১
ব্যবসায়িক পণ্যের যাকাত
লেখকঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮
শেয়ারের যাকাত:
শেয়ার হলো যেসব কোম্পানি শেয়ার গ্রহণ করে সেসব শেয়ার হোল্ডিং কোম্পানির মূলধনের সম-অংশসমূহের একাংশ।
উদাহরণ: একটি শেয়ার হোল্ডিং কোম্পানির মূলধন হলো ত্রিশ লাখ ডলার। কোম্পানি শুরু করার সময় মূলধনকে দশ হাজার ভাগে ভাগ করা হয়, প্রতি ভাগের মূল্য (৩০০) ডলার। এ প্রতিটি অংশটিই হলো শেয়ার। আর যিনি শেয়ারের মালিক তিনি তার শেয়ার অনুযায়ী কোম্পানির মালিকানায়ও শরীক বলে গণ্য।
শেয়ার-নির্ভর কোম্পানির লেনদেনের হুকুম হলো, এ ধরণের লেনদেন বৈধ, যদি কোম্পানির কার্যক্রম হারাম-নির্ভর না হয় অথবা সুদী লেনদেন থেকে মুক্ত থাকে। এ ধরনের কোম্পানির অর্থের পরিমাণ যাকাতের নিসাব পরিমাণ হলে তাতে যাকাত ফরয হয়। যদি কোম্পানি নিজে যাকাত প্রদান করে দেয় তবে শেয়ারধারী ব্যক্তির জিম্মাদারি আদায় হয়ে যাবে। আর যদি কোম্পানি যাকাত প্রদান না করে, তাহলে শেয়ারের বাজারদর হিসাব করতে হবে। যদি তা নিসাব পরিমাণ হয় এবং এক বছর অতিক্রান্ত হয় তবে তাতে যাকাত ফরয হবে। অর্থাৎ ব্যবসায়িক পণ্যের মতো ২.৫% হারে যাকাত দিতে হবে। কেননা তা ব্যবসায়িক সম্পদ হিসেবে পরিগণিত। উদাহরণস্বরূপ: এক ব্যক্তির কাছে ১০০০ শেয়ার রয়েছে। যাকাত বের করার দিন প্রতি শেয়ারের মূল্য ১০ ডলার। সে হিসেবে তার শেয়ারের মোট মূল্য দাঁড়াবে ১০০০০ ডলার। এটা নিসাব পরিমাণ সম্পদ থেকেও বেশি। তাই এক বছর অতিক্রান্ত হলে এর যাকাত প্রদান আবশ্যক হবে।
উদাহরণ: একটি শেয়ার হোল্ডিং কোম্পানির মূলধন হলো ত্রিশ লাখ ডলার। কোম্পানি শুরু করার সময় মূলধনকে দশ হাজার ভাগে ভাগ করা হয়, প্রতি ভাগের মূল্য (৩০০) ডলার। এ প্রতিটি অংশটিই হলো শেয়ার। আর যিনি শেয়ারের মালিক তিনি তার শেয়ার অনুযায়ী কোম্পানির মালিকানায়ও শরীক বলে গণ্য।
শেয়ার-নির্ভর কোম্পানির লেনদেনের হুকুম হলো, এ ধরণের লেনদেন বৈধ, যদি কোম্পানির কার্যক্রম হারাম-নির্ভর না হয় অথবা সুদী লেনদেন থেকে মুক্ত থাকে। এ ধরনের কোম্পানির অর্থের পরিমাণ যাকাতের নিসাব পরিমাণ হলে তাতে যাকাত ফরয হয়। যদি কোম্পানি নিজে যাকাত প্রদান করে দেয় তবে শেয়ারধারী ব্যক্তির জিম্মাদারি আদায় হয়ে যাবে। আর যদি কোম্পানি যাকাত প্রদান না করে, তাহলে শেয়ারের বাজারদর হিসাব করতে হবে। যদি তা নিসাব পরিমাণ হয় এবং এক বছর অতিক্রান্ত হয় তবে তাতে যাকাত ফরয হবে। অর্থাৎ ব্যবসায়িক পণ্যের মতো ২.৫% হারে যাকাত দিতে হবে। কেননা তা ব্যবসায়িক সম্পদ হিসেবে পরিগণিত। উদাহরণস্বরূপ: এক ব্যক্তির কাছে ১০০০ শেয়ার রয়েছে। যাকাত বের করার দিন প্রতি শেয়ারের মূল্য ১০ ডলার। সে হিসেবে তার শেয়ারের মোট মূল্য দাঁড়াবে ১০০০০ ডলার। এটা নিসাব পরিমাণ সম্পদ থেকেও বেশি। তাই এক বছর অতিক্রান্ত হলে এর যাকাত প্রদান আবশ্যক হবে।