১
ইলমে গায়েব
লেখকঃ অধ্যাপক আবদুন নূর সালাফী (রহ.) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২
প্রথম সংস্করণের ভূমিকা
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্য। নবী (সাঃ)-এর প্রতি শত সহস্র দরূদ বর্ষিত হোক।
আল্লাহ রাব্বল আলামীনের বিশেষ মেহেরবানীতে ১৯৭৪ সালের লিখিত পাণ্ডুলিপি ১৯৮৪ সালে প্রকাশিত হলো ‘ইলমে গায়েব' বলতে ‘ঈমান বিল গায়েব'-কে বুঝানো হয়েছে। গায়েবের প্রতি ঈমান আনা হচ্ছে তওহীদের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সুতরাং আকাশে পাতালে একমাত্র আল্লাহই গায়েব দা। আল্লাহ ছাড়া কোন প্রাণী, নবী, অলী, গাওছ, কুতুব, জীন-ভূত ও ফেরেশতাগণ গায়েব জানে না, জানতে পারেন না। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকীদাও তাই। উক্ত মতামতের উল্টো মত পোষণকারী সীমা অতিক্রমকারী পৌত্তলিকদের অন্তর্ভুক্ত হবে।
বিংশ শতাব্দীর বহু অজ্ঞ মুসলমান নবী মুস্তফাকে আউলিয়া আল্লাহ, গাওছ, কুতুব, ফেরেশতা, জীন ও প্রেতকেও গায়েব দা বলে স্বীকার করে। বলা বাহুল্য অনেক ভ্রান্ত বিদআতী ও মৌলবী মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহকে হাযের, নাযের, গায়েব দা, নুর নবী ও আল্লাহর 'অবতার হিসাবে আখ্যায়িত করতেও ত্রুটি করেনি। কুরআন ও সুন্নাহ অবলম্বনে তাদের জবাব প্রদান করেছি তাদের স্ব-কপোল কল্পিত মতবাদের অসারতাকে তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছি।
এ পুস্তক প্রণয়নের সময় সকল মনীষীর পুস্তক থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছি, আল্লাহ রাব্বল আলামীন তাদেরকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করেন এবং এ দীন লেখককেও তাদের সারিতে স্থান দান করেন। বাংলার অধিকাংশ মানুষ শরীয়ত বিরোধী আকীদা পোষণ করায় আকীদা সংশোধনকারীর লক্ষ্যে এর পাণ্ডুলিপি প্রস্তুত করেছি। আল্লাহ রাব্দুল আলামীন যাতে করে ভ্রান্ত মুসলিম জনগণের মধ্যে কুরআন ও সুন্নাহ সম্মত আকীদা বিস্তার করে দেন, তজ্জন্য তাঁরই দরবারে আকুল আবেদন জানাচ্ছি। বইটিতে মুদ্রণগত কিছু ত্রুটি রয়ে গেছে। দ্বিতীয় সংস্করণে সেগুলোকে সংশোধন করব ইনশাআল্লাহ।
সহৃদয় পাঠকের কাছ থেকে এতদসংক্রান্ত কোন প্রমাণ ভিত্তিক আলোচনা পাওয়া গেলে তা সাদরে গ্রহণ করব। পরিশেষে মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানাই, হে আল্লাহ! তুমি অনুগ্রহ পূর্বক ভ্রান্ত মুসলিম জনগণের মধ্যে সঠিক আকীদা বিস্তার করে দাও এবং সকলকে কুরআন ও সুন্নাহ সম্মত আকীদা পোষণ করার তওফীক দাও। আমীন! সুম্মা আমীন!!
মুহাম্মদ আবদুন নূর সালাফী
সহকারী অধ্যাপক, আরবী বিভাগ
কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, রংপুর
আল্লাহ রাব্বল আলামীনের বিশেষ মেহেরবানীতে ১৯৭৪ সালের লিখিত পাণ্ডুলিপি ১৯৮৪ সালে প্রকাশিত হলো ‘ইলমে গায়েব' বলতে ‘ঈমান বিল গায়েব'-কে বুঝানো হয়েছে। গায়েবের প্রতি ঈমান আনা হচ্ছে তওহীদের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সুতরাং আকাশে পাতালে একমাত্র আল্লাহই গায়েব দা। আল্লাহ ছাড়া কোন প্রাণী, নবী, অলী, গাওছ, কুতুব, জীন-ভূত ও ফেরেশতাগণ গায়েব জানে না, জানতে পারেন না। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকীদাও তাই। উক্ত মতামতের উল্টো মত পোষণকারী সীমা অতিক্রমকারী পৌত্তলিকদের অন্তর্ভুক্ত হবে।
বিংশ শতাব্দীর বহু অজ্ঞ মুসলমান নবী মুস্তফাকে আউলিয়া আল্লাহ, গাওছ, কুতুব, ফেরেশতা, জীন ও প্রেতকেও গায়েব দা বলে স্বীকার করে। বলা বাহুল্য অনেক ভ্রান্ত বিদআতী ও মৌলবী মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহকে হাযের, নাযের, গায়েব দা, নুর নবী ও আল্লাহর 'অবতার হিসাবে আখ্যায়িত করতেও ত্রুটি করেনি। কুরআন ও সুন্নাহ অবলম্বনে তাদের জবাব প্রদান করেছি তাদের স্ব-কপোল কল্পিত মতবাদের অসারতাকে তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছি।
এ পুস্তক প্রণয়নের সময় সকল মনীষীর পুস্তক থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছি, আল্লাহ রাব্বল আলামীন তাদেরকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করেন এবং এ দীন লেখককেও তাদের সারিতে স্থান দান করেন। বাংলার অধিকাংশ মানুষ শরীয়ত বিরোধী আকীদা পোষণ করায় আকীদা সংশোধনকারীর লক্ষ্যে এর পাণ্ডুলিপি প্রস্তুত করেছি। আল্লাহ রাব্দুল আলামীন যাতে করে ভ্রান্ত মুসলিম জনগণের মধ্যে কুরআন ও সুন্নাহ সম্মত আকীদা বিস্তার করে দেন, তজ্জন্য তাঁরই দরবারে আকুল আবেদন জানাচ্ছি। বইটিতে মুদ্রণগত কিছু ত্রুটি রয়ে গেছে। দ্বিতীয় সংস্করণে সেগুলোকে সংশোধন করব ইনশাআল্লাহ।
সহৃদয় পাঠকের কাছ থেকে এতদসংক্রান্ত কোন প্রমাণ ভিত্তিক আলোচনা পাওয়া গেলে তা সাদরে গ্রহণ করব। পরিশেষে মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানাই, হে আল্লাহ! তুমি অনুগ্রহ পূর্বক ভ্রান্ত মুসলিম জনগণের মধ্যে সঠিক আকীদা বিস্তার করে দাও এবং সকলকে কুরআন ও সুন্নাহ সম্মত আকীদা পোষণ করার তওফীক দাও। আমীন! সুম্মা আমীন!!
মুহাম্মদ আবদুন নূর সালাফী
সহকারী অধ্যাপক, আরবী বিভাগ
কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, রংপুর