১
ধূমপান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ফাতাওয়া
লেখকঃ আমের সালেহ আলাওয়ী নাজী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৩
২০- মাসজিদ ও মাসজিদ সংলগ্ন রুমে ধূমপান করার হুকুম
প্রশ্ন/ এ প্রশ্নটি আল্লামা শাইখ ইবনে বায রহমাতুল্লাহ আলাইহিকে করা হয়েছিল: আমাদের এলাকায় একটি মাসজিদে সতর্ককারী একটি যন্ত্র রয়েছে। দিবা-রাত্রি চব্বিশ ঘন্টা এর তদারকি করছে অগ্নি নির্বাপক বাহিনীর কিছু লোক, তারা মাসজিদ সংলগ্ন একটি রুমে ধূমপান করছে। আপনার নিকট প্রশ্নকারী তাদের জন্য কিছু নসিহত চাচ্ছে।
উত্তর: মাসজিদ এবং মাসজিদ সংলগ্ন কোনো রুমেই ধূমপান করা যাবে না, কারণ তা হারাম এবং মাসজিদে পান করা আরও অধিক হারাম। অথচ পিঁয়াজ রসুন (হালাল জিনিস) খেয়ে মাসজিদে যেতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন, সে জায়গায় ধূমপান করে যাওয়া কিভাবে সম্ভব?
প্রকাশ থাকে যে, পিঁয়াজ ও রসুন দু’টি হালাল জিনিস কিন্তু এর দুর্গন্ধ থাকার কারণে মাসজিদে যাওয়ার সময় তা খাওয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন যেন মুখে কোনো গন্ধ না থাকে। যদি পিঁয়াজ রসুন খেয়ে মাসজিদে না যেতে পারে তাহলে ধূমপান করে কিভাবে যাবে? অথচ তা হারাম ও অপবিত্র। তার পরিবার এবং যারা এর গন্ধ পাবে তাদের জন্য তা ক্ষতিকর। কাজেই তাদের উচিত হলো তা থেকে সতর্ক থাকা এবং মাসজিদ সংলগ্ন রুমে তা পান না করা। ধূমপান ত্যাগ করে সর্বাবস্থায় ও সকল স্থানে এ থেকে দূরে থাকা, কারণ তা হারাম ও অপবিত্র এবং এতে দ্বীনি, দুনিয়াবী, শারীরিক এবং আর্থিক ক্ষতিসহ সকল প্রকার ক্ষতি রয়েছে। আল্লাহ সকলকে হেদায়েত করুন। [মাজমুয়া ফাতাওয়া ও বিভিন্ন প্রবন্ধ ৬/১৬২-১৬৩।]
প্রশ্ন/ এ প্রশ্নটি করা হয়েছিল ফাতাওয়ার স্থায়ী কমিটিকে: এক ব্যক্তি মাসজিদে - রাওজায়- নামায পড়ছে, এমতাবস্থায় তার পকেট থেকে সিগারেটের প্যাকেট পড়ে গেছে, এর হুকুম কি? মাসজিদে সিগারেট নিয়ে যাওয়া জায়েয আছে কি?
উত্তর: প্রশ্নের উদ্দেশ্য যদি তার কৃত কাজ হয় অর্থাৎ সিগারেট নিয়ে মাসজিদে যাওয়া, তবে এটা করো অজানা নয় যে, সিগারেট খারাপ ও অপবিত্র জিনিস। আর তা পান করা হারাম, কেননা এতে শারীরিক, আর্থিক এবং সামাজিক ক্ষতি রয়েছে সেই সাথে এতে কোনো উপকার নেই। যেহেতু তা অপবিত্র সেহেতু তা থেকে আল্লাহর ঘরকে রক্ষা করা বা সিগারেট মাসজিদে নিয়ে যাওয়াতে আল্লাহর ঘরের অবমাননা এবং অসম্মান করা হয় বিধায় তা জায়েয নেই।
কিন্তু প্রশ্নের উদ্দেশ্য যদি এই হয় যে, মুসল্লির পকেট থেকে সিগারেট পড়ে গেলে নামায বাতিল হয়ে যাবে কি না? এতে নামায বাতিল হবে না, নামায সহীহ হবে।
আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম প্রেরণ করুন। [স্থায়ী কমিটির ফাতাওয়া ২২/১৮৩-১৮৪।]
উত্তর: মাসজিদ এবং মাসজিদ সংলগ্ন কোনো রুমেই ধূমপান করা যাবে না, কারণ তা হারাম এবং মাসজিদে পান করা আরও অধিক হারাম। অথচ পিঁয়াজ রসুন (হালাল জিনিস) খেয়ে মাসজিদে যেতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন, সে জায়গায় ধূমপান করে যাওয়া কিভাবে সম্ভব?
প্রকাশ থাকে যে, পিঁয়াজ ও রসুন দু’টি হালাল জিনিস কিন্তু এর দুর্গন্ধ থাকার কারণে মাসজিদে যাওয়ার সময় তা খাওয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন যেন মুখে কোনো গন্ধ না থাকে। যদি পিঁয়াজ রসুন খেয়ে মাসজিদে না যেতে পারে তাহলে ধূমপান করে কিভাবে যাবে? অথচ তা হারাম ও অপবিত্র। তার পরিবার এবং যারা এর গন্ধ পাবে তাদের জন্য তা ক্ষতিকর। কাজেই তাদের উচিত হলো তা থেকে সতর্ক থাকা এবং মাসজিদ সংলগ্ন রুমে তা পান না করা। ধূমপান ত্যাগ করে সর্বাবস্থায় ও সকল স্থানে এ থেকে দূরে থাকা, কারণ তা হারাম ও অপবিত্র এবং এতে দ্বীনি, দুনিয়াবী, শারীরিক এবং আর্থিক ক্ষতিসহ সকল প্রকার ক্ষতি রয়েছে। আল্লাহ সকলকে হেদায়েত করুন। [মাজমুয়া ফাতাওয়া ও বিভিন্ন প্রবন্ধ ৬/১৬২-১৬৩।]
প্রশ্ন/ এ প্রশ্নটি করা হয়েছিল ফাতাওয়ার স্থায়ী কমিটিকে: এক ব্যক্তি মাসজিদে - রাওজায়- নামায পড়ছে, এমতাবস্থায় তার পকেট থেকে সিগারেটের প্যাকেট পড়ে গেছে, এর হুকুম কি? মাসজিদে সিগারেট নিয়ে যাওয়া জায়েয আছে কি?
উত্তর: প্রশ্নের উদ্দেশ্য যদি তার কৃত কাজ হয় অর্থাৎ সিগারেট নিয়ে মাসজিদে যাওয়া, তবে এটা করো অজানা নয় যে, সিগারেট খারাপ ও অপবিত্র জিনিস। আর তা পান করা হারাম, কেননা এতে শারীরিক, আর্থিক এবং সামাজিক ক্ষতি রয়েছে সেই সাথে এতে কোনো উপকার নেই। যেহেতু তা অপবিত্র সেহেতু তা থেকে আল্লাহর ঘরকে রক্ষা করা বা সিগারেট মাসজিদে নিয়ে যাওয়াতে আল্লাহর ঘরের অবমাননা এবং অসম্মান করা হয় বিধায় তা জায়েয নেই।
কিন্তু প্রশ্নের উদ্দেশ্য যদি এই হয় যে, মুসল্লির পকেট থেকে সিগারেট পড়ে গেলে নামায বাতিল হয়ে যাবে কি না? এতে নামায বাতিল হবে না, নামায সহীহ হবে।
আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম প্রেরণ করুন। [স্থায়ী কমিটির ফাতাওয়া ২২/১৮৩-১৮৪।]