১
অন্তরের আমল ইখলাস
লেখকঃ মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫
নফসকে ইখলাসের গুণে গুণান্বিত বলে দাবি করতেন না:
মানুষের জীবনে ইখলাস অর্জন করা একটি কঠিন কাজ। একজন মুসলিম ইখলাস অর্জন করতে হলে, তাকে অবশ্যই প্রকৃত জিহাদ করতে হবে। এ কথা জেনেই সালফে সালেহীনরা তাদের নিজেদের মুখলিস দাবি করা হতে বিরত থাকেন। তারা নিজেরা মুখলিস এ কথা কখনো প্রমাণ করতে চাননি।
হিশাম আত-দোস্তওয়াঈ রহ. বলেন, আমি কখনো এ কথা বলতে পারি না যে, আমি কোন দিন কেবল আল্লাহ তা‘আলার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে হাদিসের সন্ধান করতে বের হয়েছি। [তারিখে ইসলাম: ১৭৫/৩, সীয়ারু আলামুন নুবালা১৫২/৭।]
তোমরা কি জান হিশাম আত-দোস্তওয়াঈ কে, যিনি হাদিসের অনুসন্ধানে স্বীয় আত্মাকে দোষারোপ করছে?! তার সম্পর্কে শুবা ইবনুল হুজ্জাজ রহ. বলেন, একমাত্র হিশাম আত-দোস্তওয়াঈ ছাড়া আর কাউকে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে হাদিস তালাশ করতে আমি দেখিনি।
তার সম্পর্কে শাজ ইবনুল ফাইয়ায রহ. বলেন, হেশাম এত বেশি কাঁদত যে, তার চক্ষুদ্বয় নষ্ট হয়ে যায়।
হিশাম রহ. তার নিজের সম্পর্কে বলেন, যখন আমি বাতি-আলো হারাই ফেলতাম, তখন কবরের অন্ধকারের কথা চিন্তা করতাম।
তিনি আরও বলেন, আমি আলেম সম্পর্কে অবাক হই, সে কীভাবে হাসে। [তারিখুল ইসলাম: ১৭৬/৩।]
আর সুফিয়ান রহ. বলেন, আমি আমার উপর নিয়তের চেয়ে কঠিন কিছুর সম্মুখীন হই নাই। কারণ, তা আমার উপর বার বার পরিবর্তন হয়। [আল-ইখলাস ওয়ান-নিয়্যাহ: ৬৫।]
আর ইউসুফ ইবনুল হুসাইন রহ. বলেন, দুনিয়াতে সর্বাধিক প্রিয় বস্তু হল, ইখলাস। আমি আমার অন্তর থেকে রিয়াকে দূর করার জন্য কতনা পরিশ্রম করে থাকি। কিন্তু তা যেন ভিন্ন ভিন্ন রূপে প্রকাশ পায়। [মাদারেজুস সালেকীন: ২০৭/২, শুয়াবুল ইমান: ৭১৬৭,৭১৬৮।] মুতার-রাফ বিন আব্দুল্লাহ রহ. এর দু’আ হল,
اللهم إني أستغفرك مما تبتُ إليك منه ثم عدتُ فيه، وأستغفرك مما جعلته لك على نفسي ثم لم أوفِ لك به، وأستغفرك مما زعمتُ أنني أردتُ به وجهك فخالط قلبي فيه ما قد علمتَ
অর্থ, হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি, যে গুনাহ হতে তোমার নিকট তাওবা করার পর, তা পুনরায় আবার করেছিলাম। আর আমি ক্ষমা প্রার্থনা করছি, তুমি আমার উপর যে দায়িত্ব দিয়েছিলে, কিন্তু আমি তা পূরণ করিনি। আর আমি ক্ষমা প্রার্থনা করছি ঐ সব কাজ হতে, যে সব কাজে আমি আমার ধারণা মতে তোমার সন্তুষ্টি কামনা করেছিলাম, কিন্তু তোমার জানা মতে আমার অন্তর অন্য কিছুকে তোমার সাথে শরিক করেছে। তারা ছিলেন, অনুকরণ যোগ্য ইমাম। তা সত্ত্বেও তারা তাদের নিজেদের প্রবৃত্তিকে দোষারোপ করার ব্যাপারে সব মানুষের তুলনায় অধিক কঠোর ছিলেন।
হিশাম আত-দোস্তওয়াঈ রহ. বলেন, আমি কখনো এ কথা বলতে পারি না যে, আমি কোন দিন কেবল আল্লাহ তা‘আলার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে হাদিসের সন্ধান করতে বের হয়েছি। [তারিখে ইসলাম: ১৭৫/৩, সীয়ারু আলামুন নুবালা১৫২/৭।]
তোমরা কি জান হিশাম আত-দোস্তওয়াঈ কে, যিনি হাদিসের অনুসন্ধানে স্বীয় আত্মাকে দোষারোপ করছে?! তার সম্পর্কে শুবা ইবনুল হুজ্জাজ রহ. বলেন, একমাত্র হিশাম আত-দোস্তওয়াঈ ছাড়া আর কাউকে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে হাদিস তালাশ করতে আমি দেখিনি।
তার সম্পর্কে শাজ ইবনুল ফাইয়ায রহ. বলেন, হেশাম এত বেশি কাঁদত যে, তার চক্ষুদ্বয় নষ্ট হয়ে যায়।
হিশাম রহ. তার নিজের সম্পর্কে বলেন, যখন আমি বাতি-আলো হারাই ফেলতাম, তখন কবরের অন্ধকারের কথা চিন্তা করতাম।
তিনি আরও বলেন, আমি আলেম সম্পর্কে অবাক হই, সে কীভাবে হাসে। [তারিখুল ইসলাম: ১৭৬/৩।]
আর সুফিয়ান রহ. বলেন, আমি আমার উপর নিয়তের চেয়ে কঠিন কিছুর সম্মুখীন হই নাই। কারণ, তা আমার উপর বার বার পরিবর্তন হয়। [আল-ইখলাস ওয়ান-নিয়্যাহ: ৬৫।]
আর ইউসুফ ইবনুল হুসাইন রহ. বলেন, দুনিয়াতে সর্বাধিক প্রিয় বস্তু হল, ইখলাস। আমি আমার অন্তর থেকে রিয়াকে দূর করার জন্য কতনা পরিশ্রম করে থাকি। কিন্তু তা যেন ভিন্ন ভিন্ন রূপে প্রকাশ পায়। [মাদারেজুস সালেকীন: ২০৭/২, শুয়াবুল ইমান: ৭১৬৭,৭১৬৮।] মুতার-রাফ বিন আব্দুল্লাহ রহ. এর দু’আ হল,
اللهم إني أستغفرك مما تبتُ إليك منه ثم عدتُ فيه، وأستغفرك مما جعلته لك على نفسي ثم لم أوفِ لك به، وأستغفرك مما زعمتُ أنني أردتُ به وجهك فخالط قلبي فيه ما قد علمتَ
অর্থ, হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি, যে গুনাহ হতে তোমার নিকট তাওবা করার পর, তা পুনরায় আবার করেছিলাম। আর আমি ক্ষমা প্রার্থনা করছি, তুমি আমার উপর যে দায়িত্ব দিয়েছিলে, কিন্তু আমি তা পূরণ করিনি। আর আমি ক্ষমা প্রার্থনা করছি ঐ সব কাজ হতে, যে সব কাজে আমি আমার ধারণা মতে তোমার সন্তুষ্টি কামনা করেছিলাম, কিন্তু তোমার জানা মতে আমার অন্তর অন্য কিছুকে তোমার সাথে শরিক করেছে। তারা ছিলেন, অনুকরণ যোগ্য ইমাম। তা সত্ত্বেও তারা তাদের নিজেদের প্রবৃত্তিকে দোষারোপ করার ব্যাপারে সব মানুষের তুলনায় অধিক কঠোর ছিলেন।