১
ধূমপান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ফাতাওয়া
লেখকঃ আমের সালেহ আলাওয়ী নাজী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৭
২৪- ধূমপায়ীর জানাযার নামায
প্রশ্ন/ কোনো ধূমপায়ী বা নেশাখোর যদি মারা যায় এবং সে যদি মাসজিদে জামাতে নামায না পড়ে থাকে তাহলে তার জানাযার নামায পড়া যাবে কি?
উত্তর: ঘটনা যদি এমন হয় যে, সে ধূমপান করত, নেশা করত এবং মাসজিদে জামাতে নামায পড়ত না তবে সে আল্লাহ ও তার রাসূলের নাফরমান বা অবাধ্য, কিন্তু তাতে সে কাফের হয়ে যাবে না যতক্ষণ না সে মাদককে হালাল মনে করবে এবং নামায ত্যাগ করবে। কারণ সে শুধু জামাতে নামায আদায় করা ত্যাগ করেছে। কাজেই মুসলিমগণ তার জানাযার নামায পড়বে এবং অন্যান্য মৃত মুসলমানের সাথে যা করে তার সহিতও তাই করবে অর্থাৎ: গোসল দিবে, কাফন পরাবে এবং মাটি দেবে ইত্যাদি।
আর আল্লাহর নিকট তাওফীক কামনা করছি। আল্লাহ সালাত ও সালাম পেশ করুন আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সঙ্গী-সাথীদের উপর। [স্থায়ী কমিটির ফাতাওয়া ৮/৪১২।]
প্রশ্ন/ যে ব্যক্তি বলে যে, ধূমপায়ী মুমিন নয়, সে জান্নাতে যাবে না এবং তার সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না, তার হুকুম কি?
উত্তর: ধূমপান একটি পাপ, কেউ কোনো পাপের উপর মারা গেলে সে আল্লাহর ইচ্ছাধীন থাকবে, তিনি ইচ্ছা করলে শাস্তি দেওয়ার পর জাহান্নাম থেকে তাকে বের করে জান্নাত দিতে পারেন অথবা তাকে ক্ষমা করে জান্নাতে প্রবেশ করাতে পারেন। কিন্তু দুনিয়াতে তার হুকুম হলো: তার ঈমান থাকার কারণে সে মুমিন এবং অপরাধের কারণে সে ফাসেক। আর এটিই আহলে সুন্নাত ও জামাতের মত। [স্থায়ী কমিটির ফাতাওয়া ২২/১৭৭-১৭৮।]
উত্তর: ঘটনা যদি এমন হয় যে, সে ধূমপান করত, নেশা করত এবং মাসজিদে জামাতে নামায পড়ত না তবে সে আল্লাহ ও তার রাসূলের নাফরমান বা অবাধ্য, কিন্তু তাতে সে কাফের হয়ে যাবে না যতক্ষণ না সে মাদককে হালাল মনে করবে এবং নামায ত্যাগ করবে। কারণ সে শুধু জামাতে নামায আদায় করা ত্যাগ করেছে। কাজেই মুসলিমগণ তার জানাযার নামায পড়বে এবং অন্যান্য মৃত মুসলমানের সাথে যা করে তার সহিতও তাই করবে অর্থাৎ: গোসল দিবে, কাফন পরাবে এবং মাটি দেবে ইত্যাদি।
আর আল্লাহর নিকট তাওফীক কামনা করছি। আল্লাহ সালাত ও সালাম পেশ করুন আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সঙ্গী-সাথীদের উপর। [স্থায়ী কমিটির ফাতাওয়া ৮/৪১২।]
প্রশ্ন/ যে ব্যক্তি বলে যে, ধূমপায়ী মুমিন নয়, সে জান্নাতে যাবে না এবং তার সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না, তার হুকুম কি?
উত্তর: ধূমপান একটি পাপ, কেউ কোনো পাপের উপর মারা গেলে সে আল্লাহর ইচ্ছাধীন থাকবে, তিনি ইচ্ছা করলে শাস্তি দেওয়ার পর জাহান্নাম থেকে তাকে বের করে জান্নাত দিতে পারেন অথবা তাকে ক্ষমা করে জান্নাতে প্রবেশ করাতে পারেন। কিন্তু দুনিয়াতে তার হুকুম হলো: তার ঈমান থাকার কারণে সে মুমিন এবং অপরাধের কারণে সে ফাসেক। আর এটিই আহলে সুন্নাত ও জামাতের মত। [স্থায়ী কমিটির ফাতাওয়া ২২/১৭৭-১৭৮।]