তা দান করো, তাকে ক্ষমা করো, মর্যাদার সাথে তার আপ্যায়ণ করো, তার বাসস্থান প্রশসত্ম করো। তুমি তাকে ধৌত করে দাও পানি, বরফ ও শিশির দ্বারা। তুমি তাকে পাপ হতে এমনভাবে পরিষ্কার করো, যেমনভাবে সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিষ্কার করা হয়। তাকে দুনিয়ার ঘরের পরিবর্তে উত্তম ঘর দান করো। তাকে দুনিয়ার পরিবারের চেয়ে উত্তম পরিবার দান করো এবং তুমি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাও। আর তাকে কবরের আযাব এবং জাহান্নামের আযাব হতে বাঁচাও। (সহীহ মুসলিম, হা/২২৭৬; নাসাঈ, হা/১৯৮৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৬০২১; মিশকাত, হা/১৬৫৫)
জানাযার বিষয়ে কয়েকটি মাসআলা
১. জানাযার সালাত ফরযে কেফায়াহ।
২. ওযু করে সতর ঢেকে কিবলামুখী হয়ে দাঁড়াবে।
৪. মাইয়্যেতের মাথা উত্তর দিকে রাখবে।
৫. চতুর্থ তাকবীরের পর রাসূলুলস্নাহ ﷺ একটু থামতেন, অতঃপর সালাম ফিরাতেন।
৬.দু’দিকে সালাম ফিরানোর যেমন নিয়ম রয়েছে, তেমনই একদিকে তথা শুধু ডান পাশে সালাম ফিরানোও জায়েয। এর পক্ষেও সহীহ দলীল রয়েছে।
৭. প্রতি তাকবীরের পর দু’হাত কাঁধ বা কান বরাবর উঠানো জায়েয। তবে এটার সবপক্ষের হাদীসকে কেউ কেউ দুর্বল বলেছেন। আবার অনেকে বিশুদ্ধও বলেছেন।
৮. শিশুদের জানাযা হলে দু‘আর শেষে এটুকু বাড়িয়ে পড়বে-
اَللّٰهُمَّ اجْعَلْهُ لَنَا سَلَفًا وَفَرَطًا وَذُخْرًا وَاَجْرًا
হে আলস্নাহ! তুমি এ শিশুকে আমাদের জন্য পূর্ববর্তী ও অগ্রগামী এবং পরকালের ধনভান্ডার ও পুরস্কার বানিয়ে দাও।
৯. পর্দার সাথে মেয়েরাও পুরম্নষদের পেছনে জানাযার সালাত পড়তে পারে। মক্কা ও মদীনায় এখনো এ রীতি চালু আছে।
১০. জানাযা পুরো না পেলে যতটুক পায় ততটুকু পড়ে ইমামের সাথে সালাম ফিরাবে।
১১. জানাযায় ইমাম যা যা পড়বেন, পেছনে মুক্তাদিরাও তা-ই পড়বেন। অর্থাৎ মুক্তাদিরাও তাকবীর বলবেন এবং দু‘আগুলো পড়বেন।
১২. নিজের সমত্মান বা আত্মীয়-স্বজনের পক্ষ থেকে কেউ জানাযার ইমামতি করাকে ফকীহগণ উত্তম বলে মনে করেন। তবে এর পক্ষে সরাসরি কোন হাদীস পাওয়া যায় না।
১৩. জানাযার পর মাইয়্যেতের মুখ দেখতে হাদীসে কোন নিষেধাজ্ঞা আসেনি।
১৪. একাধিক মাইয়্যেতের জানাযা একসঙ্গে দেয়া জায়েয।
১. কাতারগুলো বেজোড়সংখ্যক হতে হবে এ ধরনের কোন কথা হাদীসে পাওয়া যায় না।**
৩. পুরম্নষ হলে ইমাম দাঁড়াবেন লাশের মাথা বরাবর আর মহিলা হলে দাঁড়াবেন কোমর বরাবর।
৫. জানাযর সালাতের পর সম্মিলিত কোন হাত তzুল মুনাজাত নেই। তবে লাশ দাফনের পর মাইয়্যেতের জন্য ইসতিগফার করা সুন্নত।
(ক) ইবনে আববাস (রাঃ) বলেন,
أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه و سلم قَرَأَ عَلَى الْجَنَازَةِ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ
নবী ﷺ জানাযার সালাতে সূরা ফাতিহা পড়তেন। (তিরমিযী : ১০২৬)
(খ) তালহা ইবনে আবদুলস্নাহ ইবনে আউফ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,
صَلَّيْتُ خَلْفَ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا عَلَى جَنَازَةٍ فَقَرَأَ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ قَالَ لِيَعْلَمُوا أَنَّهَا سُنَّةٌ **********
আমি আব্দুলস্নাহ ইবনে আববাস (রাঃ) এর পেছনে জানাযার সালাত আদায় করেছি। তাতে তিনি সূরা ফাতিহা পাঠ করলেন এবং জানাযা শেষে বললেন, লোকেরা যেন জেনে নেয় যে, জানাযার সালাতের এই পদ্ধতি।
(বুখারী : ১৩৩৫, ইফা : ১২৫৪)।
উলেস্নখ্য, কেউ কেউ প্রথম তাকবীরের পর শুধু ছানা (অর্থাৎ সুবহানাকা আলস্নাহুম্মা......) পড়েন; অথচ এর সপক্ষে কোন সহীহ হাদীস খুঁজে পাওয়া যায় না। তাই প্রথম তাকবীরের পর আউযুবিলস্নাহ ও বিসমিলস্নাহ এবং পরে সূরা ফাতিহা পড়বে; কিন্তু ছানা পড়বে না।
জানাযার দু‘আ- ১
আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুলস্নাহ ﷺ যখন জানাযার সালাত পড়াতেন, তখন এই দু‘আ পড়তেন :
اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا وَصَغِيْرِنَا وَكَبِيْرِنَا وَ ذَكَرِنَا وَأُنْثَانَا ‐ اَللّٰهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهٗ مِنَّا فَأَحْيِهٖ عَلَى الْاِسْلَامِ وَمَنْ تَوَفَّيْتَهٗ مِنَّا فَتَوَفَّهٗ عَلَى الْاِيْمَانِ -‐ اَللّٰهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهٗ وَلَا تُضِلَّنَا بَعْدَهٗ
হে আলস্নাহ! আমাদের জীবিত ও মৃত, উপস্থিত-অনুপস্থিত, ছোট-বড়, নর-নারী সকলকে ক্ষমা করে দাও। হে আলস্নাহ! আমাদের মাঝে যাদেরকে জীবিত রাখো,তাদেরকে ইসলামের উপর জীবিত রাখো, আর যাদেরকে মৃত্যু দান কর, তাদেরকে ঈমানের সাথে মৃত্যু দান করো। হে আলস্নাহ! আমাদেরকে তার নেকী হতে বঞ্চিত করো না এবং তার মৃত্যুর পর আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করো না। (আবু দাউদ, হা/৩২০৩; ইবনে মাজাহ, হা/১৪৯৮; তিরমিযী, হা/১০২৪; মিশকাত, হা/১৬৭৫)
জানাযার দু‘আ- ২
اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَهٗ وَارْحَمْهُ وَعَافِهٖ وَاعْفُ عَنْهُ وَأَكْرِمْ نُزُلَهٗ وَوَسِّعْ مَدْخَلَهٗ وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَنَقِّهٖ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الْاَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِّنْ دَارِهٖ وَأَهْلًا خَيْرًا مِّنْ أَهْلِهٖ وَزَوْجًا خَيْرًا مِّنْ زَوْجِهٖ وَأَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ وَأَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَ مِنْ عَذَابِ النَّارِ
হে আলস্নাহ! তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও, তার উপর রহম করো, তাকে পূর্ণ নিরাপত্তা দান করো, তাকে ক্ষমা করো, মর্যাদার সাথে তার আপ্যায়ণ করো, তার বাসস্থান প্রশসত্ম করো। তুমি তাকে ধৌত করে দাও পানি, বরফ ও শিশির দ্বারা। তুমি তাকে পাপ হতে এমনভাবে পরিষ্কার করো, যেমনভাবে সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিষ্কার করা হয়। তাকে দুনিয়ার ঘরের পরিবর্তে উত্তম ঘর দান করো। তাকে দুনিয়ার পরিবারের চেয়ে উত্তম পরিবার দান করো এবং তুমি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাও। আর তাকে কবরের আযাব এবং জাহান্নামের আযাব হতে বাঁচাও। (সহীহ মুসলিম, হা/২২৭৬; নাসাঈ, হা/১৯৮৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৬০২১; মিশকাত, হা/১৬৫৫)
জানাযার বিষয়ে কয়েকটি মাসআলা
১. জানাযার সালাত ফরযে কেফায়াহ।
২. ওযু করে সতর ঢেকে কিবলামুখী হয়ে দাঁড়াবে।
৪. মাইয়্যেতের মাথা উত্তর দিকে রাখবে।
৫. চতুর্থ তাকবীরের পর রাসূলুলস্নাহ ﷺ একটু থামতেন, অতঃপর সালাম ফিরাতেন।
৬.দু’দিকে সালাম ফিরানোর যেমন নিয়ম রয়েছে, তেমনই একদিকে তথা শুধু ডান পাশে সালাম ফিরানোও জায়েয। এর পক্ষেও সহীহ দলীল রয়েছে।
৭. প্রতি তাকবীরের পর দু’হাত কাঁধ বা কান বরাবর উঠানো জায়েয। তবে এটার সবপক্ষের হাদীসকে কেউ কেউ দুর্বল বলেছেন। আবার অনেকে বিশুদ্ধও বলেছেন।
৮. শিশুদের জানাযা হলে দু‘আর শেষে এটুকু বাড়িয়ে পড়বে-
اَللّٰهُمَّ اجْعَلْهُ لَنَا سَلَفًا وَفَرَطًا وَذُخْرًا وَاَجْرًا
হে আলস্নাহ! তুমি এ শিশুকে আমাদের জন্য পূর্ববর্তী ও অগ্রগামী এবং পরকালের ধনভান্ডার ও পুরস্কার বানিয়ে দাও।
৯. পর্দার সাথে মেয়েরাও পুরম্নষদের পেছনে জানাযার সালাত পড়তে পারে। মক্কা ও মদীনায় এখনো এ রীতি চালু আছে।
১০. জানাযা পুরো না পেলে যতটুক পায় ততটুকু পড়ে ইমামের সাথে সালাম ফিরাবে।
১১. জানাযায় ইমাম যা যা পড়বেন, পেছনে মুক্তাদিরাও তা-ই পড়বেন। অর্থাৎ মুক্তাদিরাও তাকবীর বলবেন এবং দু‘আগুলো পড়বেন।
১২. নিজের সমত্মান বা আত্মীয়-স্বজনের পক্ষ থেকে কেউ জানাযার ইমামতি করাকে ফকীহগণ উত্তম বলে মনে করেন। তবে এর পক্ষে সরাসরি কোন হাদীস পাওয়া যায় না।
১৩. জানাযার পর মাইয়্যেতের মুখ দেখতে হাদীসে কোন নিষেধাজ্ঞা আসেনি।
১৪. একাধিক মাইয়্যেতের জানাযা একসঙ্গে দেয়া জায়েয।
১. কাতারগুলো বেজোড়সংখ্যক হতে হবে এ ধরনের কোন কথা হাদীসে পাওয়া যায় না।**
৩. পুরম্নষ হলে ইমাম দাঁড়াবেন লাশের মাথা বরাবর আর মহিলা হলে দাঁড়াবেন কোমর বরাবর।
৫. জানাযর সালাতের পর সম্মিলিত কোন হাত তzুল মুনাজাত নেই। তবে লাশ দাফনের পর মাইয়্যেতের জন্য ইসতিগফার করা সুন্নত।