১
নারী-পুরুষে দেখাদেখি, নির্জনে অবস্থান ও সহাবস্থান সংক্রান্ত বিবিধ ফাতওয়া
লেখকঃ শাইখ আবদুল ‘আযীয ইবন আবদিল্লাহ ইবন বায, শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-‘উসাইমীন, শাইখ আবদুল্লাহ ইবন আবদির রহমান আল-জিবরীন এবং স্থায়ী ফতোয়া বোর্ডের ফতোয়া • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৫
ভাবির সাথে মুসাফাহ (করমর্দন) করার বিধান
প্রশ্ন: স্বামীর ভাইদের জন্য তাদের ভাইয়ের বউ তথা ভাবির সাথে স্বাভাবিক পরিবেশে মুসাফাহ (করমর্দন) করা বৈধ হবে কি, আর এটা সাধারণত হয়ে থাকে পিতামাতা ও ভাই-বোনের উপস্থিতিতে ঈদ বা অনুরূপ কোনো অনুষ্ঠানকে উপলক্ষ করে?
উত্তর: স্বামীর ভাই অথবা তার চাচা অথবা মামা অথবা তার চাচার ছেলেদের জন্য তাদের ভাইয়ের বউ (ভাবি) অথবা তাদের মামী বা চাচীসহ সকল অপরিচিত মহিলার সাথে মুসাফাহ করা বৈধ নয়। কারণ, ভাই তার ভাবির জন্য মাহরাম নন, অনুরূপভাবে চাচা তার ভাতিজা বউয়ের জন্য মাহরাম নন, অনুরূপভাবে মামা তার ভাগিনা বউয়ের জন্য মাহরাম নন, অনুরূপভাবে চাচার ছেলেরা তাদের চাচাতো ভাইয়ের বউয়ের জন্য মাহরাম নয়। আর তাদের সাথে করমর্দন বৈধ না হওয়ার কারণ হলো নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী, তিনি বলেন:
«إِنِّي لَا أُصَافِحُ النِّسَاءَ» .
“আমি নারীদের সাথে মুসাফাহা (করমর্দন) করি না।” [ইবনু মাজাহ, হাদীস নং- ২৮৭৪, আহমাদ, মুসনাদ, হাদীস নং- ২৭০০৮]
আর আয়েশা রাদিয়াল্লাহ ‘আনহা বলেন:
«مَا مَسَّتْ يَدُ رسول اللّه صلى الله عليه وسلم يَدَ امْرَأَةٍ قَطُّ، مَا كَانَ يُبَايِعُهُنَّ إلاَّ بِالْكَلاَمِ» .
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাত কখনও কোনো নারীর হাত স্পর্শ করে নি, তিনি শুধু কথা বলার মাধ্যমেই তাদেরকে ‘বায়‘আত’ করাতেন।” [সহীহ বুখারী ও মুসলিম।]
তাছাড়া অপরিচিত নারীদের সাথে মুসাফাহ করাটা কখনও কখনও তাদের প্রতি দৃষ্টি দেওয়ার মতো বা আরও প্রকটভাবে তাদের সাথে ফিতনা সৃষ্টির কারণ হিসেবে ভূমিকা পালন করে। তবে তারা যদি বোন, ফুফু, পিতার স্ত্রী (সৎ মা), পুত্রবধুর মতো মাহরাম কেউ হন, তাহলে তাদের সাথে মুসাফাহা করাটা দোষের নয়। আর সঠিক ফতোয়া দেওয়ার তাওফীক দানের মালিক হলেন আল্লাহ তা‘আলা।
শাইখ আবদুল ‘আযীয ইবন আবদিল্লাহ ইবন বায
উত্তর: স্বামীর ভাই অথবা তার চাচা অথবা মামা অথবা তার চাচার ছেলেদের জন্য তাদের ভাইয়ের বউ (ভাবি) অথবা তাদের মামী বা চাচীসহ সকল অপরিচিত মহিলার সাথে মুসাফাহ করা বৈধ নয়। কারণ, ভাই তার ভাবির জন্য মাহরাম নন, অনুরূপভাবে চাচা তার ভাতিজা বউয়ের জন্য মাহরাম নন, অনুরূপভাবে মামা তার ভাগিনা বউয়ের জন্য মাহরাম নন, অনুরূপভাবে চাচার ছেলেরা তাদের চাচাতো ভাইয়ের বউয়ের জন্য মাহরাম নয়। আর তাদের সাথে করমর্দন বৈধ না হওয়ার কারণ হলো নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী, তিনি বলেন:
«إِنِّي لَا أُصَافِحُ النِّسَاءَ» .
“আমি নারীদের সাথে মুসাফাহা (করমর্দন) করি না।” [ইবনু মাজাহ, হাদীস নং- ২৮৭৪, আহমাদ, মুসনাদ, হাদীস নং- ২৭০০৮]
আর আয়েশা রাদিয়াল্লাহ ‘আনহা বলেন:
«مَا مَسَّتْ يَدُ رسول اللّه صلى الله عليه وسلم يَدَ امْرَأَةٍ قَطُّ، مَا كَانَ يُبَايِعُهُنَّ إلاَّ بِالْكَلاَمِ» .
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাত কখনও কোনো নারীর হাত স্পর্শ করে নি, তিনি শুধু কথা বলার মাধ্যমেই তাদেরকে ‘বায়‘আত’ করাতেন।” [সহীহ বুখারী ও মুসলিম।]
তাছাড়া অপরিচিত নারীদের সাথে মুসাফাহ করাটা কখনও কখনও তাদের প্রতি দৃষ্টি দেওয়ার মতো বা আরও প্রকটভাবে তাদের সাথে ফিতনা সৃষ্টির কারণ হিসেবে ভূমিকা পালন করে। তবে তারা যদি বোন, ফুফু, পিতার স্ত্রী (সৎ মা), পুত্রবধুর মতো মাহরাম কেউ হন, তাহলে তাদের সাথে মুসাফাহা করাটা দোষের নয়। আর সঠিক ফতোয়া দেওয়ার তাওফীক দানের মালিক হলেন আল্লাহ তা‘আলা।
শাইখ আবদুল ‘আযীয ইবন আবদিল্লাহ ইবন বায