১
কুরআন ও হাদীসের আলোকে মহাসাফল্য ও বড় ব্যর্থতা
লেখকঃ ড. সাঈদ ইবন আলী ইবন ওয়াহাফ আল-ক্বাহত্বানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩২
দ্বিতীয়ত: জাহান্নামীদের খাদ্য:
১- যাক্কুম বৃক্ষ:
আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ ثُمَّ إِنَّكُمۡ أَيُّهَا ٱلضَّآلُّونَ ٱلۡمُكَذِّبُونَ ٥١ لَأٓكِلُونَ مِن شَجَرٖ مِّن زَقُّومٖ ٥٢ فَمَالُِٔونَ مِنۡهَا ٱلۡبُطُونَ ٥٣ فَشَٰرِبُونَ عَلَيۡهِ مِنَ ٱلۡحَمِيمِ ٥٤ فَشَٰرِبُونَ شُرۡبَ ٱلۡهِيمِ ٥٥ هَٰذَا نُزُلُهُمۡ يَوۡمَ ٱلدِّينِ ٥٦ ﴾ [ الواقعة : ٥١، ٥٦ ]
“তারপর হে পথভ্রষ্ট ও অস্বীকারকারীরা, তোমরা অবশ্যই যাক্কূম গাছ থেকে খাবে, অতঃপর তা দিয়ে পেট ভর্তি করবে। তদুপরি পান করবে প্রচন্ড উত্তপ্ত পানি। অতঃপর তোমরা তা পান করবে তৃষ্ণাতুর উটের ন্যায়। প্রতিফল দিবসে এই হবে তাদের মেহমানদারী।” [সূরা : আল্-ওয়াকিয়া: ৫১-৫৬]
আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেছেন,
﴿ إِنَّ شَجَرَتَ ٱلزَّقُّومِ ٤٣ طَعَامُ ٱلۡأَثِيمِ ٤٤ كَٱلۡمُهۡلِ يَغۡلِي فِي ٱلۡبُطُونِ ٤٥ كَغَلۡيِ ٱلۡحَمِيمِ ٤٦ ﴾ [ الدخان : ٤٣، ٤٦ ]
“নিশ্চয় যাক্কূম বৃক্ষ, পাপীর খাদ্য; গলিত তামার মত, উদরসমূহে ফুটতে থাকবে। ফুটন্ত পানির মত।” [সূরা : আদ্-দুখান: ৪৩-৪৬]
যাক্কুম: দুর্গন্ধযুক্ত ভয়ানক বৃক্ষ, জাহান্নামীরা এটা খেতে খুবই অপছন্দ করবে, তারা অত্যন্ত অপছন্দ সত্বেও ক্ষুধার যন্ত্রনায় যাক্কুম বৃক্ষ গ্রহণ করবে। যেমন আরবদের কথা... কেউ মারাত্মক অপছন্দ সত্বেও খাবার খেলে বলে যাক্কুম খেয়েছে। [তাফসীরে বাগভী: ৪/১৫৪।]
পাপীদের খাদ্য: পাপী ও অন্যায়ীর খাদ্য। [তাফসীরে বাগভী: ৪/১৪৬-১৫৪।]
গলিত তামার মত, উদরসমূহে ফুটতে থাকবে: ফুটন্ত গরম পানি যেমন ফুটতে থাকে তেমনিভাবে তাদের পেটে গলিত তামার মত ফুটতে থাকবে। [তাফসীরে বাগভী: ৪/১৫৪, তাফসীরে ইবন কাসীর: ৪/১৪৬।]
২- আল-গীসলীন: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ فَلَيۡسَ لَهُ ٱلۡيَوۡمَ هَٰهُنَا حَمِيمٞ ٣٥ وَلَا طَعَامٌ إِلَّا مِنۡ غِسۡلِينٖ ٣٦ لَّا يَأۡكُلُهُۥٓ إِلَّا ٱلۡخَٰطُِٔونَ ٣٧ ﴾ [ الحاقة : ٣٥، ٣٧ ]
“অতএব আজ এখানে তার কোন অন্তরঙ্গ বন্ধু থাকবে না। আর ক্ষত-নিংসৃত পূঁজ ছাড়া কোন খাদ্য থাকবে না, অপরাধীরাই শুধু তা খাবে।” [সূরা আল্-হাক্কাহ: ৩৫-৩৭]
আল-গীসলীন: হলো জাহান্নামে কাফিরদের শরীর থেকে ক্ষত-নিংসৃত পূঁজ। কেউ কেউ বলেন, জাহান্নামীদের বমি, এটা ক্ষত-নিংসৃত পূঁজের মত। কারো মতে, জাহান্নামীদের শরীর থেকে নির্গত রক্ত ও পানি। [গরীবুল কুরআন, লেখক আল-আসফেহানী: পৃষ্ঠা ৩৬১, তাফসীরে বাগভী: ৪/৩৯০, তাফসীরে ইবন কাসীর: ৪/৪১৭।]
৩- কাঁটাযুক্ত খাদ্য:
আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ إِنَّ لَدَيۡنَآ أَنكَالٗا وَجَحِيمٗا ١٢ وَطَعَامٗا ذَا غُصَّةٖ وَعَذَابًا أَلِيمٗا ١٣ ﴾ [ المزمل : ١٢، ١٣ ]
“নিশ্চয় আমার নিকট রয়েছে শিকলসমূহ ও প্রজ্জ্বলিত আগুন। ও কাঁটাযুক্ত খাদ্য এবং যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।” [সূরা আল্-মুয্যাম্মিল: ১২-১৩]
কাঁটাযুক্ত খাদ্য গলায় আঁটকে যাবে, তা ভিতরেও যাবে না আবার বের ও হবে না। কেউ কেউ বলছেন, এটা যাক্কুম ও দরী‘। [তাফসীরে বাগভী: ৪/৪১০, তাফসীরে ইবন কাসীর: ৪/৪৩৮।]
৪- আদ-দরী‘ বা কাঁটাবিশিষ্ট গুল্ম: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ لَّيۡسَ لَهُمۡ طَعَامٌ إِلَّا مِن ضَرِيعٖ ٦ لَّا يُسۡمِنُ وَلَا يُغۡنِي مِن جُوعٖ ٧ ﴾ [ الغاشية : ٦، ٧ ]
তাদের জন্য কাঁটাবিশিষ্ট গুল্ম ছাড়া কোন খাদ্য থাকবে না। তা মোটা-তাজাও করবে না এবং ক্ষুধাও নিবারণ করবে না। [সূরা আল্-গাশিয়া: ৬-৭]
আদ-দরী‘ বা কাঁটাবিশিষ্ট গুল্ম: কেউ কেউ বলেছেন, এটা কাঁটাযুক্ত লতা, কুরাইশরা একে আশ-শাবরিক বলে, যখন এটা শুকায় তখন একে আদ-দরী‘ বলা হয়, এটা খুবই ভয়ানক খাবার। [গরীবুল কুরআন, লেখক আল-আসফেহানী: পৃষ্ঠা ৩৬১, তাফসীরে বাগভী: ৪/৪৭৮।]
আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ ثُمَّ إِنَّكُمۡ أَيُّهَا ٱلضَّآلُّونَ ٱلۡمُكَذِّبُونَ ٥١ لَأٓكِلُونَ مِن شَجَرٖ مِّن زَقُّومٖ ٥٢ فَمَالُِٔونَ مِنۡهَا ٱلۡبُطُونَ ٥٣ فَشَٰرِبُونَ عَلَيۡهِ مِنَ ٱلۡحَمِيمِ ٥٤ فَشَٰرِبُونَ شُرۡبَ ٱلۡهِيمِ ٥٥ هَٰذَا نُزُلُهُمۡ يَوۡمَ ٱلدِّينِ ٥٦ ﴾ [ الواقعة : ٥١، ٥٦ ]
“তারপর হে পথভ্রষ্ট ও অস্বীকারকারীরা, তোমরা অবশ্যই যাক্কূম গাছ থেকে খাবে, অতঃপর তা দিয়ে পেট ভর্তি করবে। তদুপরি পান করবে প্রচন্ড উত্তপ্ত পানি। অতঃপর তোমরা তা পান করবে তৃষ্ণাতুর উটের ন্যায়। প্রতিফল দিবসে এই হবে তাদের মেহমানদারী।” [সূরা : আল্-ওয়াকিয়া: ৫১-৫৬]
আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেছেন,
﴿ إِنَّ شَجَرَتَ ٱلزَّقُّومِ ٤٣ طَعَامُ ٱلۡأَثِيمِ ٤٤ كَٱلۡمُهۡلِ يَغۡلِي فِي ٱلۡبُطُونِ ٤٥ كَغَلۡيِ ٱلۡحَمِيمِ ٤٦ ﴾ [ الدخان : ٤٣، ٤٦ ]
“নিশ্চয় যাক্কূম বৃক্ষ, পাপীর খাদ্য; গলিত তামার মত, উদরসমূহে ফুটতে থাকবে। ফুটন্ত পানির মত।” [সূরা : আদ্-দুখান: ৪৩-৪৬]
যাক্কুম: দুর্গন্ধযুক্ত ভয়ানক বৃক্ষ, জাহান্নামীরা এটা খেতে খুবই অপছন্দ করবে, তারা অত্যন্ত অপছন্দ সত্বেও ক্ষুধার যন্ত্রনায় যাক্কুম বৃক্ষ গ্রহণ করবে। যেমন আরবদের কথা... কেউ মারাত্মক অপছন্দ সত্বেও খাবার খেলে বলে যাক্কুম খেয়েছে। [তাফসীরে বাগভী: ৪/১৫৪।]
পাপীদের খাদ্য: পাপী ও অন্যায়ীর খাদ্য। [তাফসীরে বাগভী: ৪/১৪৬-১৫৪।]
গলিত তামার মত, উদরসমূহে ফুটতে থাকবে: ফুটন্ত গরম পানি যেমন ফুটতে থাকে তেমনিভাবে তাদের পেটে গলিত তামার মত ফুটতে থাকবে। [তাফসীরে বাগভী: ৪/১৫৪, তাফসীরে ইবন কাসীর: ৪/১৪৬।]
২- আল-গীসলীন: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ فَلَيۡسَ لَهُ ٱلۡيَوۡمَ هَٰهُنَا حَمِيمٞ ٣٥ وَلَا طَعَامٌ إِلَّا مِنۡ غِسۡلِينٖ ٣٦ لَّا يَأۡكُلُهُۥٓ إِلَّا ٱلۡخَٰطُِٔونَ ٣٧ ﴾ [ الحاقة : ٣٥، ٣٧ ]
“অতএব আজ এখানে তার কোন অন্তরঙ্গ বন্ধু থাকবে না। আর ক্ষত-নিংসৃত পূঁজ ছাড়া কোন খাদ্য থাকবে না, অপরাধীরাই শুধু তা খাবে।” [সূরা আল্-হাক্কাহ: ৩৫-৩৭]
আল-গীসলীন: হলো জাহান্নামে কাফিরদের শরীর থেকে ক্ষত-নিংসৃত পূঁজ। কেউ কেউ বলেন, জাহান্নামীদের বমি, এটা ক্ষত-নিংসৃত পূঁজের মত। কারো মতে, জাহান্নামীদের শরীর থেকে নির্গত রক্ত ও পানি। [গরীবুল কুরআন, লেখক আল-আসফেহানী: পৃষ্ঠা ৩৬১, তাফসীরে বাগভী: ৪/৩৯০, তাফসীরে ইবন কাসীর: ৪/৪১৭।]
৩- কাঁটাযুক্ত খাদ্য:
আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ إِنَّ لَدَيۡنَآ أَنكَالٗا وَجَحِيمٗا ١٢ وَطَعَامٗا ذَا غُصَّةٖ وَعَذَابًا أَلِيمٗا ١٣ ﴾ [ المزمل : ١٢، ١٣ ]
“নিশ্চয় আমার নিকট রয়েছে শিকলসমূহ ও প্রজ্জ্বলিত আগুন। ও কাঁটাযুক্ত খাদ্য এবং যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।” [সূরা আল্-মুয্যাম্মিল: ১২-১৩]
কাঁটাযুক্ত খাদ্য গলায় আঁটকে যাবে, তা ভিতরেও যাবে না আবার বের ও হবে না। কেউ কেউ বলছেন, এটা যাক্কুম ও দরী‘। [তাফসীরে বাগভী: ৪/৪১০, তাফসীরে ইবন কাসীর: ৪/৪৩৮।]
৪- আদ-দরী‘ বা কাঁটাবিশিষ্ট গুল্ম: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ لَّيۡسَ لَهُمۡ طَعَامٌ إِلَّا مِن ضَرِيعٖ ٦ لَّا يُسۡمِنُ وَلَا يُغۡنِي مِن جُوعٖ ٧ ﴾ [ الغاشية : ٦، ٧ ]
তাদের জন্য কাঁটাবিশিষ্ট গুল্ম ছাড়া কোন খাদ্য থাকবে না। তা মোটা-তাজাও করবে না এবং ক্ষুধাও নিবারণ করবে না। [সূরা আল্-গাশিয়া: ৬-৭]
আদ-দরী‘ বা কাঁটাবিশিষ্ট গুল্ম: কেউ কেউ বলেছেন, এটা কাঁটাযুক্ত লতা, কুরাইশরা একে আশ-শাবরিক বলে, যখন এটা শুকায় তখন একে আদ-দরী‘ বলা হয়, এটা খুবই ভয়ানক খাবার। [গরীবুল কুরআন, লেখক আল-আসফেহানী: পৃষ্ঠা ৩৬১, তাফসীরে বাগভী: ৪/৪৭৮।]