১
ওমর ইবনে আবদুল আজীজ
লেখকঃ রশীদ আখতার নদভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
জনসেবা
কায়রোর জামে মসজিদ আজও আবদুল আজীজের স্মৃতি বহন করছে। তিনি পূর্বের মসজিদ ভেঙ্গে দিয়ে এমন এক বিরাট ও সুন্দর মসজিদ নির্মাণ করলেন যে, সে সময় এরূপ মজিদ দুনিয়ার আর কোথায়ও ছিল না।
দেশের বিশিষ্ট আলেম-ওলামাগণ তাঁর খুবই প্রিয়পাত্র ছিলেন। ছোড়-বড় সকল কাজেই তিনি আলেমদের পরামর্শ গ্রহণ করতেন। আবুল কায়ের
আবুল খায়ের মুরছেদ এবং আবদুর রহমান ইবনে মাজরাহ ছিলেন সে সময়কার বিশিষ্ট আলেম। তিনি তাঁদের উভয়কেই তাঁর প্রধান উপদেষ্টার পদে নিয়োগ দান করেছিলেন।
আবদুল আজীজের দানশীলতার কথা কল্প-কানিহীর মত সর্বত্রই আলোজতি হতো। তাঁর বাবুর্চিখানায় প্রতি দুপুর ও সন্ধ্যায় দু’হাজার লোকের খানা রান্না করা হতো। যখন খাওয়ার জন্য দস্তরখানা বিছানো হত, তখন দেখা যেতো যে, মিশরের বিশিষ্ট আলেম-উলামাহস সর্বপ্রকার জ্ঞানী-গুণী লোকেরাই সেখানে খানায় শামিল হয়েছেন।
আবদুল আজীজ প্রতি বছর শীত ও গ্রীষ্মের শুরুতে হাজার হাজার দরিদ্র ও অভাবী-অনাথ লোককে শীত ও গ্রীষ্মের বস্ত্র বিতরণ করতেন। বিধবা, ইয়াতীম ও নিঃস্ব লোকের ভাতার ব্যবস্থা করে অভাবী লোকদের দুঃখ দূর করতেন।
দেশের বিশিষ্ট আলেম-ওলামাগণ তাঁর খুবই প্রিয়পাত্র ছিলেন। ছোড়-বড় সকল কাজেই তিনি আলেমদের পরামর্শ গ্রহণ করতেন। আবুল কায়ের
আবুল খায়ের মুরছেদ এবং আবদুর রহমান ইবনে মাজরাহ ছিলেন সে সময়কার বিশিষ্ট আলেম। তিনি তাঁদের উভয়কেই তাঁর প্রধান উপদেষ্টার পদে নিয়োগ দান করেছিলেন।
আবদুল আজীজের দানশীলতার কথা কল্প-কানিহীর মত সর্বত্রই আলোজতি হতো। তাঁর বাবুর্চিখানায় প্রতি দুপুর ও সন্ধ্যায় দু’হাজার লোকের খানা রান্না করা হতো। যখন খাওয়ার জন্য দস্তরখানা বিছানো হত, তখন দেখা যেতো যে, মিশরের বিশিষ্ট আলেম-উলামাহস সর্বপ্রকার জ্ঞানী-গুণী লোকেরাই সেখানে খানায় শামিল হয়েছেন।
আবদুল আজীজ প্রতি বছর শীত ও গ্রীষ্মের শুরুতে হাজার হাজার দরিদ্র ও অভাবী-অনাথ লোককে শীত ও গ্রীষ্মের বস্ত্র বিতরণ করতেন। বিধবা, ইয়াতীম ও নিঃস্ব লোকের ভাতার ব্যবস্থা করে অভাবী লোকদের দুঃখ দূর করতেন।