১
কুরআন ও হাদীসের আলোকে শাফা‘আত
লেখকঃ মুহাম্মাদ নাজমুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
শাফা‘আতের প্রকারভেদ
আখেরাতে অনুষ্ঠিত শাফা‘আত সম্পর্কে দু’প্রকার আক্বীদাহ বিদ্যমান।
এক. শরী‘আত সম্মত শাফা‘আত, দুই. শির্কী শাফা‘আত
শরী‘আতসম্মত শাফা‘আত:
যে শাফা‘আতের দো‘আ বা প্রার্থনা আল্লাহ তা‘আলার নিকট করা হয় তাকে শরী‘আতসম্মত শাফা‘আত বলা হয়। একে শাফা‘আতে মুসবাতাহ বা শরী‘আতস্বীকৃত শাফা‘আতও বলা হয়। আবার শাফা‘আতে মাকবুলাও বলা হয়।
শির্কী শাফা‘আত
যে শাফা‘আতের দো‘আ গাইরুল্লাহ তথা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারোর নিকট করা হয় তাকে শির্কী শাফা‘আত বলাহয়। এর অপর নাম শাফা‘আতে মানফিয়্যাহ বা নিষিদ্ধ শাফা‘আত। একে শাফা‘আতে মারফুদ্বাহও বলা হয়। [দেখুন: মাজমু‘আতুত তাওহীদ পৃ. ২৭৮; কাওয়াশিফুল জালিয়্যাহ পৃ. ৪৯০, ৪র্থ সংস্করণ ও আকাইদের কিতাবসমূহ।]
আল্লামা ইবনুল কাইয়্যেম রহ. বলেছেন,
الشفاعة التي أبطلها شفاعة الشريك فإنه لا شريك له والتي أثبتها شفاعة العبد المأمور .
“আল্লাহ তা‘আলা যে শাফা‘আতকে বাতিল করেছেন তা হলো শির্কী শাফা‘আত। কেননা তাঁর কোনো শরীক নেই। আর তিনি যে শাফা‘আতকে সাব্যস্ত করেছেন তা হলো তাঁর অনুমোদনপ্রাপ্ত বান্দার শাফা‘আত।” [মুজমুআতুত তাওহীদ, পৃ. ২৭৮।]
এক. শরী‘আত সম্মত শাফা‘আত, দুই. শির্কী শাফা‘আত
শরী‘আতসম্মত শাফা‘আত:
যে শাফা‘আতের দো‘আ বা প্রার্থনা আল্লাহ তা‘আলার নিকট করা হয় তাকে শরী‘আতসম্মত শাফা‘আত বলা হয়। একে শাফা‘আতে মুসবাতাহ বা শরী‘আতস্বীকৃত শাফা‘আতও বলা হয়। আবার শাফা‘আতে মাকবুলাও বলা হয়।
শির্কী শাফা‘আত
যে শাফা‘আতের দো‘আ গাইরুল্লাহ তথা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারোর নিকট করা হয় তাকে শির্কী শাফা‘আত বলাহয়। এর অপর নাম শাফা‘আতে মানফিয়্যাহ বা নিষিদ্ধ শাফা‘আত। একে শাফা‘আতে মারফুদ্বাহও বলা হয়। [দেখুন: মাজমু‘আতুত তাওহীদ পৃ. ২৭৮; কাওয়াশিফুল জালিয়্যাহ পৃ. ৪৯০, ৪র্থ সংস্করণ ও আকাইদের কিতাবসমূহ।]
আল্লামা ইবনুল কাইয়্যেম রহ. বলেছেন,
الشفاعة التي أبطلها شفاعة الشريك فإنه لا شريك له والتي أثبتها شفاعة العبد المأمور .
“আল্লাহ তা‘আলা যে শাফা‘আতকে বাতিল করেছেন তা হলো শির্কী শাফা‘আত। কেননা তাঁর কোনো শরীক নেই। আর তিনি যে শাফা‘আতকে সাব্যস্ত করেছেন তা হলো তাঁর অনুমোদনপ্রাপ্ত বান্দার শাফা‘আত।” [মুজমুআতুত তাওহীদ, পৃ. ২৭৮।]