১
সাজদা থেকে (বসার পর) উঠার পদ্ধতি
লেখকঃ মুহাম্মাদ আলী খাসখিলি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
মাজহুলুল হাল রাবী ও ইমাম ইবনে হিব্বান (রহ):
এমন রাবী– যার সম্পর্কে জারাহ বা তা’দিল বর্ণিত হয়নি, তাকে মাজহুল বলা হয়। (বিস্তারিত আলোচনা গত হয়েছে)। তবে ইমাম ইবনে হিব্বান (রহ) এমন রাবীকে সিক্বাহ গণ্য করেছেন। কেননা তাঁর নিকট এক্ষেত্রে জারাহ ও তা‘দিল পরস্পরের বিপরীত। এ কারণে কোনো রাবীর প্রতি জারাহ না থাকলেই তাকে সিক্বাহ বলা হয়। এ জন্যে তিনি তাঁর কিতাব ‘সিক্বাহ’-তে এ ধরনের বর্ণনা ব্যাপকভাবে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এটা সুস্পষ্ট যে, জুমহুর মুহাদ্দিস ইমাম ইবনে হিব্বানের (রহ) এই উসূলটি ক্ববুল করেননি।
ইমাম যাহাবী (রহ) এ ধরনের রাবী সম্পর্কে বলেছেন:
وعمارة مجهول كما قال الرازيان ، ولا يفرح بذكر ابن حبان له بين الثقات فإن قاعدته معروفة من الاحتجاج بمن لا يعرف
“আম্মারাহ মাজহুল, যেমনটি রাযিইয়ান বলেছেন। আর ইবনে হিব্বান (রহ) তাকে ‘সিক্বাতে’ উল্লেখ করাতে খুশির কিছু নেই। কেননা তাঁর এই নিয়ম প্রসিদ্ধ যে, তিনি অপরিচিত রাবীদেরকেও গ্রহণ করতেন।” [মিযানুল ই‘তিদাল ৩/১৭৫ পৃ.]
ইমাম ইবনে হিব্বান (রহ)-এর আলোচ্য নিয়ম ও তাঁর শিথিলতা সম্পর্কে ইমাম ও মুহাদ্দিসদের ব্যাখ্যা জানার জন্য দেখুন: আসসিক্বাত লিইবনে হিব্বান ১/১৩, যাওয়াবিতুল জারাহ ওয়াত তা‘দিল পৃ. ৮০-৮২, তাদরিবুর রাবী ১/১০৮, ফতহুল বারি ৯/৬০ (প্রকাশক: দারুর রাইয়ান), লিসানুল মিযানের মুক্বাদ্দামাহ ১/১৪-১৫, তাহযিব ১০/১১৩ তরজমা (বিবরণ): মুসলিম বিন হারিস, ফতহুল মুগিস পৃ. ২৪, আত-তা‘লিক্ব আলা ফাওয়াইদিল মাজমুআতি ফিল আহাদিসুল মাওযুআহ লিশ-শায়েখ আব্দুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আর-ইয়ামানি পৃ. ৬১, ১৬১, ৩৪৭ ও ৪১৫, ক্বওয়ায়িদ ফি উলুমুল হাদীস বিতা‘লিক্ব আবু গুদ্দাহ পৃ. ২১, ১৮১-৮৩, আর-রাফউত তাকমিল পৃ. ৩৩২-৩৯, তামামুল মিন্নাহ লিশ-শায়েখ আলবানী পৃ. ২০-২৬, সিলসিলাতুল আহাদিসুয যঈফাহ ১/৩২, ১১৫, ১৩১, ২/৩০০, ৩২৮, ৪/১৪২, তাহক্বীক্ব মিশকাত ১/১৫৩, ইরওয়াউল গালিল ২/১৫৭।
উক্ত রেফারেন্সগুলো অধ্যয়ন করলে আপনি বুঝতে পারবেন যে, এ ধরনের রাবীর ব্যাপারে ইমাম ইবনে হিব্বান (রহ)-এর তাওসিক্ব গ্রহণযোগ্য নয়। তবে অন্য কোনো (জারাহ ও তা‘দিলের) মুহাদ্দিস ও ইমাম সেটাকে সমর্থন করলে, সেক্ষেত্রে ইবনে হিব্বানের তাওসিক্ব গ্রহণযোগ্যতা পাবে।
ইমাম যাহাবী (রহ) এ ধরনের রাবী সম্পর্কে বলেছেন:
وعمارة مجهول كما قال الرازيان ، ولا يفرح بذكر ابن حبان له بين الثقات فإن قاعدته معروفة من الاحتجاج بمن لا يعرف
“আম্মারাহ মাজহুল, যেমনটি রাযিইয়ান বলেছেন। আর ইবনে হিব্বান (রহ) তাকে ‘সিক্বাতে’ উল্লেখ করাতে খুশির কিছু নেই। কেননা তাঁর এই নিয়ম প্রসিদ্ধ যে, তিনি অপরিচিত রাবীদেরকেও গ্রহণ করতেন।” [মিযানুল ই‘তিদাল ৩/১৭৫ পৃ.]
ইমাম ইবনে হিব্বান (রহ)-এর আলোচ্য নিয়ম ও তাঁর শিথিলতা সম্পর্কে ইমাম ও মুহাদ্দিসদের ব্যাখ্যা জানার জন্য দেখুন: আসসিক্বাত লিইবনে হিব্বান ১/১৩, যাওয়াবিতুল জারাহ ওয়াত তা‘দিল পৃ. ৮০-৮২, তাদরিবুর রাবী ১/১০৮, ফতহুল বারি ৯/৬০ (প্রকাশক: দারুর রাইয়ান), লিসানুল মিযানের মুক্বাদ্দামাহ ১/১৪-১৫, তাহযিব ১০/১১৩ তরজমা (বিবরণ): মুসলিম বিন হারিস, ফতহুল মুগিস পৃ. ২৪, আত-তা‘লিক্ব আলা ফাওয়াইদিল মাজমুআতি ফিল আহাদিসুল মাওযুআহ লিশ-শায়েখ আব্দুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আর-ইয়ামানি পৃ. ৬১, ১৬১, ৩৪৭ ও ৪১৫, ক্বওয়ায়িদ ফি উলুমুল হাদীস বিতা‘লিক্ব আবু গুদ্দাহ পৃ. ২১, ১৮১-৮৩, আর-রাফউত তাকমিল পৃ. ৩৩২-৩৯, তামামুল মিন্নাহ লিশ-শায়েখ আলবানী পৃ. ২০-২৬, সিলসিলাতুল আহাদিসুয যঈফাহ ১/৩২, ১১৫, ১৩১, ২/৩০০, ৩২৮, ৪/১৪২, তাহক্বীক্ব মিশকাত ১/১৫৩, ইরওয়াউল গালিল ২/১৫৭।
উক্ত রেফারেন্সগুলো অধ্যয়ন করলে আপনি বুঝতে পারবেন যে, এ ধরনের রাবীর ব্যাপারে ইমাম ইবনে হিব্বান (রহ)-এর তাওসিক্ব গ্রহণযোগ্য নয়। তবে অন্য কোনো (জারাহ ও তা‘দিলের) মুহাদ্দিস ও ইমাম সেটাকে সমর্থন করলে, সেক্ষেত্রে ইবনে হিব্বানের তাওসিক্ব গ্রহণযোগ্যতা পাবে।