১
ওমর ইবনে আবদুল আজীজ
লেখকঃ রশীদ আখতার নদভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৩
কবিদের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ
যদিও কাব্য সাহিত্য শিক্ষার একটি অবিচ্ছিন্ন অঙ্গ। কিন্তু কবিগণ গঠনমূলক দৃষ্টিভঙ্গি ও উন্নত চরিত্রের অধিকারী হলেই তা জনসাধারনের শিক্ষা ও সংস্কারের জন্য উপযোগী হয়। দুর্ভাগ্যবশত তত্কালীন কবিরা ইসলামী চরিত্র হতে বহুদূরে সরে গিয়েছিল। তারা বংশগত বিদ্বেষ এবং গোষ্ঠী গৌরবের পতাকা বহন করে সমাজদেহে বিভিন্ন প্রকার দুষ্টক্ষতের সৃষ্টি করেছিল। তা ছাড়া হযরত ওমর ইবনে আব্দুল আজিজের পূর্ববর্তী খলীফাগণ এ জাতীয় কবিদের পৃষ্ঠপোষকতা করতেন এবং তাদের দ্বারা বংশ বিদ্বেষ প্রসারে সাহায্য গ্রহন করতেন। এমনকি এ ব্যাপারে বড় বড় পুরস্কার দিয়ে তাদেরকে উত্সাহিত করতেন। বিশেষত: সে যুগে তিনজন কবি ফারাযদাক, আখতাল ও জারীর এ ব্যাপারে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
হযরত ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ যেখানে আলেম সমাজের পূর্ণ পৃষ্ঠপোষকতা দান করেছেন, যেক্ষেত্রে তিনি জ্ঞান বিজ্ঞান বিজাতীয় ভাষায় অনুবাদ করতে বিপুল অর্থ ব্যয় করেছেন সে ক্ষেত্রে তিনি মাত্র একশত দেরহাম ব্যতীত বিশিষ্ট কবিদের জন্য কিছুই দেননি। ফলে কবিরা ও তাদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছিল।
হযরত ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ যেখানে আলেম সমাজের পূর্ণ পৃষ্ঠপোষকতা দান করেছেন, যেক্ষেত্রে তিনি জ্ঞান বিজ্ঞান বিজাতীয় ভাষায় অনুবাদ করতে বিপুল অর্থ ব্যয় করেছেন সে ক্ষেত্রে তিনি মাত্র একশত দেরহাম ব্যতীত বিশিষ্ট কবিদের জন্য কিছুই দেননি। ফলে কবিরা ও তাদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছিল।