১
গল্পে আঁকা ইতিহাস ২ -অপরাধী ও পুলিশ
লেখকঃ আলী তানতাভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
আশ্রয়ঃ দয়া হলো এক দয়াবানের!
দূর থেকে একটা আলো দেখতে পেলাম। সেটা ছিলো একটা বড় বাড়ি। ভয়ে ভয়ে এগিয়ে গেলাম আলোটাকে লক্ষ্য করে। কাছে এসে দেখলাম- বাড়ির সদর দরোজায় সৌম্যশান্ত এক লোক দাঁড়িয়ে আছেন। হয়তো আওয়াজ পেয়ে বেরিয়ে এসেছেন। আমার। মন বললো- ‘এর উপর তুমি নির্ভর করতে পারো!’
আমি তার কাছে এসে অসহায়ভাবে বললাম, ‘ভাই! আমি আল্লাহর পর তোমার আশ্রয়প্রার্থী। তোমার কাছে আমার কোনো বিপদ নেই তো?”
লোকটি তখন আমাকে নিরীক্ষণ করে বললো, ‘মনে হচ্ছে তুমি বিপদগ্রস্ত। ভয় নেই, নিশ্চিন্তে ভিতরে এসো!’
লোকটির কণ্ঠে আমি দরদ, ভালোবাসা ও মানবতার শব্দ শুনতে পেলাম। আমি অভিভূত হলাম। একঝাঁক নিষ্ঠুর জল্লাদের রক্তচোখ এড়িয়ে এসে এমন দয়া-মায়া জড়ানো কণ্ঠের সামনে দাঁড়িয়ে আমি অশ্রু সংবরণ করতে পারলাম না। সামনে পা’ও বাড়াতে পারলাম না। নিথর দাঁড়িয়ে রইলাম। তিনি আমার মনের অবস্থা বুঝতে পারলেন। আমার আরো কাছে এগিয়ে এলেন। তারপর হাত ধরে নিজেই হাসিমুখে ভিতরে নিয়ে গেলেন। কী যে ভালো লাগছিলো তখন! কৃতজ্ঞতায় মাথা আমার বারবার নত হয়ে আসছিলো।
সংকীর্ণ ও অন্ধকার একটা সিঁড়ি বেয়ে উপরের ছোট্ট একটা কামরায় তিনি আমাকে নিয়ে গেলেন এবং আত্মগোপনের ব্যবস্থা করে দিলেন। আমার উপস্থিতির কথা জানলেন শুধু তিনি আর তাঁর স্ত্রী।
আমি তার কাছে এসে অসহায়ভাবে বললাম, ‘ভাই! আমি আল্লাহর পর তোমার আশ্রয়প্রার্থী। তোমার কাছে আমার কোনো বিপদ নেই তো?”
লোকটি তখন আমাকে নিরীক্ষণ করে বললো, ‘মনে হচ্ছে তুমি বিপদগ্রস্ত। ভয় নেই, নিশ্চিন্তে ভিতরে এসো!’
লোকটির কণ্ঠে আমি দরদ, ভালোবাসা ও মানবতার শব্দ শুনতে পেলাম। আমি অভিভূত হলাম। একঝাঁক নিষ্ঠুর জল্লাদের রক্তচোখ এড়িয়ে এসে এমন দয়া-মায়া জড়ানো কণ্ঠের সামনে দাঁড়িয়ে আমি অশ্রু সংবরণ করতে পারলাম না। সামনে পা’ও বাড়াতে পারলাম না। নিথর দাঁড়িয়ে রইলাম। তিনি আমার মনের অবস্থা বুঝতে পারলেন। আমার আরো কাছে এগিয়ে এলেন। তারপর হাত ধরে নিজেই হাসিমুখে ভিতরে নিয়ে গেলেন। কী যে ভালো লাগছিলো তখন! কৃতজ্ঞতায় মাথা আমার বারবার নত হয়ে আসছিলো।
সংকীর্ণ ও অন্ধকার একটা সিঁড়ি বেয়ে উপরের ছোট্ট একটা কামরায় তিনি আমাকে নিয়ে গেলেন এবং আত্মগোপনের ব্যবস্থা করে দিলেন। আমার উপস্থিতির কথা জানলেন শুধু তিনি আর তাঁর স্ত্রী।