১
কুরআন ও সুন্নাহ’য় বর্ণিত শাফা‘আত এবং শাফা‘আতকারী
লেখকঃ শাইখ ইবরাহীম ইবন আবদিল্লাহ আল-হাযেমী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
ভূমিকা
بسم الله الرحمن الرحيم
নিশ্চয় সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য; আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর নিকট সাহায্য ও ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং তাঁর নিকট তাওবা করি, আর আমাদের নফসের জন্য ক্ষতিকর এমন সকল খারাপি এবং আমাদের সকল প্রকার মন্দ আমল থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। সুতরাং আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন, তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথহারা করেন, তাকে পথ প্রদর্শনকারীও কেউ নেই। আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল। আল্লাহ তাঁর প্রতি ও তাঁর পরিবার-পরিজনের প্রতি রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
অতঃপর..
মুসলিম ব্যক্তির ওপর আবশ্যক হলো একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করা এবং কথায় ও কাজে তাঁর প্রতি একনিষ্ঠ হওয়া, আর স্বচ্ছল ও সংকটময় পরিস্থিতিতে তাঁর নিকট আশ্রয় গ্রহণ করা। আর আল-কুরআন ও সুন্নাহ’র নিয়ম-পদ্ধতি অনুসরণে পথ চলা।
‘শাফা‘আত’ এর বিষয়টি এমন একটি বিষয়, যার পাঠ ও আলোচনা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি মুমিন বান্দার ভালোবাসায় বৃদ্ধি করে। আর তিনি হলেন এমন মহান নবী, যিনি তার রব আল্লাহ তা‘আলার নিকট ওসীলা ও উচ্চ মর্যাদার অধিকারী। আমরা আশা করি একক অদ্বিতীয় মুখাপেক্ষীহীন আল্লাহ কিয়ামতের দিনে আমাদেরকে তার শাফা‘আত থেকে বঞ্চিত করবেন না।
শাফা‘আতের গুরুত্ব বিবেচনায় এনে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের আলেমগণ একে আকিদার কিতাবসমূহের মধ্যে সন্নিবেশিত করেছেন; তাই আপনি আকীদা বিষয়ক লেখকদের খুব কম সংখ্যক লেখককেই পাবেন, যারা তার আকিদা সংক্রান্ত কিতাবের মধ্যে শাফা‘আত সম্পর্কে একটি অধ্যায় বা একটি পরিচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত করেন নি। যাতে হক তথা আসল বিষয়টি স্পষ্ট হয় এবং বাতিল বিষয়টির মূলোৎপাটন হয়ে যায়।
আর এই কিতাবটি যা আপনার সামনে পেশ করা হল, আল্লাহ চায় তো (ইনশাআল্লাহ) তা ঐ কিতাবসমূহের মধ্য থেকে অন্যতম একটি কিতাব।... আমি তা রচনার ক্ষেত্রে আল-কুরআনুল কারীম ও সহীহ সুন্নাহ’র ওপর নির্ভর করেছি... আর আমি দুর্বল হাদীস পরিহার করেছি এবং এ বিষয়ে যাঁরা পূর্বে লিখেছেন, তাদের থেকে সহযোগিতা গ্রহণ করেছি।
আর আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি, তিনি যাতে তা কবুল করেন এবং তার দ্বারা পৃথিবীর পূর্ব থেকে পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা তাঁর বান্দাদেরকে উপকৃত করেন।
আর তিনি হলেন এর তত্ত্বাবধায়ক এবং তাতে তিনি সক্ষম।
লিখেছেন: ইবরাহীম ইবন আবদিল্লাহ আল-হাযেমী
(আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিন এবং তার ভুলত্রুটিকে শুধরিয়ে দিন)
রিয়াদ: ২৭/০১/১৪১৩ হি.
নিশ্চয় সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য; আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর নিকট সাহায্য ও ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং তাঁর নিকট তাওবা করি, আর আমাদের নফসের জন্য ক্ষতিকর এমন সকল খারাপি এবং আমাদের সকল প্রকার মন্দ আমল থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। সুতরাং আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন, তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথহারা করেন, তাকে পথ প্রদর্শনকারীও কেউ নেই। আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল। আল্লাহ তাঁর প্রতি ও তাঁর পরিবার-পরিজনের প্রতি রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
অতঃপর..
মুসলিম ব্যক্তির ওপর আবশ্যক হলো একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করা এবং কথায় ও কাজে তাঁর প্রতি একনিষ্ঠ হওয়া, আর স্বচ্ছল ও সংকটময় পরিস্থিতিতে তাঁর নিকট আশ্রয় গ্রহণ করা। আর আল-কুরআন ও সুন্নাহ’র নিয়ম-পদ্ধতি অনুসরণে পথ চলা।
‘শাফা‘আত’ এর বিষয়টি এমন একটি বিষয়, যার পাঠ ও আলোচনা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি মুমিন বান্দার ভালোবাসায় বৃদ্ধি করে। আর তিনি হলেন এমন মহান নবী, যিনি তার রব আল্লাহ তা‘আলার নিকট ওসীলা ও উচ্চ মর্যাদার অধিকারী। আমরা আশা করি একক অদ্বিতীয় মুখাপেক্ষীহীন আল্লাহ কিয়ামতের দিনে আমাদেরকে তার শাফা‘আত থেকে বঞ্চিত করবেন না।
শাফা‘আতের গুরুত্ব বিবেচনায় এনে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের আলেমগণ একে আকিদার কিতাবসমূহের মধ্যে সন্নিবেশিত করেছেন; তাই আপনি আকীদা বিষয়ক লেখকদের খুব কম সংখ্যক লেখককেই পাবেন, যারা তার আকিদা সংক্রান্ত কিতাবের মধ্যে শাফা‘আত সম্পর্কে একটি অধ্যায় বা একটি পরিচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত করেন নি। যাতে হক তথা আসল বিষয়টি স্পষ্ট হয় এবং বাতিল বিষয়টির মূলোৎপাটন হয়ে যায়।
আর এই কিতাবটি যা আপনার সামনে পেশ করা হল, আল্লাহ চায় তো (ইনশাআল্লাহ) তা ঐ কিতাবসমূহের মধ্য থেকে অন্যতম একটি কিতাব।... আমি তা রচনার ক্ষেত্রে আল-কুরআনুল কারীম ও সহীহ সুন্নাহ’র ওপর নির্ভর করেছি... আর আমি দুর্বল হাদীস পরিহার করেছি এবং এ বিষয়ে যাঁরা পূর্বে লিখেছেন, তাদের থেকে সহযোগিতা গ্রহণ করেছি।
আর আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি, তিনি যাতে তা কবুল করেন এবং তার দ্বারা পৃথিবীর পূর্ব থেকে পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা তাঁর বান্দাদেরকে উপকৃত করেন।
আর তিনি হলেন এর তত্ত্বাবধায়ক এবং তাতে তিনি সক্ষম।
লিখেছেন: ইবরাহীম ইবন আবদিল্লাহ আল-হাযেমী
(আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিন এবং তার ভুলত্রুটিকে শুধরিয়ে দিন)
রিয়াদ: ২৭/০১/১৪১৩ হি.