১
মহা নাবীর সর্ব শেষ ওসিয়ত আস-সালাত, আস-সালাত
লেখকঃ নূর মুহাম্মদ বদীউর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২২
ফজর সালাতের ফযিলত:
জারির বিন আব্দুল্লাহ হতে বর্ণিত রাসূল স. বলেন,নিশ্চয় তোমরা তোমাদের রবকে দেখতে পাবে যেমন করে তোমরা চাঁদ দেখতে পাচ্ছ। তাকে দেখায় তোমাদের কোন কষ্ট হবেনা। যদি তোমরা সূর্য উদয় ও অস্তের পূর্বে সালাত আদায় করতে সক্ষম হও তাহলে তা-ই কর । [বুখারি।]
আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন:
وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا ﴿طه :১৩০﴾
‘এবং আপনার পালনকর্তার সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করুন সূর্যোদয়ের পূর্বে এবং সূর্যাস্তের পূর্বে’ [সূরা ত্বাহা, ১৩০।]
ইবনে হাজার আসকালানী রহ. বলেন: আল্লাহর দিদার উল্লেখ করার সময় এ দুই সালাত উল্লেখ করার মাঝে সম্পর্ক হল- সালাত শ্রেষ্ঠ বন্দেগি আর অন্য সালাতের উপর এ দুই সালাতের ফযিলত প্রমাণিত হয়েছে এভাবে যে এ দুই সালাতের সময় ফেরেস্তাগণ একত্রিত হন এবং আমল আল্লাহর কাছে উঠানো হয়। সুতরাং এ দুই সালাতের সংরক্ষণকারীকে শ্রেষ্ঠ প্রতিদান প্রদান করাই যুক্তিযুক্ত। আর সেটি হচ্ছে আল্লাহর দিদার। [ফাতহুল বারী ৪৪/২]
আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন:
وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا ﴿طه :১৩০﴾
‘এবং আপনার পালনকর্তার সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করুন সূর্যোদয়ের পূর্বে এবং সূর্যাস্তের পূর্বে’ [সূরা ত্বাহা, ১৩০।]
ইবনে হাজার আসকালানী রহ. বলেন: আল্লাহর দিদার উল্লেখ করার সময় এ দুই সালাত উল্লেখ করার মাঝে সম্পর্ক হল- সালাত শ্রেষ্ঠ বন্দেগি আর অন্য সালাতের উপর এ দুই সালাতের ফযিলত প্রমাণিত হয়েছে এভাবে যে এ দুই সালাতের সময় ফেরেস্তাগণ একত্রিত হন এবং আমল আল্লাহর কাছে উঠানো হয়। সুতরাং এ দুই সালাতের সংরক্ষণকারীকে শ্রেষ্ঠ প্রতিদান প্রদান করাই যুক্তিযুক্ত। আর সেটি হচ্ছে আল্লাহর দিদার। [ফাতহুল বারী ৪৪/২]