১
নারী-পুরুষে দেখাদেখি, নির্জনে অবস্থান ও সহাবস্থান সংক্রান্ত বিবিধ ফাতওয়া
লেখকঃ শাইখ আবদুল ‘আযীয ইবন আবদিল্লাহ ইবন বায, শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-‘উসাইমীন, শাইখ আবদুল্লাহ ইবন আবদির রহমান আল-জিবরীন এবং স্থায়ী ফতোয়া বোর্ডের ফতোয়া • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৫
টেলিভিশনে সৌন্দর্য প্রদর্শনকারিনী নারীদেরকে দেখার বিধান
প্রশ্ন: আপনার নিকট প্রশ্ন হলো টেলিভিশনে সৌন্দর্য প্রদর্শনকারিনী নারীদেরকে দেখার বিধান কী?
উত্তর: উলঙ্গ অথবা অর্ধ উলঙ্গ অথবা বে-পর্দা নারীদেরকে দেখা বৈধ নয়। অনুরূপভাবে এমন পুরুষ লোকদেরকেও দেখা বৈধ নয়, যারা তাদের উরুকে উন্মুক্ত করে রাখে। এ দৃশ্য দেখা কোনো অবস্থাতেই বৈধ নয়, চাই টেলিভিশনে হউক অথবা ভিডিও বা সিনেমাতে হউক অথবা অন্য কোথাও; বরং এ ক্ষেত্রে আবশ্যক হলে চক্ষুকে অবনমিত রাখা এবং দৃষ্টিকে ফিরিয়ে রাখা। কারণ, এটা একটা ফিতনা এবং হৃদয় মনকে নষ্ট করার ও হিদায়াতের পথ থেকে বিচ্যুতির অন্যতম কারণ। কেননা আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿قُل لِّلۡمُؤۡمِنِينَ يَغُضُّواْ مِنۡ أَبۡصَٰرِهِمۡ وَيَحۡفَظُواْ فُرُوجَهُمۡۚ ذَٰلِكَ أَزۡكَىٰ لَهُمۡۚ إِنَّ ٱللَّهَ خَبِيرُۢ بِمَا يَصۡنَعُونَ ٣٠ وَقُل لِّلۡمُؤۡمِنَٰتِ يَغۡضُضۡنَ مِنۡ أَبۡصَٰرِهِنَّ وَيَحۡفَظۡنَ فُرُوجَهُنَّ وَلَا يُبۡدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا مَا ظَهَرَ مِنۡهَاۖ وَلۡيَضۡرِبۡنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَىٰ جُيُوبِهِنَّۖ﴾ [ النور : ٣٠، ٣١ ]
“মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে। এটিই তাদের জন্য অধিক পবিত্র। তারা যা করে নিশ্চয় আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক অবহিত। আর মুমিন নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে, আর তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে, তবে যা সাধারণত প্রকাশ থাকে। আর তারা তাদের গলা ও বুক যেন মাথার কাপড় দ্বারা ঢেকে রাখে”। [সূরা আন-নূর, আয়াত: ৩০–৩১]
আর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
«النظرة سهم من سهام إبليس» .
“দৃষ্টি হলো ইবলিসের (বিষাক্ত) তীরসমূহের অন্যতম একটি তীর।” [ত্ববারানী ও হাকেম।]
সুতরাং দৃষ্টির বিষয়টি ভয়াবহ বিপজ্জনক, ফলে তার থেকে সাবধান হওয়া উচিৎ এবং প্রতিটি মানুষের উচিৎ এর থেকে নিজেকে রক্ষা করা। আর টেলিভিশন ও অন্যান্য প্রচার মাধ্যমে শুধু তাই দেখা যাবে, যাতে উপকার আছে। যেমন, দীনী (ধর্মীয়) বা শিক্ষা বিষয়ক সভা-সমাবেশ বা সেমিনার, অথবা শিল্পসংক্রান্ত বা এ জতীয় অন্য কোনো অনুষ্ঠান দেখা বৈধ, যা থেকে দর্শক উপকৃত হয়; কিন্তু হারাম কিছু দেখা বৈধ নয়।
শাইখ আবদুল ‘আযীয ইবন আবদিল্লাহ ইবন বায
উত্তর: উলঙ্গ অথবা অর্ধ উলঙ্গ অথবা বে-পর্দা নারীদেরকে দেখা বৈধ নয়। অনুরূপভাবে এমন পুরুষ লোকদেরকেও দেখা বৈধ নয়, যারা তাদের উরুকে উন্মুক্ত করে রাখে। এ দৃশ্য দেখা কোনো অবস্থাতেই বৈধ নয়, চাই টেলিভিশনে হউক অথবা ভিডিও বা সিনেমাতে হউক অথবা অন্য কোথাও; বরং এ ক্ষেত্রে আবশ্যক হলে চক্ষুকে অবনমিত রাখা এবং দৃষ্টিকে ফিরিয়ে রাখা। কারণ, এটা একটা ফিতনা এবং হৃদয় মনকে নষ্ট করার ও হিদায়াতের পথ থেকে বিচ্যুতির অন্যতম কারণ। কেননা আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿قُل لِّلۡمُؤۡمِنِينَ يَغُضُّواْ مِنۡ أَبۡصَٰرِهِمۡ وَيَحۡفَظُواْ فُرُوجَهُمۡۚ ذَٰلِكَ أَزۡكَىٰ لَهُمۡۚ إِنَّ ٱللَّهَ خَبِيرُۢ بِمَا يَصۡنَعُونَ ٣٠ وَقُل لِّلۡمُؤۡمِنَٰتِ يَغۡضُضۡنَ مِنۡ أَبۡصَٰرِهِنَّ وَيَحۡفَظۡنَ فُرُوجَهُنَّ وَلَا يُبۡدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا مَا ظَهَرَ مِنۡهَاۖ وَلۡيَضۡرِبۡنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَىٰ جُيُوبِهِنَّۖ﴾ [ النور : ٣٠، ٣١ ]
“মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে। এটিই তাদের জন্য অধিক পবিত্র। তারা যা করে নিশ্চয় আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক অবহিত। আর মুমিন নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে, আর তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে, তবে যা সাধারণত প্রকাশ থাকে। আর তারা তাদের গলা ও বুক যেন মাথার কাপড় দ্বারা ঢেকে রাখে”। [সূরা আন-নূর, আয়াত: ৩০–৩১]
আর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
«النظرة سهم من سهام إبليس» .
“দৃষ্টি হলো ইবলিসের (বিষাক্ত) তীরসমূহের অন্যতম একটি তীর।” [ত্ববারানী ও হাকেম।]
সুতরাং দৃষ্টির বিষয়টি ভয়াবহ বিপজ্জনক, ফলে তার থেকে সাবধান হওয়া উচিৎ এবং প্রতিটি মানুষের উচিৎ এর থেকে নিজেকে রক্ষা করা। আর টেলিভিশন ও অন্যান্য প্রচার মাধ্যমে শুধু তাই দেখা যাবে, যাতে উপকার আছে। যেমন, দীনী (ধর্মীয়) বা শিক্ষা বিষয়ক সভা-সমাবেশ বা সেমিনার, অথবা শিল্পসংক্রান্ত বা এ জতীয় অন্য কোনো অনুষ্ঠান দেখা বৈধ, যা থেকে দর্শক উপকৃত হয়; কিন্তু হারাম কিছু দেখা বৈধ নয়।
শাইখ আবদুল ‘আযীয ইবন আবদিল্লাহ ইবন বায