১
ব্যবসায়িক পণ্যের যাকাত
লেখকঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
ব্যবসায়িক সম্পদ ঋণমুক্ত হওয়ার নিয়ম:
ব্যবসায়ীর ঋণের অর্থ যদি অন্যের কাছে থাকে এবং সে যখন ইচ্ছা তা আদায় করতে সক্ষম হয় তবে উক্ত সম্পদ তার নগদ অর্থ বা ব্যবসায়িক সম্পদের সাথে মিলিয়ে যাকাত আদায় করবে; যদি তাতে একবছর পূর্ণ হয়।
আবার যদি ব্যবসায়ীর কাছে ঋণের অর্থ ব্যতীত অন্য সম্পদ না থাকে এবং ঋণের সম্পদ নিসাব পরিমাণ হয় এবং উক্ত অর্থ যে কোনো সময় আদায় করতে সক্ষম হয় তবে তা থেকেও যাকাত আদায় করতে হবে।
অন্যদিকে যাকাতদাতার ঋণের অর্থ যদি নিঃস্ব-দরিদ্র বা ঋণ অস্বীকারকারীর কাছে থাকে, সহজে উক্ত অর্থ আদায় করতে সক্ষম না হয় তবে যখন উক্ত অর্থ আদায় করতে সক্ষম হবে তখন শুধু সে বছরের যাকাত আদায় করবে। বিগত বছরের যাকাত আদায় করতে হবে না। যদিও অনেক বছর অতিবাহিত হয়।
অন্যদিকে ব্যবসায়ীর যদি এমন ঋণ থাকে যা তার ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ততা নেই যেমন, সে যদি কিস্তিতে স্থাবর সম্পত্তি, বাড়ি, কারখানা, জমি ইত্যাদি ক্রয় করল, -যা বর্তমানে প্রায়ই দেখা যায়- এ ধরনের ঋণকে বিনিয়োগ ঋণ বলে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এ ধরণের ঋণের কিস্তি অনেক বছর চলতে থাকে। আবার দেখা যায়, এ জাতীয় ঋণের পরিমাণ ব্যবসায়ীর ব্যবসার সব সম্পদের চেয়েও বেশি। এ জাতীয় ঋণ থাকলে কী তাকে যাকাত দিতে হবে? এ ঋণের সাথে কী তার ব্যবসার সম্পর্ক আছে? সে ব্যাপারে আলেমগণ ‘প্রথম যাকাত সম্মেলন ১৯৮৪’ মোতাবেক (১৪০৪ হিজরী) এ একমত হয়েছেন যে, ‘যদি ঋণের কিস্তি তাৎক্ষণিক আদায় করতে হবে না এমন হয় তবে এ জাতীয় ঋণ যাকাত ফরয হওয়াতে বাধাগ্রস্ত করে না।’ [বিস্তারিত দেখুন, মাউসু‘আতুল কাদাইয়াল ফিকহিয়্যাহ আল-মু‘আসারাহ ওয়াল ইকতিসাদিল ইসলামী, ড. আলী সালুস, পৃষ্ঠা ৫২৪।]
আবার যদি ব্যবসায়ীর কাছে ঋণের অর্থ ব্যতীত অন্য সম্পদ না থাকে এবং ঋণের সম্পদ নিসাব পরিমাণ হয় এবং উক্ত অর্থ যে কোনো সময় আদায় করতে সক্ষম হয় তবে তা থেকেও যাকাত আদায় করতে হবে।
অন্যদিকে যাকাতদাতার ঋণের অর্থ যদি নিঃস্ব-দরিদ্র বা ঋণ অস্বীকারকারীর কাছে থাকে, সহজে উক্ত অর্থ আদায় করতে সক্ষম না হয় তবে যখন উক্ত অর্থ আদায় করতে সক্ষম হবে তখন শুধু সে বছরের যাকাত আদায় করবে। বিগত বছরের যাকাত আদায় করতে হবে না। যদিও অনেক বছর অতিবাহিত হয়।
অন্যদিকে ব্যবসায়ীর যদি এমন ঋণ থাকে যা তার ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ততা নেই যেমন, সে যদি কিস্তিতে স্থাবর সম্পত্তি, বাড়ি, কারখানা, জমি ইত্যাদি ক্রয় করল, -যা বর্তমানে প্রায়ই দেখা যায়- এ ধরনের ঋণকে বিনিয়োগ ঋণ বলে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এ ধরণের ঋণের কিস্তি অনেক বছর চলতে থাকে। আবার দেখা যায়, এ জাতীয় ঋণের পরিমাণ ব্যবসায়ীর ব্যবসার সব সম্পদের চেয়েও বেশি। এ জাতীয় ঋণ থাকলে কী তাকে যাকাত দিতে হবে? এ ঋণের সাথে কী তার ব্যবসার সম্পর্ক আছে? সে ব্যাপারে আলেমগণ ‘প্রথম যাকাত সম্মেলন ১৯৮৪’ মোতাবেক (১৪০৪ হিজরী) এ একমত হয়েছেন যে, ‘যদি ঋণের কিস্তি তাৎক্ষণিক আদায় করতে হবে না এমন হয় তবে এ জাতীয় ঋণ যাকাত ফরয হওয়াতে বাধাগ্রস্ত করে না।’ [বিস্তারিত দেখুন, মাউসু‘আতুল কাদাইয়াল ফিকহিয়্যাহ আল-মু‘আসারাহ ওয়াল ইকতিসাদিল ইসলামী, ড. আলী সালুস, পৃষ্ঠা ৫২৪।]