১
কুরআন ও হাদীসের আলোকে শাফা‘আত
লেখকঃ মুহাম্মাদ নাজমুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
কারা শাফা‘আত থেকে বঞ্চিত হবে?
কিয়ামত দিবসে অনুষ্ঠিত শাফা‘আত থেকে বঞ্চিত হবে যারা প্রকাশ্য শির্ক ও কুফুরীর গুনাহে লিপ্ত ছিল এবং এরই ওপর মারা গেছে। তাদের সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ مِنۡ أَهۡلِ ٱلۡكِتَٰبِ وَٱلۡمُشۡرِكِينَ فِي نَارِ جَهَنَّمَ خَٰلِدِينَ فِيهَآۚ أُوْلَٰٓئِكَ هُمۡ شَرُّ ٱلۡبَرِيَّةِ ٦﴾ [ البينة : ٦ ]
“আহলে কিতাবের মধ্যে যারা কাফির এবং যারা মুশরিক, তারা জাহান্নামের আগুনে স্থায়ী ভাবে থাকবে। তারাই সৃষ্টির অধম”। [সূরা আল-বায়্যিনাহ, আয়াত: ৬]
যারা চিরস্থায়ীভাবে জাহান্নামে থাকবে তাদের কোনো রক্ষাকারী বা সাহায্যকারী নেই।
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন,
﴿أَفَمَنۡ حَقَّ عَلَيۡهِ كَلِمَةُ ٱلۡعَذَابِ أَفَأَنتَ تُنقِذُ مَن فِي ٱلنَّارِ ١٩﴾ [ الزمر : ١٩ ]
“হে নবী, সে ব্যক্তিকে কে বাঁচাতে পারে যার ওপর আযাবের ফয়সালা হয়ে গেছ, তুমি কি তাকে বাঁচাতে পার যে জাহান্নামে রয়েছে”? [সূরা আয-যুমার, আয়াত: ১৯]
এতে বুঝা গেল, এ সব জাহান্নামীদের জন্য কোনো শাফা‘আতকারী নেই। নেই কোনো রক্ষাকারী। তাদের ব্যাপারে কোনো শাফা‘আত গ্রহণও করা হবে না। কারণ, তারা ঈমানশূন্য। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿فَمَا تَنفَعُهُمۡ شَفَٰعَةُ ٱلشَّٰفِعِينَ ٤٨﴾ [ المدثر : ٤٨ ]
“সুতরাং সুপারিশকারীদের শাফা‘আত তাদের কোনো উপকারে আসবে না”। [সূরা আল-মুদ্দাসসির, আয়াত: ৪৮]
তিনি আরও বলেন,
﴿مَا لِلظَّٰلِمِينَ مِنۡ حَمِيمٖ وَلَا شَفِيعٖ يُطَاعُ ١٨﴾ [ غافر : ١٨ ]
“যালিমদের জন্য কোনো বন্ধু নেই এবং এমন কোনো শাফা‘আতকারী নেই যার শাফা‘আত গ্রাহ্য হবে”। [সূরা গাফির, আয়াত: ১৮]
এ ছাড়া যারা আল্লাহর দীনের মধ্যে বিকৃতি এনেছে অথবা এর মধ্যে পরিবর্তন করেছে তাদের অবস্থাও সম্পূর্ণ আশংকাজনক। কারণ, তারা হাউজে কাউসারের পানি পান করতে পারবে না। স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে এই বলে তাড়িয়ে দিবেন:
«سُحْقًا سُحْقًا لِمَنْ غَيّرَ بَعْدي وَ فِي رواية : سُحْقًا سُحْقًا لِمَنْ بَدَّلَ بَعْدِيْ»
“দূর হও, ধ্বংস হও যারা আমার পর (দীনের মধ্যে) পরিবর্তন বা রদবদল করেছ”। [সহীহ বুখারী ও মুসলিম।]
তাই আমাদের সবাইকে অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে। আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পুরোপুরিভাবে মেনে চলতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই আল্লাহর দীনের অপব্যাখ্যা করা যাবে না, সম্পূর্ণ অবিকৃতভাবেই তা গ্রহণ করতে হবে। বস্তুত: তাওহীদ হচ্ছে মানুষের চিরমুক্তির সুনিশ্চিত সনদ আর শির্ক হচ্ছে ধ্বংসের মূল। তাই তাওহীদবাদী ঈমানদার লোক মহাপাপী হলেও মুক্তি পাবে। আর মুশরিক মহাজ্ঞানী ও গুণধর হলেও অমার্জনীয় অপরাধী। এজন্য ইসলামের নবী বলেছেন:
«فَهِيَ نَائِلَةٌ إِنْ شَاءَ اللهُ مَنْ مَاتَ مِنْ أُمَّتِيْ لاَيُشْرِكُ بِاللهِ شَيْئاَ»
“আমার উম্মতের মধ্যে এই শাফা‘আত ইনশাআল্লাহ সে ব্যক্তি লাভ করবে যে আল্লাহর সাথে কোনো কিছুকে শরীক না করা অবস্থায় মারা গেছে।” [সহীহ বুখারী ও মুসলিম। সূত্র আকীদাতুল মুমিন: ১২৭।]
হে আল্লাহ আমাদের সবাইকে শির্ক মুক্ত জীবন যাপনের তাওফীক দান করুন। আমিন।
﴿إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ مِنۡ أَهۡلِ ٱلۡكِتَٰبِ وَٱلۡمُشۡرِكِينَ فِي نَارِ جَهَنَّمَ خَٰلِدِينَ فِيهَآۚ أُوْلَٰٓئِكَ هُمۡ شَرُّ ٱلۡبَرِيَّةِ ٦﴾ [ البينة : ٦ ]
“আহলে কিতাবের মধ্যে যারা কাফির এবং যারা মুশরিক, তারা জাহান্নামের আগুনে স্থায়ী ভাবে থাকবে। তারাই সৃষ্টির অধম”। [সূরা আল-বায়্যিনাহ, আয়াত: ৬]
যারা চিরস্থায়ীভাবে জাহান্নামে থাকবে তাদের কোনো রক্ষাকারী বা সাহায্যকারী নেই।
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন,
﴿أَفَمَنۡ حَقَّ عَلَيۡهِ كَلِمَةُ ٱلۡعَذَابِ أَفَأَنتَ تُنقِذُ مَن فِي ٱلنَّارِ ١٩﴾ [ الزمر : ١٩ ]
“হে নবী, সে ব্যক্তিকে কে বাঁচাতে পারে যার ওপর আযাবের ফয়সালা হয়ে গেছ, তুমি কি তাকে বাঁচাতে পার যে জাহান্নামে রয়েছে”? [সূরা আয-যুমার, আয়াত: ১৯]
এতে বুঝা গেল, এ সব জাহান্নামীদের জন্য কোনো শাফা‘আতকারী নেই। নেই কোনো রক্ষাকারী। তাদের ব্যাপারে কোনো শাফা‘আত গ্রহণও করা হবে না। কারণ, তারা ঈমানশূন্য। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿فَمَا تَنفَعُهُمۡ شَفَٰعَةُ ٱلشَّٰفِعِينَ ٤٨﴾ [ المدثر : ٤٨ ]
“সুতরাং সুপারিশকারীদের শাফা‘আত তাদের কোনো উপকারে আসবে না”। [সূরা আল-মুদ্দাসসির, আয়াত: ৪৮]
তিনি আরও বলেন,
﴿مَا لِلظَّٰلِمِينَ مِنۡ حَمِيمٖ وَلَا شَفِيعٖ يُطَاعُ ١٨﴾ [ غافر : ١٨ ]
“যালিমদের জন্য কোনো বন্ধু নেই এবং এমন কোনো শাফা‘আতকারী নেই যার শাফা‘আত গ্রাহ্য হবে”। [সূরা গাফির, আয়াত: ১৮]
এ ছাড়া যারা আল্লাহর দীনের মধ্যে বিকৃতি এনেছে অথবা এর মধ্যে পরিবর্তন করেছে তাদের অবস্থাও সম্পূর্ণ আশংকাজনক। কারণ, তারা হাউজে কাউসারের পানি পান করতে পারবে না। স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে এই বলে তাড়িয়ে দিবেন:
«سُحْقًا سُحْقًا لِمَنْ غَيّرَ بَعْدي وَ فِي رواية : سُحْقًا سُحْقًا لِمَنْ بَدَّلَ بَعْدِيْ»
“দূর হও, ধ্বংস হও যারা আমার পর (দীনের মধ্যে) পরিবর্তন বা রদবদল করেছ”। [সহীহ বুখারী ও মুসলিম।]
তাই আমাদের সবাইকে অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে। আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পুরোপুরিভাবে মেনে চলতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই আল্লাহর দীনের অপব্যাখ্যা করা যাবে না, সম্পূর্ণ অবিকৃতভাবেই তা গ্রহণ করতে হবে। বস্তুত: তাওহীদ হচ্ছে মানুষের চিরমুক্তির সুনিশ্চিত সনদ আর শির্ক হচ্ছে ধ্বংসের মূল। তাই তাওহীদবাদী ঈমানদার লোক মহাপাপী হলেও মুক্তি পাবে। আর মুশরিক মহাজ্ঞানী ও গুণধর হলেও অমার্জনীয় অপরাধী। এজন্য ইসলামের নবী বলেছেন:
«فَهِيَ نَائِلَةٌ إِنْ شَاءَ اللهُ مَنْ مَاتَ مِنْ أُمَّتِيْ لاَيُشْرِكُ بِاللهِ شَيْئاَ»
“আমার উম্মতের মধ্যে এই শাফা‘আত ইনশাআল্লাহ সে ব্যক্তি লাভ করবে যে আল্লাহর সাথে কোনো কিছুকে শরীক না করা অবস্থায় মারা গেছে।” [সহীহ বুখারী ও মুসলিম। সূত্র আকীদাতুল মুমিন: ১২৭।]
হে আল্লাহ আমাদের সবাইকে শির্ক মুক্ত জীবন যাপনের তাওফীক দান করুন। আমিন।