১
সাজদা থেকে (বসার পর) উঠার পদ্ধতি
লেখকঃ মুহাম্মাদ আলী খাসখিলি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২
অনুবাদকের কথা
আল্-হামদু লিল্লাহ। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ রব্বুল আলামীনের জন্য। সলাত ও সালাম নাযিল হোক নবী মুহাম্মাদ (স), তাঁর পরিবার ও সাহাবিদের (রা) উপর।
ইসলামি বিধি-বিধান কুরআন ও সহীহ হাদীসের উপর নির্ভরশীল। এই দুই উৎসের বিরোধী বক্তব্য নিঃসন্দেহে বাতিল। তবে কখনো কখনো মনীষী-বিশেষের ভুল ইজতিহাদ মুসলিম সর্বসাধারণকে সংশয় ও দ্বিধা-দ্বন্ধের মধ্যে ফেলে দেয়। তখন ঐ শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি-বিশেষের ভুল-ত্রুটিগুলো তাঁর সমমনা বা আরো উচ্চতর মনীষীদের উপস্থাপনা দ্বারা বিশ্লেষণ করাটা জরুরি হয়ে পড়ে। এমনই একটি ভুল মাসআলার পর্যালোচনা এই বইয়ে উপস্থাপন করব, ইনশাআল্লাহ। মাসআলাটি হল, ‘‘সাজদা থেকে উঠার পর হাতের তালুর উপর ভর দিতে হবে, না মুষ্টির উপর?’’
এ বিষয়ে শায়েখ আলবানী (রহ) মুষ্টির উপর ভর দেয়ার হাদীসকে গ্রহণ করেছেন। কিন্তু তিনি এক্ষেত্রে জুমহুর মুহাদ্দিস- এমনকি খোদ তাঁরই অনুসৃত নিয়ম না মেনে স্ববিরোধী নিয়ম ও নীতির আশ্রয় নিয়েছেন। ফলে বিষয়টি আলেমদের তাহক্বীক্বি সমালোচনার মধ্যে চলে এসেছে।
আমরা অনেক ভাইকে শায়খ আলবানী (রহ)-এর ‘সিফাতুস সালাতিন নাবিয়্যি (স)’ বইটির আলোকে মুষ্টির উপর ভর করার আমলটি করতে দেখছি। এক্ষেত্রে ব্যক্তিত্বের অন্ধ অনুসরণের মানসিকতা দূর করার জন্যই এই তাহক্বীক্বি আলোচনাসমৃদ্ধ বইটির বাংলা অনুবাদ উপস্থাপন করছি।
এই বইটি ভাই মুহাম্মাদ আলী খাসখিলি উর্দুতে লিখেছেন। শায়েখ যুবায়ের আলী যাঈ (রহ) বইটির সম্পাদনা করেছেন। কিন্তু বইটির পিডিএফ ইন্টারনেট কপি এতটা বেশি অস্পষ্ট ছিল যে, তা থেকে পাঠ উদ্ধার করতে খুবই সমস্যার সম্মুখীন হই। ফলে পাঠ উদ্ধারে সংশয় থাকায় অনেক স্থানেই ত্রিবিন্দু (...) চিহ্ন রাখতে বাধ্য হয়েছি। রাবীদের নামের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরো বিশেষভাবে প্রযোজ্য। পরবর্তী সময়ে যদি কোনো স্পষ্ট কপি আমাদের কাছে পৌঁছে, তখন সম্পূর্ণ বইটির সংশোধিত সংস্করণ প্রকাশ করব ইনঁশাআল্লাহ।
সবশেষে অনুবাদ ও ভাষাগত ব্যাপারে আমার ভুলত্রুটি হয়ে যাওয়াটা স্বীকার করছি। বিশেষ করে আরবি শব্দ ও পরিভাষাগত উচ্চারণ লেখার বিচ্যুতি থেকে যাওয়া স্বীকার করে নিচ্ছি। আশাকরি বিজ্ঞ পাঠক সেক্ষেত্রে মৌলিক আলোচনার দিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি রাখবেন এবং ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কোনো বিজ্ঞবন্ধু সেগুলো ধরিয়ে দিলে কৃতজ্ঞ থাকব এবং পরবর্তী সংস্করণে সংশোধন করব, ইনঁশাআল্লাহ।
কামাল আহমাদ,
২০ আব্দুল আজীজ রোড, পুরাতন কসবা,
কাজীপাড়া, যশোর-৭৪০০।
ই-মেইল: [email protected]
ইসলামি বিধি-বিধান কুরআন ও সহীহ হাদীসের উপর নির্ভরশীল। এই দুই উৎসের বিরোধী বক্তব্য নিঃসন্দেহে বাতিল। তবে কখনো কখনো মনীষী-বিশেষের ভুল ইজতিহাদ মুসলিম সর্বসাধারণকে সংশয় ও দ্বিধা-দ্বন্ধের মধ্যে ফেলে দেয়। তখন ঐ শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি-বিশেষের ভুল-ত্রুটিগুলো তাঁর সমমনা বা আরো উচ্চতর মনীষীদের উপস্থাপনা দ্বারা বিশ্লেষণ করাটা জরুরি হয়ে পড়ে। এমনই একটি ভুল মাসআলার পর্যালোচনা এই বইয়ে উপস্থাপন করব, ইনশাআল্লাহ। মাসআলাটি হল, ‘‘সাজদা থেকে উঠার পর হাতের তালুর উপর ভর দিতে হবে, না মুষ্টির উপর?’’
এ বিষয়ে শায়েখ আলবানী (রহ) মুষ্টির উপর ভর দেয়ার হাদীসকে গ্রহণ করেছেন। কিন্তু তিনি এক্ষেত্রে জুমহুর মুহাদ্দিস- এমনকি খোদ তাঁরই অনুসৃত নিয়ম না মেনে স্ববিরোধী নিয়ম ও নীতির আশ্রয় নিয়েছেন। ফলে বিষয়টি আলেমদের তাহক্বীক্বি সমালোচনার মধ্যে চলে এসেছে।
আমরা অনেক ভাইকে শায়খ আলবানী (রহ)-এর ‘সিফাতুস সালাতিন নাবিয়্যি (স)’ বইটির আলোকে মুষ্টির উপর ভর করার আমলটি করতে দেখছি। এক্ষেত্রে ব্যক্তিত্বের অন্ধ অনুসরণের মানসিকতা দূর করার জন্যই এই তাহক্বীক্বি আলোচনাসমৃদ্ধ বইটির বাংলা অনুবাদ উপস্থাপন করছি।
এই বইটি ভাই মুহাম্মাদ আলী খাসখিলি উর্দুতে লিখেছেন। শায়েখ যুবায়ের আলী যাঈ (রহ) বইটির সম্পাদনা করেছেন। কিন্তু বইটির পিডিএফ ইন্টারনেট কপি এতটা বেশি অস্পষ্ট ছিল যে, তা থেকে পাঠ উদ্ধার করতে খুবই সমস্যার সম্মুখীন হই। ফলে পাঠ উদ্ধারে সংশয় থাকায় অনেক স্থানেই ত্রিবিন্দু (...) চিহ্ন রাখতে বাধ্য হয়েছি। রাবীদের নামের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরো বিশেষভাবে প্রযোজ্য। পরবর্তী সময়ে যদি কোনো স্পষ্ট কপি আমাদের কাছে পৌঁছে, তখন সম্পূর্ণ বইটির সংশোধিত সংস্করণ প্রকাশ করব ইনঁশাআল্লাহ।
সবশেষে অনুবাদ ও ভাষাগত ব্যাপারে আমার ভুলত্রুটি হয়ে যাওয়াটা স্বীকার করছি। বিশেষ করে আরবি শব্দ ও পরিভাষাগত উচ্চারণ লেখার বিচ্যুতি থেকে যাওয়া স্বীকার করে নিচ্ছি। আশাকরি বিজ্ঞ পাঠক সেক্ষেত্রে মৌলিক আলোচনার দিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি রাখবেন এবং ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কোনো বিজ্ঞবন্ধু সেগুলো ধরিয়ে দিলে কৃতজ্ঞ থাকব এবং পরবর্তী সংস্করণে সংশোধন করব, ইনঁশাআল্লাহ।
কামাল আহমাদ,
২০ আব্দুল আজীজ রোড, পুরাতন কসবা,
কাজীপাড়া, যশোর-৭৪০০।
ই-মেইল: [email protected]