১
কুরআন ও হাদীসের আলোকে মহাসাফল্য ও বড় ব্যর্থতা
লেখকঃ ড. সাঈদ ইবন আলী ইবন ওয়াহাফ আল-ক্বাহত্বানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
দ্বিতীয়ত: জাহান্নামের নামসমূহ:
১- আন-নার: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿وَٱلَّذِينَ كَفَرُواْ وَكَذَّبُواْ بَِٔايَٰتِنَآ أُوْلَٰٓئِكَ أَصۡحَٰبُ ٱلنَّارِۖ هُمۡ فِيهَا خَٰلِدُونَ ٣٩﴾ [ البقرة : ٣٩ ]
“আর যারা কুফরী করেছে এবং আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছে, তারাই আগুনের অধিবাসী। তারা সেখানে স্থায়ী হবে।” [সূরা আল-বাকারাহ: ৩৯]
আল্লাহ তা‘আলা আন-নার ( النار ) শব্দটি কুরআনে ১২৬ বার বলেছেন, আর নারান ( ناراً ) শব্দটি ১৯ বার বলেছেন। যেমন: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ سَيَصۡلَىٰ نَارٗا ذَاتَ لَهَبٖ ٣ ﴾ [ المسد : ٣ ]
“অচিরেই সে দগ্ধ হবে লেলিহান আগুনে।” [সূরা আল-মাসাদ: ৩]
২- জাহান্নাম: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ إِنَّ جَهَنَّمَ كَانَتۡ مِرۡصَادٗا ٢١ لِّلطَّٰغِينَ مََٔابٗا ٢٢ ﴾ [ النبا : ٢١، ٢٢ ]
“নিশ্চয় জাহান্নাম গোপন ফাঁদ। সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য প্রত্যাবর্তন স্থল।” [সূরা আন-নাবা’: ২১-২২]
৩- আল-জাহীম: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ وَبُرِّزَتِ ٱلۡجَحِيمُ لِمَن يَرَىٰ ٣٦ ﴾ [ النازعات : ٣٦ ]
“আর জাহান্নামকে প্রকাশ করা হবে তার জন্য যে দেখতে পায়।” [সূরা আন-নাঝি‘আত: ৩৬]
৪- আস-সা‘য়ীর: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿فَرِيقٞ فِي ٱلۡجَنَّةِ وَفَرِيقٞ فِي ٱلسَّعِيرِ ٧ ﴾ [ الشورى : ٧ ]
“একদল থাকবে জান্নাতে আরেক দল জ্বলন্ত আগুনে।” [সূরা আশশুরা: ৭]
৫- সাকার: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ وَمَآ أَدۡرَىٰكَ مَا سَقَرُ ٢٧ لَا تُبۡقِي وَلَا تَذَرُ ٢٨ ﴾ [ المدثر : ٢٧، ٢٨ ]
“কিসে তোমাকে জানাবে জাহান্নামের আগুন কী? এটা অবশিষ্টও রাখবে না এবং ছেড়েও দেবে না।” [সূরা আল-মুদ্দাসির: ২৭-২৮]
৬- আল-হুতামাহ: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ كَلَّاۖ لَيُنۢبَذَنَّ فِي ٱلۡحُطَمَةِ ٤ ﴾ [ الهمزة : ٤ ]
“কখনো নয়, অবশ্যই সে নিক্ষিপ্ত হবে হুতামা’য়।” [সূরা আল-হুমাঝাগ: ৪]
৭- আল-হাবিয়াহ: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿وَأَمَّا مَنۡ خَفَّتۡ مَوَٰزِينُهُۥ ٨ فَأُمُّهُۥ هَاوِيَةٞ ٩ وَمَآ أَدۡرَىٰكَ مَا هِيَهۡ ١٠ نَارٌ حَامِيَةُۢ ١١﴾ [ القارعة : ٨، ١١ ]
“আর যার পাল্লা হালকা হবে, তার আবাস হবে হাবিয়া। আর তোমাকে কিসে জানাবে হাবিয়া কি? প্রজ্বলিত অগ্নি।” [আল-ক্বারি‘আহ: ৮-১১]
৮- দারুল বাওয়ার: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ ۞أَلَمۡ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ بَدَّلُواْ نِعۡمَتَ ٱللَّهِ كُفۡرٗا وَأَحَلُّواْ قَوۡمَهُمۡ دَارَ ٱلۡبَوَارِ ٢٨ جَهَنَّمَ يَصۡلَوۡنَهَاۖ وَبِئۡسَ ٱلۡقَرَارُ ٢٩ ﴾ [ ابراهيم : ٢٨، ٢٩ ]
“তুমি কি তাদেরকে দেখ না, যারা আল্লাহর নিআমতকে কুফরী দ্বারা পরিবর্তন করেছে এবং তাদের কওমকে ধ্বংসের ঘরে নামিয়ে দিয়েছে? জাহান্নামে, যাতে তারা দগ্ধ হবে, আর তা কতইনা নিকৃষ্ট অবস্থান!।” [সূরা ইবরাহীম: ২৮-২৯]
ইমান ইবন কাসীর রহ. বলেন, ‘দারুল বাওয়ার হলো একটি জাহান্নাম’ [তাফসীরে ইবন কাসীর: ২/৫৩৯।] ইমাম বাগবী রহ. ও এ মত দিয়েছেন। [তাফসীরে বাগবী: ৩/৩৫।]
﴿وَٱلَّذِينَ كَفَرُواْ وَكَذَّبُواْ بَِٔايَٰتِنَآ أُوْلَٰٓئِكَ أَصۡحَٰبُ ٱلنَّارِۖ هُمۡ فِيهَا خَٰلِدُونَ ٣٩﴾ [ البقرة : ٣٩ ]
“আর যারা কুফরী করেছে এবং আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছে, তারাই আগুনের অধিবাসী। তারা সেখানে স্থায়ী হবে।” [সূরা আল-বাকারাহ: ৩৯]
আল্লাহ তা‘আলা আন-নার ( النار ) শব্দটি কুরআনে ১২৬ বার বলেছেন, আর নারান ( ناراً ) শব্দটি ১৯ বার বলেছেন। যেমন: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ سَيَصۡلَىٰ نَارٗا ذَاتَ لَهَبٖ ٣ ﴾ [ المسد : ٣ ]
“অচিরেই সে দগ্ধ হবে লেলিহান আগুনে।” [সূরা আল-মাসাদ: ৩]
২- জাহান্নাম: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ إِنَّ جَهَنَّمَ كَانَتۡ مِرۡصَادٗا ٢١ لِّلطَّٰغِينَ مََٔابٗا ٢٢ ﴾ [ النبا : ٢١، ٢٢ ]
“নিশ্চয় জাহান্নাম গোপন ফাঁদ। সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য প্রত্যাবর্তন স্থল।” [সূরা আন-নাবা’: ২১-২২]
৩- আল-জাহীম: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ وَبُرِّزَتِ ٱلۡجَحِيمُ لِمَن يَرَىٰ ٣٦ ﴾ [ النازعات : ٣٦ ]
“আর জাহান্নামকে প্রকাশ করা হবে তার জন্য যে দেখতে পায়।” [সূরা আন-নাঝি‘আত: ৩৬]
৪- আস-সা‘য়ীর: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿فَرِيقٞ فِي ٱلۡجَنَّةِ وَفَرِيقٞ فِي ٱلسَّعِيرِ ٧ ﴾ [ الشورى : ٧ ]
“একদল থাকবে জান্নাতে আরেক দল জ্বলন্ত আগুনে।” [সূরা আশশুরা: ৭]
৫- সাকার: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ وَمَآ أَدۡرَىٰكَ مَا سَقَرُ ٢٧ لَا تُبۡقِي وَلَا تَذَرُ ٢٨ ﴾ [ المدثر : ٢٧، ٢٨ ]
“কিসে তোমাকে জানাবে জাহান্নামের আগুন কী? এটা অবশিষ্টও রাখবে না এবং ছেড়েও দেবে না।” [সূরা আল-মুদ্দাসির: ২৭-২৮]
৬- আল-হুতামাহ: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ كَلَّاۖ لَيُنۢبَذَنَّ فِي ٱلۡحُطَمَةِ ٤ ﴾ [ الهمزة : ٤ ]
“কখনো নয়, অবশ্যই সে নিক্ষিপ্ত হবে হুতামা’য়।” [সূরা আল-হুমাঝাগ: ৪]
৭- আল-হাবিয়াহ: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿وَأَمَّا مَنۡ خَفَّتۡ مَوَٰزِينُهُۥ ٨ فَأُمُّهُۥ هَاوِيَةٞ ٩ وَمَآ أَدۡرَىٰكَ مَا هِيَهۡ ١٠ نَارٌ حَامِيَةُۢ ١١﴾ [ القارعة : ٨، ١١ ]
“আর যার পাল্লা হালকা হবে, তার আবাস হবে হাবিয়া। আর তোমাকে কিসে জানাবে হাবিয়া কি? প্রজ্বলিত অগ্নি।” [আল-ক্বারি‘আহ: ৮-১১]
৮- দারুল বাওয়ার: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ ۞أَلَمۡ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ بَدَّلُواْ نِعۡمَتَ ٱللَّهِ كُفۡرٗا وَأَحَلُّواْ قَوۡمَهُمۡ دَارَ ٱلۡبَوَارِ ٢٨ جَهَنَّمَ يَصۡلَوۡنَهَاۖ وَبِئۡسَ ٱلۡقَرَارُ ٢٩ ﴾ [ ابراهيم : ٢٨، ٢٩ ]
“তুমি কি তাদেরকে দেখ না, যারা আল্লাহর নিআমতকে কুফরী দ্বারা পরিবর্তন করেছে এবং তাদের কওমকে ধ্বংসের ঘরে নামিয়ে দিয়েছে? জাহান্নামে, যাতে তারা দগ্ধ হবে, আর তা কতইনা নিকৃষ্ট অবস্থান!।” [সূরা ইবরাহীম: ২৮-২৯]
ইমান ইবন কাসীর রহ. বলেন, ‘দারুল বাওয়ার হলো একটি জাহান্নাম’ [তাফসীরে ইবন কাসীর: ২/৫৩৯।] ইমাম বাগবী রহ. ও এ মত দিয়েছেন। [তাফসীরে বাগবী: ৩/৩৫।]