১
নারী-পুরুষে দেখাদেখি, নির্জনে অবস্থান ও সহাবস্থান সংক্রান্ত বিবিধ ফাতওয়া
লেখকঃ শাইখ আবদুল ‘আযীয ইবন আবদিল্লাহ ইবন বায, শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-‘উসাইমীন, শাইখ আবদুল্লাহ ইবন আবদির রহমান আল-জিবরীন এবং স্থায়ী ফতোয়া বোর্ডের ফতোয়া • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৮
বৃদ্ধা নারীর সাথে মুসাফাহা (করমর্দন) করার বিধান
প্রশ্ন: অপরিচিত নারীর সাথে মুসাফাহা (করমর্দন) করার বিধান কী, যখন সে বৃদ্ধা হয়? অনুরূপভাবে আরেকটি প্রশ্ন হলো যখন সে তার (বৃদ্ধার) হাতের উপরে কাপড় বা অনুরূপ কোনো পর্দা রাখে, তখন তার বিধান কী হবে?
উত্তর: মাহরাম নন এমন অপরিচিত নারীদের সাথে মুসাফাহা (করমর্দন) করা সাধারণভাবে অবৈধ, চাই তারা যুবতী হউক অথবা বৃদ্ধা হউক, চাই মুসাফাহাকারী ব্যক্তি যুবক হউক, অথবা হউক অতি বৃদ্ধ। কেননা এর মধ্যে উভয় গ্রুপের প্রত্যেকের পক্ষ থেকেই ফিতনার আশঙ্কা রয়েছে। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সহীহভাবে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন:
«إِنِّي لَا أُصَافِحُ النِّسَاءَ» .
“আমি নারীদের সাথে মুসাফাহা (করমর্দন) করি না।” [ইবনু মাজাহ, হাদীস নং- ২৮৭৪; আহমাদ, মুসনাদ, হাদীস নং- ২৭০০৮]
আর আয়েশা রাদিয়াল্লাহ ‘আনহা বলেন:
«مَا مَسَّتْ يَدُ رسول اللّه صلى الله عليه وسلم يَدَ امْرَأَةٍ قَطُّ، مَا كَانَ يُبَايِعُهُنَّ إلاَّ بِالْكَلاَمِ»
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাত কখনও কোনো নারীর হাত স্পর্শ করেনি; তিনি শুধু কথা বলার মাধ্যমেই তাদেরকে ‘বায়‘আত’ করাতেন।” [সহীহ বুখারী ও মুসলিম।]
আর কোনো প্রতিবন্ধকতা বা আড়াল করার মাধ্যমে অথবা আড়াল না করে মুসাফাহা করার মাধ্যমে কোনো পার্থক্য নেই; বরং উভয়ের বিধান একই। কারণ, দলীলগুলো সাধারণ ও নিঃশর্তভাবে বর্ণিত, তাছাড়া ফিতনার দিকে নিয়ে যায় এমন সব পথ বন্ধ করার নিমিত্তেই এ ধরনের আড়াল করার মাধ্যমে মুসাফাহা করার কোনো অনুমোদন নেই। আর তাওফীক দানের মালিক তো আল্লাহই।
শাইখ আবদুল ‘আযীয ইবন আবদিল্লাহ ইবন বায
উত্তর: মাহরাম নন এমন অপরিচিত নারীদের সাথে মুসাফাহা (করমর্দন) করা সাধারণভাবে অবৈধ, চাই তারা যুবতী হউক অথবা বৃদ্ধা হউক, চাই মুসাফাহাকারী ব্যক্তি যুবক হউক, অথবা হউক অতি বৃদ্ধ। কেননা এর মধ্যে উভয় গ্রুপের প্রত্যেকের পক্ষ থেকেই ফিতনার আশঙ্কা রয়েছে। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সহীহভাবে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন:
«إِنِّي لَا أُصَافِحُ النِّسَاءَ» .
“আমি নারীদের সাথে মুসাফাহা (করমর্দন) করি না।” [ইবনু মাজাহ, হাদীস নং- ২৮৭৪; আহমাদ, মুসনাদ, হাদীস নং- ২৭০০৮]
আর আয়েশা রাদিয়াল্লাহ ‘আনহা বলেন:
«مَا مَسَّتْ يَدُ رسول اللّه صلى الله عليه وسلم يَدَ امْرَأَةٍ قَطُّ، مَا كَانَ يُبَايِعُهُنَّ إلاَّ بِالْكَلاَمِ»
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাত কখনও কোনো নারীর হাত স্পর্শ করেনি; তিনি শুধু কথা বলার মাধ্যমেই তাদেরকে ‘বায়‘আত’ করাতেন।” [সহীহ বুখারী ও মুসলিম।]
আর কোনো প্রতিবন্ধকতা বা আড়াল করার মাধ্যমে অথবা আড়াল না করে মুসাফাহা করার মাধ্যমে কোনো পার্থক্য নেই; বরং উভয়ের বিধান একই। কারণ, দলীলগুলো সাধারণ ও নিঃশর্তভাবে বর্ণিত, তাছাড়া ফিতনার দিকে নিয়ে যায় এমন সব পথ বন্ধ করার নিমিত্তেই এ ধরনের আড়াল করার মাধ্যমে মুসাফাহা করার কোনো অনুমোদন নেই। আর তাওফীক দানের মালিক তো আল্লাহই।
শাইখ আবদুল ‘আযীয ইবন আবদিল্লাহ ইবন বায