১
আল্লামা নওয়াব সিদ্দীক হাসান খান ভুপালী জীবন ও কর্ম
লেখকঃ আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
প্রতিপালন ও শিক্ষা-দীক্ষা
মাত্র ছয় বছর বয়সে সিদ্দীক হাসানের পিতা মারা যান (১২৫৪ হিজরী মোতাবেক ১৮৩৮ খৃষ্টাব্দ)। যার কারণে তাঁর মা তাঁকে পুনরায় নানার বাড়ী ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। তিনি সেখানে মায়ের স্নেহ-মমতায় প্রতিপালিত হতে থাকেন। তিনি সন্তানের শিক্ষা-দীক্ষার প্রতি যত্ন নেন এবং তার জন্য নিয়োগ করেন একজন কুরআনের শিক্ষক।
তার বড় ভাই আহমদ বিন হাসান তাকে ফারসী ভাষা, আরবী ভাষা ও ইসলাম সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান দান করেন।
অনুরূপভাবে তিনি কান্নুজের শাইখ মুহাম্মদ ইয়াকুবের নিকট এবং বিখ্যাত আলেম ও মুজাহিদ বেলায়াত আলী সাদেকপুরী আজিমাবাদীর নিকটও জ্ঞানার্জন করেন।
তাছাড়াও তিনি আরেক প্রখ্যাত আলেম ফজলুর রহমান মুরাদাবাদী এবং নিজ ভাই আহমদ হাসান প্রমুখের নিকট জ্ঞানার্জন করেছেন।
ফজলুর রহমান মুরাদাবাদী প্রায় কান্নুজে যাতায়াত করতেন এবং তাদের বাড়িতে দেখা করতে যেতেন। কেননা তিনি তাঁকে এবং তার ভাই আহমদ হাসানকে অনেক স্নেহ করতেন।
তার বড় ভাই আহমদ বিন হাসান তাকে ফারসী ভাষা, আরবী ভাষা ও ইসলাম সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান দান করেন।
অনুরূপভাবে তিনি কান্নুজের শাইখ মুহাম্মদ ইয়াকুবের নিকট এবং বিখ্যাত আলেম ও মুজাহিদ বেলায়াত আলী সাদেকপুরী আজিমাবাদীর নিকটও জ্ঞানার্জন করেন।
তাছাড়াও তিনি আরেক প্রখ্যাত আলেম ফজলুর রহমান মুরাদাবাদী এবং নিজ ভাই আহমদ হাসান প্রমুখের নিকট জ্ঞানার্জন করেছেন।
ফজলুর রহমান মুরাদাবাদী প্রায় কান্নুজে যাতায়াত করতেন এবং তাদের বাড়িতে দেখা করতে যেতেন। কেননা তিনি তাঁকে এবং তার ভাই আহমদ হাসানকে অনেক স্নেহ করতেন।