১
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহচর্য
লেখকঃ শাইখ সালেহ ইবন আবদিল্লাহ আদ-দারওয়ীশ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২
ভূমিকা
إن الحمد لله، نحمده، ونستعينه، ونستغفره، ونتوب إليه، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له
সব প্রশংসা আল্লাহর, আমরা তাঁর প্রশংসা করছি, তাঁর নিকট ক্ষমা চাচ্ছি, তাঁর কাছে তাওবা করছি, তাঁর কাছে আমাদের অন্তরের সব কলুষতা ও পাপ থেকে পানাহ চাই। তিনি যাকে হিদায়াত দান করেন কেউ তাকে গোমরাহ করতে পারে না, আর তিনি যাকে পথ-ভ্রষ্ট করেন কেউ তাকে হিদায়াত দিতে পারে না।
অতঃপর, বর্তমানে মুসলিম উম্মাহ ইসলামী জাগরণের যুগে বসবাস করছে, - আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করছি তিনি যেন তাদেরকে এ জাগরণের পূর্ণ ফল ভোগ করার তাওফিক দিন-। উম্মতের এ জাগরণকে কুফরীশক্তি কখনও ছেড়ে দিবে না, যদিও সামান্য সুযোগ দেয়, তবে নবজাগরণ থেকে তাদেরকে পদে পদে বাধা দিবে। আর শত্রুর মোকাবিলায় ধৈর্যধারণ করা ছাড়া উম্মতের জাগরণ পরিণতিতে পৌছেঁ না। সর্বপ্রকারের ধৈর্যধারণ, আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করলে উম্মত তখন নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব পাবে এবং আল্লাহর রহমতে তাদের জাগরণ মুবারকময় হবে। ইসলামের শত্রুদের একটি মারাত্মক ষড়যন্ত্র হলো উম্মতকে নানা দল ও মতে বিভক্ত করে এর ফায়েদা লুটে নেয়া।
মুসলমানকে নানা দলে বিভক্ত করার অন্যতম উপয় হলো তাদের ভয়াবহ ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে ঘাটাঘটি করা। কতিপয় কিচ্ছা-কাহিনীকারগণ এসব ঘটনায় নানা রং ঢং ও ঢালাই ও ভাষার বুনন দিয়ে এগুলোকে সাজিয়ে উপস্থাপন করে থাকে। স্বার্থান্বেষীরা এগুলোকে ব্যবহার করে মানুষের অনুভুতিকে জাগিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে। জনসাধারণের অনুভুতিকে কাজে লাগিয়ে ধন-সম্পদ অর্জন করে। তারা এগুলোকে কাজে লাগিয়ে তাদের হীন স্বার্থ হাসিল করে।
মুসলমানদের উচিত, বিশেষ করে তালিবে ইলমদের উচিত এ ব্যাপারে সত্য-মিথ্যা বর্ণনা করা ও ঈমানদারদেরকে কুরআন ও সুন্নহের উপর অটল থাকতে আহ্বান করা। দলাদলি পরিহার করে উম্মতকে বিচ্ছিন্ন হওয়া থেকে মুক্ত থাকা ও শত্রুদের হীন ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করা।
সম্মানিত পাঠকের কাছে একথা অস্পষ্ট নয় যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর পরে কল্প-কাহিনীকারেরা সাহাবীদের মধ্যকার ঘটমান বিষয় নিয়ে মানুষের মাঝে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে দিয়েছে।
প্রকৃত ঘটনা উদঘটনে অংশীদার হতে ও আল্লাহর পথে দাওয়াত দিতে আক্বীদা ও মাযহাবের ভিন্নতা সত্ত্বেও সাধারণ মুসলমান নারী-পুরুষ, ছোট-বড় সকলের জন্য এ ছোট পুস্তিকাটি লিখেছি। আক্বলী ও নক্বলী বিশেষ করে কুরআনুল কারীম থেকে দলিল পেশ করতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি। সাথে সাথে মানুষের অনুভুতি ও বিবেকের চাহিদাকেও লক্ষ্য রেখেছি। আশা করছি আল্লাহ তা‘আলা এ কিতাবটি দ্বারা সবাইকে উপকৃত করবেন। যা সঠিক, তা তো মহান আল্লাহর তরফ থেকেই। আমার ভুল ত্রুটি ও সব পাপের জন্য ইস্তিগফার করছি।
পাঠককে সুন্দর মতামত, পরামর্শ ও সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে বিশেষ অনুরোধ করছি।
সালেহ ইবন আবদিল্লাহ আদ-দারওয়ীশ
বিচারক, আল-কাতিফ উচ্চ আদালত, সৌদি আরব।
সব প্রশংসা আল্লাহর, আমরা তাঁর প্রশংসা করছি, তাঁর নিকট ক্ষমা চাচ্ছি, তাঁর কাছে তাওবা করছি, তাঁর কাছে আমাদের অন্তরের সব কলুষতা ও পাপ থেকে পানাহ চাই। তিনি যাকে হিদায়াত দান করেন কেউ তাকে গোমরাহ করতে পারে না, আর তিনি যাকে পথ-ভ্রষ্ট করেন কেউ তাকে হিদায়াত দিতে পারে না।
অতঃপর, বর্তমানে মুসলিম উম্মাহ ইসলামী জাগরণের যুগে বসবাস করছে, - আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করছি তিনি যেন তাদেরকে এ জাগরণের পূর্ণ ফল ভোগ করার তাওফিক দিন-। উম্মতের এ জাগরণকে কুফরীশক্তি কখনও ছেড়ে দিবে না, যদিও সামান্য সুযোগ দেয়, তবে নবজাগরণ থেকে তাদেরকে পদে পদে বাধা দিবে। আর শত্রুর মোকাবিলায় ধৈর্যধারণ করা ছাড়া উম্মতের জাগরণ পরিণতিতে পৌছেঁ না। সর্বপ্রকারের ধৈর্যধারণ, আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করলে উম্মত তখন নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব পাবে এবং আল্লাহর রহমতে তাদের জাগরণ মুবারকময় হবে। ইসলামের শত্রুদের একটি মারাত্মক ষড়যন্ত্র হলো উম্মতকে নানা দল ও মতে বিভক্ত করে এর ফায়েদা লুটে নেয়া।
মুসলমানকে নানা দলে বিভক্ত করার অন্যতম উপয় হলো তাদের ভয়াবহ ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে ঘাটাঘটি করা। কতিপয় কিচ্ছা-কাহিনীকারগণ এসব ঘটনায় নানা রং ঢং ও ঢালাই ও ভাষার বুনন দিয়ে এগুলোকে সাজিয়ে উপস্থাপন করে থাকে। স্বার্থান্বেষীরা এগুলোকে ব্যবহার করে মানুষের অনুভুতিকে জাগিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে। জনসাধারণের অনুভুতিকে কাজে লাগিয়ে ধন-সম্পদ অর্জন করে। তারা এগুলোকে কাজে লাগিয়ে তাদের হীন স্বার্থ হাসিল করে।
মুসলমানদের উচিত, বিশেষ করে তালিবে ইলমদের উচিত এ ব্যাপারে সত্য-মিথ্যা বর্ণনা করা ও ঈমানদারদেরকে কুরআন ও সুন্নহের উপর অটল থাকতে আহ্বান করা। দলাদলি পরিহার করে উম্মতকে বিচ্ছিন্ন হওয়া থেকে মুক্ত থাকা ও শত্রুদের হীন ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করা।
সম্মানিত পাঠকের কাছে একথা অস্পষ্ট নয় যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর পরে কল্প-কাহিনীকারেরা সাহাবীদের মধ্যকার ঘটমান বিষয় নিয়ে মানুষের মাঝে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে দিয়েছে।
প্রকৃত ঘটনা উদঘটনে অংশীদার হতে ও আল্লাহর পথে দাওয়াত দিতে আক্বীদা ও মাযহাবের ভিন্নতা সত্ত্বেও সাধারণ মুসলমান নারী-পুরুষ, ছোট-বড় সকলের জন্য এ ছোট পুস্তিকাটি লিখেছি। আক্বলী ও নক্বলী বিশেষ করে কুরআনুল কারীম থেকে দলিল পেশ করতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি। সাথে সাথে মানুষের অনুভুতি ও বিবেকের চাহিদাকেও লক্ষ্য রেখেছি। আশা করছি আল্লাহ তা‘আলা এ কিতাবটি দ্বারা সবাইকে উপকৃত করবেন। যা সঠিক, তা তো মহান আল্লাহর তরফ থেকেই। আমার ভুল ত্রুটি ও সব পাপের জন্য ইস্তিগফার করছি।
পাঠককে সুন্দর মতামত, পরামর্শ ও সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে বিশেষ অনুরোধ করছি।
সালেহ ইবন আবদিল্লাহ আদ-দারওয়ীশ
বিচারক, আল-কাতিফ উচ্চ আদালত, সৌদি আরব।