১
নারী-পুরুষে দেখাদেখি, নির্জনে অবস্থান ও সহাবস্থান সংক্রান্ত বিবিধ ফাতওয়া
লেখকঃ শাইখ আবদুল ‘আযীয ইবন আবদিল্লাহ ইবন বায, শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-‘উসাইমীন, শাইখ আবদুল্লাহ ইবন আবদির রহমান আল-জিবরীন এবং স্থায়ী ফতোয়া বোর্ডের ফতোয়া • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৪
নারী ও পুরুষের মাঝে চিঠি আদান-প্রদান করার বিধান
প্রশ্ন: যখন পুরুষ ব্যক্তি অপরিচিত নারীর সাথে পরস্পরের মাঝে চিঠিপত্র আদান-প্রদানের কাজ করে এবং এক পর্যায়ে তারা উভয়ে প্রেমিক প্রেমিকা হয়ে যায়, তখন এ কাজটি কি হারাম বলে বিবেচিত হবে?
উত্তর: এ ধরনের কাজ বৈধ নয়। কারণ, তা উভয়ের মাঝে যৌনতাকে উস্কে দেয় এবং স্বভাব-প্রকৃতিকে ঠেলে দেয় তাদের মাঝে দেখা-সাক্ষাৎ ও মিলনের পথ খুঁজে বেড়াতে, আর পারস্পরিক এ প্রেমালাপ ও চিঠি চালাচালি অনেক ফিতনার জন্ম দেয় এবং মনের মধ্যে যেনা-ব্যভিচারের আসক্তি ও আকাঙ্খার বীজ বপন করে, যা অশ্লীলতার মধ্যে নিক্ষেপ করে অথবা অনাচারের ক্ষেত্র তৈরি করে; সুতরাং যে ব্যক্তি তার নাফসের কল্যাণ ও প্রতিরক্ষা কামনা করে, আমরা তাকে উপদেশ দিচ্ছি তার দীন ও মান-সম্মানকে হিফাযত করার জন্য এ ধরনের চিঠি চালাচালি, কথপোকথন ইত্যাদি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকার জন্য। আর আল্লাহ হলেন তাওফীক দানকারী।
শাইখ আবদুল্লাহ ইবন আবদির রহমান আল-জিবরীন
উত্তর: এ ধরনের কাজ বৈধ নয়। কারণ, তা উভয়ের মাঝে যৌনতাকে উস্কে দেয় এবং স্বভাব-প্রকৃতিকে ঠেলে দেয় তাদের মাঝে দেখা-সাক্ষাৎ ও মিলনের পথ খুঁজে বেড়াতে, আর পারস্পরিক এ প্রেমালাপ ও চিঠি চালাচালি অনেক ফিতনার জন্ম দেয় এবং মনের মধ্যে যেনা-ব্যভিচারের আসক্তি ও আকাঙ্খার বীজ বপন করে, যা অশ্লীলতার মধ্যে নিক্ষেপ করে অথবা অনাচারের ক্ষেত্র তৈরি করে; সুতরাং যে ব্যক্তি তার নাফসের কল্যাণ ও প্রতিরক্ষা কামনা করে, আমরা তাকে উপদেশ দিচ্ছি তার দীন ও মান-সম্মানকে হিফাযত করার জন্য এ ধরনের চিঠি চালাচালি, কথপোকথন ইত্যাদি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকার জন্য। আর আল্লাহ হলেন তাওফীক দানকারী।
শাইখ আবদুল্লাহ ইবন আবদির রহমান আল-জিবরীন