১
কুরআন ও হাদীসের আলোকে মহাসাফল্য ও বড় ব্যর্থতা
লেখকঃ ড. সাঈদ ইবন আলী ইবন ওয়াহাফ আল-ক্বাহত্বানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৪
দ্বিতীয়ত: জাহান্নামে প্রিয়জন ও পরিবার পরিজন থেকে বিচ্ছেদ
আল্লাহর বাণী:
﴿ قُلۡ إِنَّ ٱلۡخَٰسِرِينَ ٱلَّذِينَ خَسِرُوٓاْ أَنفُسَهُمۡ وَأَهۡلِيهِمۡ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِۗ أَلَا ذَٰلِكَ هُوَ ٱلۡخُسۡرَانُ ٱلۡمُبِينُ ١٥ ﴾ [ الزمر : ١٥ ]
“বল, নিশ্চয় তারা ক্ষতিগ্রস্ত যারা কিয়ামত দিবসে নিজদেরকে ও তাদের পরিবারবর্গকে ক্ষতিগ্রস্ত পাবে। জেনে রেখ, এটাই স্পষ্ট ক্ষতি।” [সূরা : আয্-যুমার: ১৫]
আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেছেন,
﴿ وَتَرَى ٱلظَّٰلِمِينَ لَمَّا رَأَوُاْ ٱلۡعَذَابَ يَقُولُونَ هَلۡ إِلَىٰ مَرَدّٖ مِّن سَبِيلٖ ٤٤ وَتَرَىٰهُمۡ يُعۡرَضُونَ عَلَيۡهَا خَٰشِعِينَ مِنَ ٱلذُّلِّ يَنظُرُونَ مِن طَرۡفٍ خَفِيّٖۗ وَقَالَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِنَّ ٱلۡخَٰسِرِينَ ٱلَّذِينَ خَسِرُوٓاْ أَنفُسَهُمۡ وَأَهۡلِيهِمۡ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِۗ أَلَآ إِنَّ ٱلظَّٰلِمِينَ فِي عَذَابٖ مُّقِيمٖ ٤٥ ﴾ [ الشورا : ٤٤، ٤٥ ]
“আর তুমি যালিমদেরকে দেখবে, যখন তারা আযাব প্রত্যক্ষ করবে তখন বলবে, ‘ফিরে যাওয়ার কোন পথ আছে কি’? তুমি তাদেরকে আরো দেখবে যে, তাদেরকে অপমানে অবনত অবস্থায় জাহান্নামে উপস্থিত করা হচ্ছে, তারা আড় চোখে তাকাচ্ছে। আর কিয়ামতের দিন মুমিনগণ বলবে, তারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত যারা নিজদের ও পরিবার-পরিজনের ক্ষতি সাধন করেছে। সাবধান! যালিমরাই থাকবে স্থায়ী আযাবে।” [সূরা : আশ্-শূরা: ৪৪-৪৫]
অর্থাৎ তাদের সাথে চিরদিনের বিচ্ছেদ, চাই তার পরিবার পরিজন জান্নাতে যাক বা জাহান্নামে যাক। অথবা এর মর্মার্থ হলো জাহান্নামে সবাই বাস করবে; কিন্তু তাদের সাথে কোন দেখা সাক্ষাৎ হবে না, তাদের কোন আনন্দ বিনোদন থাকবে না। আর এটাই হলো স্পষ্ট ক্ষতিগ্রস্ততা। কেননা তাদেরকে জাহান্নামে ফেলা হবে। চিরকালের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা নিজেরা ক্ষতিগ্রস্ত এবং প্রিয়জন, বন্ধু বান্ধব, পরিবার পরিজন থেকে বিচ্ছিন্ন থাকবে, ফলে তাদেরকে ও ক্ষতিগ্রস্ত করবে। [তাফসীরে ইবন কাসীর: ৪/৪৯, ২২১।]
﴿ قُلۡ إِنَّ ٱلۡخَٰسِرِينَ ٱلَّذِينَ خَسِرُوٓاْ أَنفُسَهُمۡ وَأَهۡلِيهِمۡ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِۗ أَلَا ذَٰلِكَ هُوَ ٱلۡخُسۡرَانُ ٱلۡمُبِينُ ١٥ ﴾ [ الزمر : ١٥ ]
“বল, নিশ্চয় তারা ক্ষতিগ্রস্ত যারা কিয়ামত দিবসে নিজদেরকে ও তাদের পরিবারবর্গকে ক্ষতিগ্রস্ত পাবে। জেনে রেখ, এটাই স্পষ্ট ক্ষতি।” [সূরা : আয্-যুমার: ১৫]
আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেছেন,
﴿ وَتَرَى ٱلظَّٰلِمِينَ لَمَّا رَأَوُاْ ٱلۡعَذَابَ يَقُولُونَ هَلۡ إِلَىٰ مَرَدّٖ مِّن سَبِيلٖ ٤٤ وَتَرَىٰهُمۡ يُعۡرَضُونَ عَلَيۡهَا خَٰشِعِينَ مِنَ ٱلذُّلِّ يَنظُرُونَ مِن طَرۡفٍ خَفِيّٖۗ وَقَالَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِنَّ ٱلۡخَٰسِرِينَ ٱلَّذِينَ خَسِرُوٓاْ أَنفُسَهُمۡ وَأَهۡلِيهِمۡ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِۗ أَلَآ إِنَّ ٱلظَّٰلِمِينَ فِي عَذَابٖ مُّقِيمٖ ٤٥ ﴾ [ الشورا : ٤٤، ٤٥ ]
“আর তুমি যালিমদেরকে দেখবে, যখন তারা আযাব প্রত্যক্ষ করবে তখন বলবে, ‘ফিরে যাওয়ার কোন পথ আছে কি’? তুমি তাদেরকে আরো দেখবে যে, তাদেরকে অপমানে অবনত অবস্থায় জাহান্নামে উপস্থিত করা হচ্ছে, তারা আড় চোখে তাকাচ্ছে। আর কিয়ামতের দিন মুমিনগণ বলবে, তারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত যারা নিজদের ও পরিবার-পরিজনের ক্ষতি সাধন করেছে। সাবধান! যালিমরাই থাকবে স্থায়ী আযাবে।” [সূরা : আশ্-শূরা: ৪৪-৪৫]
অর্থাৎ তাদের সাথে চিরদিনের বিচ্ছেদ, চাই তার পরিবার পরিজন জান্নাতে যাক বা জাহান্নামে যাক। অথবা এর মর্মার্থ হলো জাহান্নামে সবাই বাস করবে; কিন্তু তাদের সাথে কোন দেখা সাক্ষাৎ হবে না, তাদের কোন আনন্দ বিনোদন থাকবে না। আর এটাই হলো স্পষ্ট ক্ষতিগ্রস্ততা। কেননা তাদেরকে জাহান্নামে ফেলা হবে। চিরকালের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা নিজেরা ক্ষতিগ্রস্ত এবং প্রিয়জন, বন্ধু বান্ধব, পরিবার পরিজন থেকে বিচ্ছিন্ন থাকবে, ফলে তাদেরকে ও ক্ষতিগ্রস্ত করবে। [তাফসীরে ইবন কাসীর: ৪/৪৯, ২২১।]