১
বেনামাযীর পরিণতি
লেখকঃ মোঃ আবদুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
বেনামাযী কাকে বলে
যে ব্যক্তি পূর্ণ পাঁচ ওয়াক্ত নামায নিয়মিতভাবে আদায় করে সে হচ্ছে নামায আদায়কারী বা নামাযী। আর যে ব্যক্তি কোন এক ওয়াক্ত অথবা পাঁচ ওয়াক্ত নামায নিয়মিতভাবে ছেড়ে দেয় সে হচ্ছে বেনামাযী। অনুরূপভাবে যারা নামায আদায় করে ঠিকই, কিন্তু তা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নির্দেশিত পন্থা অনুযায়ী করে না, তারাও বেনামাযী হিসেবে গণ্য হবে।
সুতরাং নিম্ন বর্ণিত লোকেরাও বেনামাযীদের অন্তর্ভুক্ত :
১. যারা সারা বছর কোন নামায আদায় না করে কেবল দুই ঈদের নামায আদায় করে থাকে।
২. যারা প্রত্যেক সপ্তাহে কেবল জুমু‘আর নামায আদায় করে থাকে।
৩. যারা শুধুমাত্র রমাযান মাসে নামায আদায় করে থাকে।
৪. যারা পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের মধ্যে কোন এক ওয়াক্ত নামায নিয়মিতভাবে ছেড়ে দেয়।
৫. যারা নামায আদায় করার সময় ইচ্ছাকৃতভাবে কোন রুকন বাদ দেয়।
৬. যারা নামায আদায় করার পূর্বে ভালোভাবে অযু করে না ইত্যাদি।
ইসলামের দৃষ্টিতে উপরোক্ত ব্যক্তিরাও বেনামাযী। কারণ তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ﷺ এর নির্দেশনা অনুযায়ী নামায আদায় করে না। তাই আল্লাহ তা‘আলার কাছে তাদের নামাযের কোন মূল্য নেই।
সুতরাং নিম্ন বর্ণিত লোকেরাও বেনামাযীদের অন্তর্ভুক্ত :
১. যারা সারা বছর কোন নামায আদায় না করে কেবল দুই ঈদের নামায আদায় করে থাকে।
২. যারা প্রত্যেক সপ্তাহে কেবল জুমু‘আর নামায আদায় করে থাকে।
৩. যারা শুধুমাত্র রমাযান মাসে নামায আদায় করে থাকে।
৪. যারা পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের মধ্যে কোন এক ওয়াক্ত নামায নিয়মিতভাবে ছেড়ে দেয়।
৫. যারা নামায আদায় করার সময় ইচ্ছাকৃতভাবে কোন রুকন বাদ দেয়।
৬. যারা নামায আদায় করার পূর্বে ভালোভাবে অযু করে না ইত্যাদি।
ইসলামের দৃষ্টিতে উপরোক্ত ব্যক্তিরাও বেনামাযী। কারণ তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ﷺ এর নির্দেশনা অনুযায়ী নামায আদায় করে না। তাই আল্লাহ তা‘আলার কাছে তাদের নামাযের কোন মূল্য নেই।