১
নারী-পুরুষে দেখাদেখি, নির্জনে অবস্থান ও সহাবস্থান সংক্রান্ত বিবিধ ফাতওয়া
লেখকঃ শাইখ আবদুল ‘আযীয ইবন আবদিল্লাহ ইবন বায, শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-‘উসাইমীন, শাইখ আবদুল্লাহ ইবন আবদির রহমান আল-জিবরীন এবং স্থায়ী ফতোয়া বোর্ডের ফতোয়া • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৩
পুরুষদের সাথে পর্দা পরিহিতা নারীর বসার বিধান
প্রশ্ন: আমার এক বান্ধবী বলে যে, সে তার সমাজের মাহরাম নন এমন কিছু পুরুষের সাথে বসতে বাধ্য হয়, অথচ সে পরিপূর্ণভাবে পর্দা মেনে চলে। তারপর তারা তাকে ও তার সন্তান-সন্ততিকে সালাম প্রদান করে এমতাবস্থায় যে, তার স্বামী সেখানে অনুপস্থিত থাকে এবং সে এ ব্যাপারে জানে, কিন্তু সে (আমার বান্ধবী) এ অবস্থা বা প্রথাকে মেনে নিতে পারে না, তবে পরিস্থিতি তাকে বাধ্য করেছে, (এমতাবস্থায় তার করণীয় কী)?
উত্তর: আমরা ঐ নারীকে উপদেশ দিচ্ছি যে, তিনি যেন ঐসব পরপুরুষের সাথে না বসেন, যদিও তারা তার সমাজের অন্তর্ভুক্ত কেউ হয়ে থাকে, এমনকি যদিও তিনি তার চেহারা অন্যান্য অঙ্গ ঢেকে রাখেন। ক্ষমারযোগ্য হবে যখন দেয়ালের পেছন থেকে অথবা পর্দার আড়াল থেকে অথবা নারীদের মাঝে তাদের পক্ষ থেকে শুধু সালাম দেওয়া হবে, অতঃপর ঐ একসাথে বসা ও সামাজিকতার ক্ষেত্রে স্বামীর সম্মতি (শরী‘আত কর্তৃক) সমর্থনযোগ্য বলে বিবেচিত হবে না; তবে এ বিষয়টি একান্ত নির্জনে একসাথে বসা এবং বেপর্দা অবস্থায় খোলামেলাভাবে একসাথে বসার চেয়ে লঘু অপরাধ, আর এর থেকে দূরে থাকাটাই উত্তম, আর নারীর জন্য সবচেয়ে উত্তম হলো এমন নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করা, যাতে সে পুরুষদেরকে না দেখে এবং তারাও তাকে না দেখে। আর একমাত্র আল্লাহই আমার সাহায্যস্থল।
শাইখ আবদুল্লাহ ইবন আবদির রহমান আল-জিবরীন
উত্তর: আমরা ঐ নারীকে উপদেশ দিচ্ছি যে, তিনি যেন ঐসব পরপুরুষের সাথে না বসেন, যদিও তারা তার সমাজের অন্তর্ভুক্ত কেউ হয়ে থাকে, এমনকি যদিও তিনি তার চেহারা অন্যান্য অঙ্গ ঢেকে রাখেন। ক্ষমারযোগ্য হবে যখন দেয়ালের পেছন থেকে অথবা পর্দার আড়াল থেকে অথবা নারীদের মাঝে তাদের পক্ষ থেকে শুধু সালাম দেওয়া হবে, অতঃপর ঐ একসাথে বসা ও সামাজিকতার ক্ষেত্রে স্বামীর সম্মতি (শরী‘আত কর্তৃক) সমর্থনযোগ্য বলে বিবেচিত হবে না; তবে এ বিষয়টি একান্ত নির্জনে একসাথে বসা এবং বেপর্দা অবস্থায় খোলামেলাভাবে একসাথে বসার চেয়ে লঘু অপরাধ, আর এর থেকে দূরে থাকাটাই উত্তম, আর নারীর জন্য সবচেয়ে উত্তম হলো এমন নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করা, যাতে সে পুরুষদেরকে না দেখে এবং তারাও তাকে না দেখে। আর একমাত্র আল্লাহই আমার সাহায্যস্থল।
শাইখ আবদুল্লাহ ইবন আবদির রহমান আল-জিবরীন