১
কুরআন ও হাদীসের আলোকে শাফা‘আত
লেখকঃ মুহাম্মাদ নাজমুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪
কার নিকট শাফা‘আতের দো‘আ করব?
যেহেতু আল্লাহ তা‘আলাই শাফা‘আতের একমাত্র মালিক। শাফা‘আতের চাবিকাঠি একমাত্র তাঁরই হাতে। এতে কারো বিন্দু পরিমাণও অংশ নেই এবং আখিরাতের আদালতে তাঁর অনুমতি ব্যতীত কেউ শাফা‘আত করতে সক্ষম হবে না। সেহেতু আমরা শাফা‘আতের দো‘আ মহান আল্লাহর নিকটই করব। অপরদিকে দো‘আ হচ্ছে সালাত, সাওমের মতো একটি শ্রেষ্ঠ ইবাদত, বরং ইবাদতের মগজ।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«الدُّعَاءُ هُوَ الْعِباَدَةُ»
“দো‘আই হচ্ছে ইবাদত।” [বর্ণনায়: তিরমিযী ২/১৭৫।]
আর ইবাদত একমাত্র মহান রবের জন্য সুনির্দিষ্ট। ইবাদতে অন্য কাউকে শরীক করার নাম শির্কে আকবর। দো‘আ যেহেতু ইবাদত, তাই দো‘আ একমাত্র আল্লাহর নিকটেই করতে হবে।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَقَالَ رَبُّكُمُ ٱدۡعُونِيٓ أَسۡتَجِبۡ لَكُمۡ﴾ [ غافر : ٦٠ ]
“তোমাদের রব বলেছেন, তোমরা আমার নিকট দো‘আ কর, আমি তোমাদের দো‘আ কবুল করব। [সূরা গাফির, আয়াত: ৬০]
তিনি আরও বলেছেন:
﴿ٱدۡعُواْ رَبَّكُمۡ تَضَرُّعٗا وَخُفۡيَةًۚ إِنَّهُۥ لَا يُحِبُّ ٱلۡمُعۡتَدِينَ ٥٥﴾ [ الاعراف : ٥٥ ]
“তোমরা তোমাদের রবের নিকট সংগোপনে ও বিনয়ের সাথে দো‘আ কর। নিশ্চয় তিনি সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না। [সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত: ৫৫]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«إِذَا سأَلْتَ فَاسْئَلِ اللَهَ وَإِذَا اسْتَعَنْتَ فَاسْتَعِنْ بِاللهِ»
“যখন তুমি কিছু চাইবে তখন আল্লাহর নিকট চাইবে। আর যখন সাহায্য চাইবে তখন আল্লাহর কাছেই চাইবে।” [তিরমিযী ২/১৭৫।]
আমরা সূরা আল-ফাতিহায় বলি:
﴿إِيَّاكَ نَعۡبُدُ وَإِيَّاكَ نَسۡتَعِينُ ٥﴾ [ الفاتحة : ٥ ]
“আমরা একমাত্র আপনারই ইবাদত করি এবং আপনার নিকটই সাহায্য চাই।” [সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত: ৫]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«مَنْ لَمْ يَسألِ اللهَ يَغْضَب عَلَيْهِ»
“যে ব্যক্তি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করে না, আল্লাহ তার প্রতি রাগান্বিত হন।” [তিরমিযী, ইবন মাজাহ, আদাবুল মুফরাদ ও আহমদ।]
এতএব, যখন আমরা দো‘আ করব, তখন কেবল আল্লাহর কাছেই করব। আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নিকট কখনও কোনো কিছুর জন্য দো‘আ করব না। তাই শাফা‘আতের দো‘আ আল্লাহর দরবারেই করব। কেননা ইসলামের নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
«مَنْ لَمْ يَدْعُ اللهَ يَغَضَبْ عليه» .
“যে ব্যক্তি আল্লাহর নিকট দো‘আ করে না তার প্রতি আল্লাহর ক্রোধ রয়েছে”। [হাকিম, সহীহুল আযকার পৃ. ৪৯।]
তিনি আরও বলেছেন:
«ادْعُوْا اللهَ وَاَنْتُمْ مُوْقِنُوْنَ بِالْاِجاَبَةِ»
“দো‘আ কবুলের বিশ্বাস নিয়ে তোমরা আল্লাহর নিকট দো‘আ করবে।” [তিরমিযী।]
তাই প্রত্যেক মুসলিমের ভেবে দেখা উচিৎ যে, কার নিকট তার দো‘আ করা কর্তব্য। যারা গাইরুল্লাহর নিকট দো‘আ করছেন তারা কি কিয়ামতের দিন আল্লাহর নিকট হ্যাঁ-বাচক উত্তর দিতে পারবেন?
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«الدُّعَاءُ هُوَ الْعِباَدَةُ»
“দো‘আই হচ্ছে ইবাদত।” [বর্ণনায়: তিরমিযী ২/১৭৫।]
আর ইবাদত একমাত্র মহান রবের জন্য সুনির্দিষ্ট। ইবাদতে অন্য কাউকে শরীক করার নাম শির্কে আকবর। দো‘আ যেহেতু ইবাদত, তাই দো‘আ একমাত্র আল্লাহর নিকটেই করতে হবে।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَقَالَ رَبُّكُمُ ٱدۡعُونِيٓ أَسۡتَجِبۡ لَكُمۡ﴾ [ غافر : ٦٠ ]
“তোমাদের রব বলেছেন, তোমরা আমার নিকট দো‘আ কর, আমি তোমাদের দো‘আ কবুল করব। [সূরা গাফির, আয়াত: ৬০]
তিনি আরও বলেছেন:
﴿ٱدۡعُواْ رَبَّكُمۡ تَضَرُّعٗا وَخُفۡيَةًۚ إِنَّهُۥ لَا يُحِبُّ ٱلۡمُعۡتَدِينَ ٥٥﴾ [ الاعراف : ٥٥ ]
“তোমরা তোমাদের রবের নিকট সংগোপনে ও বিনয়ের সাথে দো‘আ কর। নিশ্চয় তিনি সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না। [সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত: ৫৫]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«إِذَا سأَلْتَ فَاسْئَلِ اللَهَ وَإِذَا اسْتَعَنْتَ فَاسْتَعِنْ بِاللهِ»
“যখন তুমি কিছু চাইবে তখন আল্লাহর নিকট চাইবে। আর যখন সাহায্য চাইবে তখন আল্লাহর কাছেই চাইবে।” [তিরমিযী ২/১৭৫।]
আমরা সূরা আল-ফাতিহায় বলি:
﴿إِيَّاكَ نَعۡبُدُ وَإِيَّاكَ نَسۡتَعِينُ ٥﴾ [ الفاتحة : ٥ ]
“আমরা একমাত্র আপনারই ইবাদত করি এবং আপনার নিকটই সাহায্য চাই।” [সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত: ৫]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«مَنْ لَمْ يَسألِ اللهَ يَغْضَب عَلَيْهِ»
“যে ব্যক্তি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করে না, আল্লাহ তার প্রতি রাগান্বিত হন।” [তিরমিযী, ইবন মাজাহ, আদাবুল মুফরাদ ও আহমদ।]
এতএব, যখন আমরা দো‘আ করব, তখন কেবল আল্লাহর কাছেই করব। আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নিকট কখনও কোনো কিছুর জন্য দো‘আ করব না। তাই শাফা‘আতের দো‘আ আল্লাহর দরবারেই করব। কেননা ইসলামের নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
«مَنْ لَمْ يَدْعُ اللهَ يَغَضَبْ عليه» .
“যে ব্যক্তি আল্লাহর নিকট দো‘আ করে না তার প্রতি আল্লাহর ক্রোধ রয়েছে”। [হাকিম, সহীহুল আযকার পৃ. ৪৯।]
তিনি আরও বলেছেন:
«ادْعُوْا اللهَ وَاَنْتُمْ مُوْقِنُوْنَ بِالْاِجاَبَةِ»
“দো‘আ কবুলের বিশ্বাস নিয়ে তোমরা আল্লাহর নিকট দো‘আ করবে।” [তিরমিযী।]
তাই প্রত্যেক মুসলিমের ভেবে দেখা উচিৎ যে, কার নিকট তার দো‘আ করা কর্তব্য। যারা গাইরুল্লাহর নিকট দো‘আ করছেন তারা কি কিয়ামতের দিন আল্লাহর নিকট হ্যাঁ-বাচক উত্তর দিতে পারবেন?