hadith book logo

আল্লামা নওয়াব সিদ্দীক হাসান খান ভুপালী জীবন ও কর্ম

লেখকঃ আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৯

জ্ঞানার্জনের উদ্দেশ্যে বহির্জগতে পাড়ি:

এরপর তিনি শিক্ষার্জনের উদ্দেশ্যে বহির্জগতে পাড়ি জমান। প্রথমে ফারখাবাদ অত:পর কানপুর গমন করে সেখানকার কতিপয় আলেমদের নিকট দ্বীন শিক্ষা করেন।

তিনি অত্র এলাকায় আহমদ ইরফান শহীদ এর বড় বড় শাগরেরদের নিকট ইলম অর্জন করেন। তারা সিদ্দীক হাসান খানকে তার পিতার মর্যাদার কারণে যথেষ্ট স্নেহ করতেন।

অত:পর তিনি কানপুর থেকে ১২৬৩হি:/১৮৪৬ খৃষ্টাব্দে দিল্লী গমন করেন। অত:পর সেখানকার বিচারপতি কাজী বশীর কান্নুজীর নিকটে গিয়ে আরবী ভাষা শেখেন।

অত:পর সেখানকার মানতিক, দর্শন, জ্যোতির্বিদ্যা, গণিত ইত্যাদি বহু বিষয়ে পারদর্শী শাইখ সদরুদ্দীন খান দেহলবীর নিকটে বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষার্জন করেন। তার নিকটে তিনি চার খণ্ড সহীহ বুখারীও পড়েন। তিনি তাকে ‘ইজাযা' (লিসান্স) প্রদান করেন। প্রায় দু বছর তিনি তার সাহচর্যে থাকেন।

তিনি নাযির হুসাইন দেহলবীর নিকট থেকেও সামান্য কিছু জ্ঞানার্জন করেছেন।

তারপর দিল্লীতে বেশ কতিপয় জ্ঞানী-গুণী, শিল্প-সাহিত্যিক ও আলেম-উলামার সাথে সাক্ষাত করেন। তাদের মধ্যে অন্যতম হল, সর্ব শেষ মোগল সম্রাট মুহাম্মদ সিরাজুদ্দীন বাহাদুর জাহ।

দিল্লীতে থাকা অবস্থায় তিনি কিছু বইয়ের অনুলিপি তৈরি করেন। আরবী ভাষায় 'মীযান' কিতাবের ব্যাখ্যা লেখেন এবং সেখানকার কিছু ছাত্রকে পড়ান।