১
কুরআন ও হাদীসের আলোকে মহাসাফল্য ও বড় ব্যর্থতা
লেখকঃ ড. সাঈদ ইবন আলী ইবন ওয়াহাফ আল-ক্বাহত্বানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২
ভূমিকা
সব প্রশংসা আল্লাহর, আমরা তাঁর প্রশংসা করছি, তাঁরই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি, তাঁর নিকট ক্ষমা চাচ্ছি, তাঁর কাছে আমাদের অন্তরের সব কলুষ ও আমাদের কৃত সব পাপ থেকে পানাহ চাই। তিনি যাকে হিদায়াত দান করেন কেউ তাকে গোমরাহ করতে পারে না, আর তিনি যাকে পথ-ভ্রষ্ট করেন কেউ তাকে হিদায়াত দিতে পারে না। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই, আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। আল্লাহর অসংখ্য সালাত ও সালাম তাঁর উপর, তাঁর পরিবার পরিজন, সাহাবীগণ ও কিয়ামত পর্যন্ত একনিষ্ঠতার সাথে তাঁর অনুসারী সকলের উপর বর্ষিত হোক।
অতঃপর, এটি একটি সংক্ষিপ্ত গবেষণা যাতে “মহাসাফল্য ও বড় ব্যর্থতা” বর্ণনা করেছি। আর তা হলো জান্নাত ও জাহান্নামের তুলনামূলক আলোচনা। এমন জান্নাতের অফুরন্ত নিয়ামত যা কেউ লাভ করলে সে মহা সফল্য অর্জন করল, আর জাহান্নামের আযাব যেখানে কাউকে শাস্তি দেয়া হলে সে স্পষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এতে আমি সংক্ষেপে পঁচিশটি পরিচ্ছেদে ‘দারুস সালাম’ তথা শান্তির নিকেতনে যাওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান করেছি এবং এর নিয়ামতরাজি ও সেখানে পৌঁছার পথ সম্পর্কে আলোচনা করেছি। আল্লাহ আমাদেরকে জান্নাতের অধিবাসী করুন! আর ‘দারুল বাওয়ার’ তথা ধ্বংস ও আযাবের স্থান জাহান্নাম সম্পর্কে সতর্ক করেছি এবং কি কারণে মানুষ জাহান্নামে যায় সে বিষয়ে আলোচনা করেছি। আল্লাহর কাছে আমরা জাহান্নাম থেকে পানাহ চাচ্ছি।
নিঃসন্দেহে প্রকৃত সফলতা হলো: জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে নাজাত পাওয়া। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:
﴿ فَمَن زُحۡزِحَ عَنِ ٱلنَّارِ وَأُدۡخِلَ ٱلۡجَنَّةَ فَقَدۡ فَازَۗ وَمَا ٱلۡحَيَوٰةُ ٱلدُّنۡيَآ إِلَّا مَتَٰعُ ٱلۡغُرُورِ ١٨٥ ﴾ [ ال عمران : ١٨٥ ]
“সুতরাং যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে সে-ই সফলতা পাবে। আর দুনিয়ার জীবন শুধু ধোঁকার সামগ্রী।” [সূরা আলে-‘ইমরান: ১৮৫]
এটা সবচেয়ে বড় কামনা। এজন্যই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِرَجُلٍ : «مَا تَقُولُ فِي الصَّلَاةِ؟» قَالَ : أَتَشَهَّدُ ثُمَّ أَسْأَلُ اللَّهَ الْجَنَّةَ، وَأَعُوذُ بِهِ مِنَ النَّارِ، أَمَا وَاللَّهِ، مَا أُحْسِنُ دَنْدَنَتَكَ، وَلَا دَنْدَنَةَ مُعَاذٍ قَالَ : «حَوْلَهَا نُدَنْدِنُ»
“এক ব্যক্তিকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি সালাতে কি পড়? সে বলল: আমি তাশাহহুদ পড়ি, এরপরে আমি আল্লাহর কাছে জান্নাতের জন্য দু‘আ করি এবং জাহান্নাম থেকে পানাহ চাই। তবে আল্লাহর কসম! আপনার ও মু‘আয রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর অস্পষ্ট কথাবার্তা কতই না উত্তম। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমরা অস্পষ্ট আওয়াজে জান্নাতের পরিবেশ কামনা করি।” [আবু দাউদ, হাদীস নং ৭৯২।]
অর্থাৎ তুমি আল্লাহর কাছে জান্নাত কামনা কর আর জাহান্নাম থেকে পানাহ চাও। আমারও গুনগুণ করে জান্নাত কামনা করি ও জাহান্নাম থেকে পানাহ চাই। সাহাবীদের পরিপূর্ণ মানব হওয়া, তাদের প্রবল আগ্রহ ও বিচক্ষণ জ্ঞানের প্রমাণ রাবি‘আ ইবন কা‘আব আল-আসলামী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর কাজ দ্বারা প্রমাণিত হয়।
عَنْ رَبِيعَة بْن كَعْبٍ الْأَسْلَمِيّ، قَالَ : كُنْتُ أَبِيتُ مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَتَيْتُهُ بِوَضُوئِهِ وَحَاجَتِهِ فَقَالَ لِي : «سَلْ» فَقُلْتُ : أَسْأَلُكَ مُرَافَقَتَكَ فِي الْجَنَّةِ . قَالَ : «أَوْ غَيْرَ ذَلِكَ» قُلْتُ : هُوَ ذَاكَ . قَالَ : «فَأَعِنِّي عَلَى نَفْسِكَ بِكَثْرَةِ السُّجُودِ»
“রাবি‘আ ইবন কা‘আব আল-আসলামী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে রাত যাপন করেছিলাম। আমি তাঁর অযুর পানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস এনে দিতাম। তিনি আমাকে বললেন, কিছু চাও। আমি বললাম, জান্নাতে আপনার সাহচার্য প্রার্থনা করছি। তিনি বললেন, এ ছাড়া আরো কিছু আছে কি? আমি বললাম, এটাই আমার প্রার্থনা। তিনি বললেন, তাহলে তুমি অধিক পরিমানে সিজদা করে তোমার নিজের স্বার্থেই আমাকে সাহায্য করো।” [মুসলিম, হাদীস নং ৪৮৯।]
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবী ও তাঁর উম্মতকে জান্নাতের প্রতি উৎসাহ প্রদান করতেন ও জাহান্নাম থেকে ভয় প্রদর্শন করতেন। এজন্যই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিম্নোক্ত হাদীসে বলেছেন,
عَنْ أَبي سَعِيدٍ الخُدْرِيَّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ : كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ : " إِذَا وُضِعَتِ الجِنَازَةُ، فَاحْتَمَلَهَا الرِّجَالُ عَلَى أَعْنَاقِهِمْ، فَإِنْ كَانَتْ صَالِحَةً قَالَتْ : قَدِّمُونِي، وَإِنْ كَانَتْ غَيْرَ صَالِحَةٍ قَالَتْ لِأَهْلِهَا : يَا وَيْلَهَا أَيْنَ يَذْهَبُونَ بِهَا، يَسْمَعُ صَوْتَهَا كُلُّ شَيْءٍ إِلَّا الإِنْسَانَ، وَلَوْ سَمِعَ الإِنْسَانُ لَصَعِقَ "
আবু সা‘ঈদ খুদুরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যখন জানাযা খাটে রাখা হয় এবং পুরুষরা তা কাঁধে বহন করে নেয়, তখন সে নেক্কার হলে বলতে থাকে, আমাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাও। আর নেক্কার না হলে সে বলতে থাকে, হায় আফসূস! তোমরা এটাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছ? মানব জাতি ব্যতীত সবাই তার চিৎকার শুনতে পায়। মানুষেরা তা শুনলে সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলত।” [বুখারী, হাদীস নং ১৩১৬।]
আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি তিনি যেন আমার এ কাজকে কবুল করেন, এটার দ্বারা আমাকে ও যারা এ কাজে সম্পৃক্ত সবাইকে উপকৃত করেন। কেননা তিনি হলেন উত্তম অভিভাবক ও সম্মানিত আশ্রয়স্থল। তিনিই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনি উত্তম অভিভাবক। আল্লাহর সালাত, সালাম ও বরকত আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তাঁর পরিবারবর্গ, সাহাবীগণ ও কিয়ামত পর্যন্ত একনিষ্ঠার সাথে অনুসারী সবার উপর বর্ষিত হোক।
লেখক
বুধবার, সকাল
৭/৭/১৪১৬ হিজরী।
অতঃপর, এটি একটি সংক্ষিপ্ত গবেষণা যাতে “মহাসাফল্য ও বড় ব্যর্থতা” বর্ণনা করেছি। আর তা হলো জান্নাত ও জাহান্নামের তুলনামূলক আলোচনা। এমন জান্নাতের অফুরন্ত নিয়ামত যা কেউ লাভ করলে সে মহা সফল্য অর্জন করল, আর জাহান্নামের আযাব যেখানে কাউকে শাস্তি দেয়া হলে সে স্পষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এতে আমি সংক্ষেপে পঁচিশটি পরিচ্ছেদে ‘দারুস সালাম’ তথা শান্তির নিকেতনে যাওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান করেছি এবং এর নিয়ামতরাজি ও সেখানে পৌঁছার পথ সম্পর্কে আলোচনা করেছি। আল্লাহ আমাদেরকে জান্নাতের অধিবাসী করুন! আর ‘দারুল বাওয়ার’ তথা ধ্বংস ও আযাবের স্থান জাহান্নাম সম্পর্কে সতর্ক করেছি এবং কি কারণে মানুষ জাহান্নামে যায় সে বিষয়ে আলোচনা করেছি। আল্লাহর কাছে আমরা জাহান্নাম থেকে পানাহ চাচ্ছি।
নিঃসন্দেহে প্রকৃত সফলতা হলো: জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে নাজাত পাওয়া। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:
﴿ فَمَن زُحۡزِحَ عَنِ ٱلنَّارِ وَأُدۡخِلَ ٱلۡجَنَّةَ فَقَدۡ فَازَۗ وَمَا ٱلۡحَيَوٰةُ ٱلدُّنۡيَآ إِلَّا مَتَٰعُ ٱلۡغُرُورِ ١٨٥ ﴾ [ ال عمران : ١٨٥ ]
“সুতরাং যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে সে-ই সফলতা পাবে। আর দুনিয়ার জীবন শুধু ধোঁকার সামগ্রী।” [সূরা আলে-‘ইমরান: ১৮৫]
এটা সবচেয়ে বড় কামনা। এজন্যই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِرَجُلٍ : «مَا تَقُولُ فِي الصَّلَاةِ؟» قَالَ : أَتَشَهَّدُ ثُمَّ أَسْأَلُ اللَّهَ الْجَنَّةَ، وَأَعُوذُ بِهِ مِنَ النَّارِ، أَمَا وَاللَّهِ، مَا أُحْسِنُ دَنْدَنَتَكَ، وَلَا دَنْدَنَةَ مُعَاذٍ قَالَ : «حَوْلَهَا نُدَنْدِنُ»
“এক ব্যক্তিকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি সালাতে কি পড়? সে বলল: আমি তাশাহহুদ পড়ি, এরপরে আমি আল্লাহর কাছে জান্নাতের জন্য দু‘আ করি এবং জাহান্নাম থেকে পানাহ চাই। তবে আল্লাহর কসম! আপনার ও মু‘আয রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর অস্পষ্ট কথাবার্তা কতই না উত্তম। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমরা অস্পষ্ট আওয়াজে জান্নাতের পরিবেশ কামনা করি।” [আবু দাউদ, হাদীস নং ৭৯২।]
অর্থাৎ তুমি আল্লাহর কাছে জান্নাত কামনা কর আর জাহান্নাম থেকে পানাহ চাও। আমারও গুনগুণ করে জান্নাত কামনা করি ও জাহান্নাম থেকে পানাহ চাই। সাহাবীদের পরিপূর্ণ মানব হওয়া, তাদের প্রবল আগ্রহ ও বিচক্ষণ জ্ঞানের প্রমাণ রাবি‘আ ইবন কা‘আব আল-আসলামী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর কাজ দ্বারা প্রমাণিত হয়।
عَنْ رَبِيعَة بْن كَعْبٍ الْأَسْلَمِيّ، قَالَ : كُنْتُ أَبِيتُ مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَتَيْتُهُ بِوَضُوئِهِ وَحَاجَتِهِ فَقَالَ لِي : «سَلْ» فَقُلْتُ : أَسْأَلُكَ مُرَافَقَتَكَ فِي الْجَنَّةِ . قَالَ : «أَوْ غَيْرَ ذَلِكَ» قُلْتُ : هُوَ ذَاكَ . قَالَ : «فَأَعِنِّي عَلَى نَفْسِكَ بِكَثْرَةِ السُّجُودِ»
“রাবি‘আ ইবন কা‘আব আল-আসলামী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে রাত যাপন করেছিলাম। আমি তাঁর অযুর পানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস এনে দিতাম। তিনি আমাকে বললেন, কিছু চাও। আমি বললাম, জান্নাতে আপনার সাহচার্য প্রার্থনা করছি। তিনি বললেন, এ ছাড়া আরো কিছু আছে কি? আমি বললাম, এটাই আমার প্রার্থনা। তিনি বললেন, তাহলে তুমি অধিক পরিমানে সিজদা করে তোমার নিজের স্বার্থেই আমাকে সাহায্য করো।” [মুসলিম, হাদীস নং ৪৮৯।]
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবী ও তাঁর উম্মতকে জান্নাতের প্রতি উৎসাহ প্রদান করতেন ও জাহান্নাম থেকে ভয় প্রদর্শন করতেন। এজন্যই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিম্নোক্ত হাদীসে বলেছেন,
عَنْ أَبي سَعِيدٍ الخُدْرِيَّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ : كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ : " إِذَا وُضِعَتِ الجِنَازَةُ، فَاحْتَمَلَهَا الرِّجَالُ عَلَى أَعْنَاقِهِمْ، فَإِنْ كَانَتْ صَالِحَةً قَالَتْ : قَدِّمُونِي، وَإِنْ كَانَتْ غَيْرَ صَالِحَةٍ قَالَتْ لِأَهْلِهَا : يَا وَيْلَهَا أَيْنَ يَذْهَبُونَ بِهَا، يَسْمَعُ صَوْتَهَا كُلُّ شَيْءٍ إِلَّا الإِنْسَانَ، وَلَوْ سَمِعَ الإِنْسَانُ لَصَعِقَ "
আবু সা‘ঈদ খুদুরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যখন জানাযা খাটে রাখা হয় এবং পুরুষরা তা কাঁধে বহন করে নেয়, তখন সে নেক্কার হলে বলতে থাকে, আমাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাও। আর নেক্কার না হলে সে বলতে থাকে, হায় আফসূস! তোমরা এটাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছ? মানব জাতি ব্যতীত সবাই তার চিৎকার শুনতে পায়। মানুষেরা তা শুনলে সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলত।” [বুখারী, হাদীস নং ১৩১৬।]
আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি তিনি যেন আমার এ কাজকে কবুল করেন, এটার দ্বারা আমাকে ও যারা এ কাজে সম্পৃক্ত সবাইকে উপকৃত করেন। কেননা তিনি হলেন উত্তম অভিভাবক ও সম্মানিত আশ্রয়স্থল। তিনিই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনি উত্তম অভিভাবক। আল্লাহর সালাত, সালাম ও বরকত আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তাঁর পরিবারবর্গ, সাহাবীগণ ও কিয়ামত পর্যন্ত একনিষ্ঠার সাথে অনুসারী সবার উপর বর্ষিত হোক।
লেখক
বুধবার, সকাল
৭/৭/১৪১৬ হিজরী।