১
কুরআন ও হাদীসের আলোকে শাফা‘আত
লেখকঃ মুহাম্মাদ নাজমুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
শরী‘আত সম্মত শাফা‘আতের প্রকারভেদ
কুরআন-হাদীস স্বীকৃত শাফা‘আত হচ্ছে সর্বমোট আট প্রকার। ইসলামী আক্বীদার কিতাব-পত্রে মোট আট প্রকার শাফা‘আতের উল্লেখ রয়েছে। একে শাফা‘আতে মুছবাতাও বলা হয়। আবার শাফা‘আতে মাকবুলাও বলা হয়।
১ম প্রকার শাফা‘আত
‘আশ-শাফা‘আতুল উজমা’ বা সর্ববৃহৎ শাফা‘আত যা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য খাস। আর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ‘শাফা‘আতে কুবরা’ ও মাকামে মাহমূদের মর্যাদা দান করবেন। হাশরের মাঠে দীর্ঘকাল অবস্থানে ক্লান্ত লোকেরা বিচারের আবেদন জানালে বিশ্বনবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সৃষ্টিকূলের বিচার কাজ শুরু করার প্রার্থনা জানাবেন রাব্বুল আলামীনের দরবারে।
২য় প্রকার শাফা‘আত সৃষ্টির বিচার ও তাদের হিসাব-নিকাশ শেষ হলে জান্নাতীদেরকে জান্নাতে প্রবেশের অনুমতিদানের জন্য রাসূলের শাফা‘আত।
৩য় প্রকার শাফা‘আত
চাচা আবু তালিব-এর শাস্তি হালকা করার জন্য রাসূলের শাফা‘আত। এই তিন প্রকারের শাফা‘আত আমাদের নবীজীর একক বৈশিষ্ট্য। এতে আর কেউ শরীক নন।
৪র্থ প্রকার শাফা‘আত
একত্ববাদে বিশ্বাসী গুনাহগার মুমিনবান্দা, যারা জাহান্নামের উপযুক্ত কিন্তু তাদেরকে জাহান্নামে না পাঠানোর জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শাফা‘আত।
৫ম প্রকারের শাফা‘আত
যেসব গুনাহগার মুমিন একত্ববাদে বিশ্বাসী হয়েও জাহান্নামে প্রবেশ করবে তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শাফা‘আত করবেন।
৬ষ্ঠ প্রকার শাফা‘আত
জান্নাততবাসীদের মধ্যে কোনো কোনো জান্নাতীর দরজা ও মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শাফা‘আত।
৭ম প্রকার শাফা‘আত
যাদের নেকী-বদী, পাপ-পূণ্য সমান হবে তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেওয়ার জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শাফা‘আত। তারা আহলে আ‘রাফ বলে কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন।
৮ম প্রকার শাফা‘আত
কোনো কোনো উম্মতকে বিনা হিসাবে ও আযাবে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেওয়ার জন্য রাসূলের শাফা‘আত। যেমন, তিনি উক্কাশা ইবন মিহসান রাদিয়াল্লাহু আনহুর জন্য আল্লাহর দরবারে দো‘আ করেছিলেন যে, তাকে যেন সেই সত্তর হাজার লোকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয় যাদেরকে বিনা হিসাব ও বিনা আযাবে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে।
বি. দ্র. শেষোক্ত ৫ প্রকার শাফা‘আতের মধ্যে আমাদের নবীজীর সাথে অন্যান্যরা শাফা‘আত করবেন। যেমন, নবীগণ, ফিরিশতাগণ, সিদ্দীকগণ, শহীদগণ, নেককার বান্দাগণ সকলেই শাফা‘আত করবেন, অবশ্য আল্লাহর অনুমতিক্রমে। [দেখুন: শরহুল আকীদাতিল ওয়াসিতিয়্যা, পৃ. ১৫৭-১৫৮; শরহুল আক্বীদাতিত তাহাবিয়া পৃ. ২২৭-২২৮; আল-কাওয়াশিফুল জালিয়্যাহ, পৃ. ৪৯১, ৪র্থ সংস্কারণ।]
১ম প্রকার শাফা‘আত
‘আশ-শাফা‘আতুল উজমা’ বা সর্ববৃহৎ শাফা‘আত যা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য খাস। আর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ‘শাফা‘আতে কুবরা’ ও মাকামে মাহমূদের মর্যাদা দান করবেন। হাশরের মাঠে দীর্ঘকাল অবস্থানে ক্লান্ত লোকেরা বিচারের আবেদন জানালে বিশ্বনবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সৃষ্টিকূলের বিচার কাজ শুরু করার প্রার্থনা জানাবেন রাব্বুল আলামীনের দরবারে।
২য় প্রকার শাফা‘আত সৃষ্টির বিচার ও তাদের হিসাব-নিকাশ শেষ হলে জান্নাতীদেরকে জান্নাতে প্রবেশের অনুমতিদানের জন্য রাসূলের শাফা‘আত।
৩য় প্রকার শাফা‘আত
চাচা আবু তালিব-এর শাস্তি হালকা করার জন্য রাসূলের শাফা‘আত। এই তিন প্রকারের শাফা‘আত আমাদের নবীজীর একক বৈশিষ্ট্য। এতে আর কেউ শরীক নন।
৪র্থ প্রকার শাফা‘আত
একত্ববাদে বিশ্বাসী গুনাহগার মুমিনবান্দা, যারা জাহান্নামের উপযুক্ত কিন্তু তাদেরকে জাহান্নামে না পাঠানোর জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শাফা‘আত।
৫ম প্রকারের শাফা‘আত
যেসব গুনাহগার মুমিন একত্ববাদে বিশ্বাসী হয়েও জাহান্নামে প্রবেশ করবে তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শাফা‘আত করবেন।
৬ষ্ঠ প্রকার শাফা‘আত
জান্নাততবাসীদের মধ্যে কোনো কোনো জান্নাতীর দরজা ও মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শাফা‘আত।
৭ম প্রকার শাফা‘আত
যাদের নেকী-বদী, পাপ-পূণ্য সমান হবে তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেওয়ার জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শাফা‘আত। তারা আহলে আ‘রাফ বলে কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন।
৮ম প্রকার শাফা‘আত
কোনো কোনো উম্মতকে বিনা হিসাবে ও আযাবে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেওয়ার জন্য রাসূলের শাফা‘আত। যেমন, তিনি উক্কাশা ইবন মিহসান রাদিয়াল্লাহু আনহুর জন্য আল্লাহর দরবারে দো‘আ করেছিলেন যে, তাকে যেন সেই সত্তর হাজার লোকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয় যাদেরকে বিনা হিসাব ও বিনা আযাবে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে।
বি. দ্র. শেষোক্ত ৫ প্রকার শাফা‘আতের মধ্যে আমাদের নবীজীর সাথে অন্যান্যরা শাফা‘আত করবেন। যেমন, নবীগণ, ফিরিশতাগণ, সিদ্দীকগণ, শহীদগণ, নেককার বান্দাগণ সকলেই শাফা‘আত করবেন, অবশ্য আল্লাহর অনুমতিক্রমে। [দেখুন: শরহুল আকীদাতিল ওয়াসিতিয়্যা, পৃ. ১৫৭-১৫৮; শরহুল আক্বীদাতিত তাহাবিয়া পৃ. ২২৭-২২৮; আল-কাওয়াশিফুল জালিয়্যাহ, পৃ. ৪৯১, ৪র্থ সংস্কারণ।]