১
ব্যবসায়িক পণ্যের যাকাত
লেখকঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
চাকরি শেষে প্রাপ্য ভাতাসমূহ:
বেতন ভাতা: চাকরির পূর্ণ মেয়াদ শেষে চাকরিজীবীকে প্রদত্ত বেতনভিত্তিক কল্যাণমূলক ভাতা, যা সরকার বা কোনো প্রতিষ্ঠান সুনির্দিষ্ট শর্তের বর্তমানে- নীতিমালা অনুযায়ী- প্রদান করে থাকে।
অবসর ভাতা: সুনির্দিষ্ট অংকের টাকা, যা কোনো সরকার বা প্রতিষ্ঠান, সোশ্যাল ইনস্যুরেন্স নীতিমালার আওতাধীন কোনো চাকরিজীবীকে প্রদান করে থাকে।
পেনশন বেতন: একজন সরকারী অথবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কোনো চাকরিজীবী চাকরির পূর্ণ মেয়াদ শেষে নীতিমালা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট শর্তের ভিত্তিতে যে বেতন পেয়ে থাকে সেটাকেই পেনশন বেতন বলে।
এগুলোর হুকুম হলো, চাকরিজীবী যতদিন চাকরিরত থাকবে তাকে কোনো যাকাত দিতে হবে না। কেননা এ প্রকৃতির অর্থে ব্যক্তির পূর্ণ মালিকানা প্রতিষ্ঠিত নয়। আর অর্থ-সম্পদ ব্যক্তির পূর্ণাঙ্গ মালিকানাধীন থাকা যাকাত ফরয হওয়ার জন্য শর্ত। পূর্ণ মালিকানা না থাকার দলীল, চাকরিরত ব্যক্তি ইচ্ছা করলেই তা ব্যয় করতে পারে না; বরং চাকরির মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগ পর্যন্ত মালিকানাসুলভ কোনো অধিকারই তাতে খাটাতে পারে না। উল্লিখিত বেতন-ভাতাদি সুনির্দিষ্টকরণ ও চাকরিজীবীকে প্রদানের ব্যাপারে যখন সিদ্ধান্ত হবে এবং তাকে একসাথে অথবা বিভিন্ন মেয়াদে তা দেওয়া হবে তখন এতে পূর্ণ মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং যে পরিমাণ হস্তগত হবে, নিসাব পূরণ হওয়ার শর্তে তা থেকে যাকাত দিতে হবে।
অবসর ভাতা: সুনির্দিষ্ট অংকের টাকা, যা কোনো সরকার বা প্রতিষ্ঠান, সোশ্যাল ইনস্যুরেন্স নীতিমালার আওতাধীন কোনো চাকরিজীবীকে প্রদান করে থাকে।
পেনশন বেতন: একজন সরকারী অথবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কোনো চাকরিজীবী চাকরির পূর্ণ মেয়াদ শেষে নীতিমালা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট শর্তের ভিত্তিতে যে বেতন পেয়ে থাকে সেটাকেই পেনশন বেতন বলে।
এগুলোর হুকুম হলো, চাকরিজীবী যতদিন চাকরিরত থাকবে তাকে কোনো যাকাত দিতে হবে না। কেননা এ প্রকৃতির অর্থে ব্যক্তির পূর্ণ মালিকানা প্রতিষ্ঠিত নয়। আর অর্থ-সম্পদ ব্যক্তির পূর্ণাঙ্গ মালিকানাধীন থাকা যাকাত ফরয হওয়ার জন্য শর্ত। পূর্ণ মালিকানা না থাকার দলীল, চাকরিরত ব্যক্তি ইচ্ছা করলেই তা ব্যয় করতে পারে না; বরং চাকরির মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগ পর্যন্ত মালিকানাসুলভ কোনো অধিকারই তাতে খাটাতে পারে না। উল্লিখিত বেতন-ভাতাদি সুনির্দিষ্টকরণ ও চাকরিজীবীকে প্রদানের ব্যাপারে যখন সিদ্ধান্ত হবে এবং তাকে একসাথে অথবা বিভিন্ন মেয়াদে তা দেওয়া হবে তখন এতে পূর্ণ মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং যে পরিমাণ হস্তগত হবে, নিসাব পূরণ হওয়ার শর্তে তা থেকে যাকাত দিতে হবে।