১
সঠিক ইসলামী মতবাদ [আর-রিসালাতুশ শামিয়্যাহ]
লেখকঃ আব্দুল আযীয ইবন মারযূক আত-ত্বারীফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮
পঞ্চদশ অধ্যায়: আহলে কিবলা তথা কিবলাকে মেনে চলে এমন কাউকে কুফুরী ব্যতীত অন্য গোনাহের কারণে আমরা কাফির বলব না
আহলে কিবলা তথা কিবলাকে মেনে চলে এমন কাউকে কুফুরী ব্যতীত অন্য গোনাহের কারণে আমরা কাফির বলব না।
কুফুরীর অন্তর্ভুক্ত বিষয়াদির মধ্যে রয়েছে, আল্লাহকে গালি দেওয়া।
আর আল্লাহকে গালি দেওয়া তাঁর সাথে শির্ক করার চাইতেও মারাত্মক। কারণ, মুশরিকরা আল্লাহকে পাথরের স্থানে নামিয়ে আনে নি, বরং পাথরকে আল্লাহর স্থানে উঠিয়েছে:
﴿تَٱللَّهِ إِن كُنَّا لَفِي ضَلَٰلٖ مُّبِينٍ ٩٧ إِذۡ نُسَوِّيكُم بِرَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ ٩٨﴾ [ الشعراء : ٩٧، ٩٨ ]
“আল্লাহর শপথ! আমরা তো স্পষ্ট পথভ্রষ্টতায় নিমজ্জিত ছিলাম, যখন আমরা তোমাদেরকে সৃষ্টিকুলের রব-এর সমকক্ষ গণ্য করতাম।” [সূরা আশ-শু‘আরা: ৯৭-৯৮] আর যে আল্লাহকে গালি দেয়, সে আল্লাহকে পাথরের চেয়েও নিম্নস্তরে নামিয়ে ফেলে !
আর আল্লাহকে গালি দেওয়া বড় কুফুরী। আর ঈমানের মতই কুফুরী বাড়ে ও কমে। মহান আল্লাহ বলেন,
﴿إِنَّمَا ٱلنَّسِيٓءُ زِيَادَةٞ فِي ٱلۡكُفۡرِۖ ﴾ [ التوبة : ٣٧ ]
“কোনো মাসকে পিছিয়ে দেওয়া তো শুধু কুফুরীতে বৃদ্ধি সাধন করা।” [সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত: ৩৭]
তিনি আরও বলেন,
﴿إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ بَعۡدَ إِيمَٰنِهِمۡ ثُمَّ ٱزۡدَادُواْ كُفۡرٗا لَّن تُقۡبَلَ تَوۡبَتُهُمۡ وَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلضَّآلُّونَ ٩٠ ﴾ [ ال عمران : ٩٠ ]
“নিশ্চয় যারা ঈমান আনার পর কুফুরী করেছে তারপর তারা কুফুরীতে বেড়ে গিয়েছে তাদের তওবা কখনো কবুল করা হবে না। আর তারাই পথভ্রষ্ট।” [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৯০]
কিন্তু কুফুরীর বাড়তি ও কমতি তাকে জাহান্নামের আগুন থেকে বের করবে না, বরং তার শাস্তি কঠোর করা হবে অথবা হাল্কা করা হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ وَصَدُّواْ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ زِدۡنَٰهُمۡ عَذَابٗا فَوۡقَ ٱلۡعَذَابِ بِمَا كَانُواْ يُفۡسِدُونَ ٨٨ ﴾ [ النحل : ٨٨ ]
“যারা কুফুরী করেছে এবং আল্লাহর পথ থেকে বাধা দিয়েছে, আমরা তাদের শাস্তির ওপর শাস্তি বৃদ্ধি করব; কারণ তারা অশান্তি সৃষ্টি করত।” [সূরা আন-নাহল, আয়াত: ৮৮]
আর আমরা নির্দিষ্ট কোনো লোকের ব্যাপারে জান্নাত বা জাহান্নামের সাক্ষ্য প্রদান করব না, যতক্ষণ না এ সাক্ষ্য আল্লাহ ও তাঁর রাসূল থেকে আসবে। তবে আমরা সাক্ষ্য দেই যে, যারা মুমিন অবস্থায় মারা যাবে তারা জান্নাতের অধিবাসী হবে, আর যারা কাফির অবস্থায় মারা যাবে তারা জাহান্নামের অধিবাসী হবে।
কুফুরীর অন্তর্ভুক্ত বিষয়াদির মধ্যে রয়েছে, আল্লাহকে গালি দেওয়া।
আর আল্লাহকে গালি দেওয়া তাঁর সাথে শির্ক করার চাইতেও মারাত্মক। কারণ, মুশরিকরা আল্লাহকে পাথরের স্থানে নামিয়ে আনে নি, বরং পাথরকে আল্লাহর স্থানে উঠিয়েছে:
﴿تَٱللَّهِ إِن كُنَّا لَفِي ضَلَٰلٖ مُّبِينٍ ٩٧ إِذۡ نُسَوِّيكُم بِرَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ ٩٨﴾ [ الشعراء : ٩٧، ٩٨ ]
“আল্লাহর শপথ! আমরা তো স্পষ্ট পথভ্রষ্টতায় নিমজ্জিত ছিলাম, যখন আমরা তোমাদেরকে সৃষ্টিকুলের রব-এর সমকক্ষ গণ্য করতাম।” [সূরা আশ-শু‘আরা: ৯৭-৯৮] আর যে আল্লাহকে গালি দেয়, সে আল্লাহকে পাথরের চেয়েও নিম্নস্তরে নামিয়ে ফেলে !
আর আল্লাহকে গালি দেওয়া বড় কুফুরী। আর ঈমানের মতই কুফুরী বাড়ে ও কমে। মহান আল্লাহ বলেন,
﴿إِنَّمَا ٱلنَّسِيٓءُ زِيَادَةٞ فِي ٱلۡكُفۡرِۖ ﴾ [ التوبة : ٣٧ ]
“কোনো মাসকে পিছিয়ে দেওয়া তো শুধু কুফুরীতে বৃদ্ধি সাধন করা।” [সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত: ৩৭]
তিনি আরও বলেন,
﴿إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ بَعۡدَ إِيمَٰنِهِمۡ ثُمَّ ٱزۡدَادُواْ كُفۡرٗا لَّن تُقۡبَلَ تَوۡبَتُهُمۡ وَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلضَّآلُّونَ ٩٠ ﴾ [ ال عمران : ٩٠ ]
“নিশ্চয় যারা ঈমান আনার পর কুফুরী করেছে তারপর তারা কুফুরীতে বেড়ে গিয়েছে তাদের তওবা কখনো কবুল করা হবে না। আর তারাই পথভ্রষ্ট।” [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৯০]
কিন্তু কুফুরীর বাড়তি ও কমতি তাকে জাহান্নামের আগুন থেকে বের করবে না, বরং তার শাস্তি কঠোর করা হবে অথবা হাল্কা করা হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ وَصَدُّواْ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ زِدۡنَٰهُمۡ عَذَابٗا فَوۡقَ ٱلۡعَذَابِ بِمَا كَانُواْ يُفۡسِدُونَ ٨٨ ﴾ [ النحل : ٨٨ ]
“যারা কুফুরী করেছে এবং আল্লাহর পথ থেকে বাধা দিয়েছে, আমরা তাদের শাস্তির ওপর শাস্তি বৃদ্ধি করব; কারণ তারা অশান্তি সৃষ্টি করত।” [সূরা আন-নাহল, আয়াত: ৮৮]
আর আমরা নির্দিষ্ট কোনো লোকের ব্যাপারে জান্নাত বা জাহান্নামের সাক্ষ্য প্রদান করব না, যতক্ষণ না এ সাক্ষ্য আল্লাহ ও তাঁর রাসূল থেকে আসবে। তবে আমরা সাক্ষ্য দেই যে, যারা মুমিন অবস্থায় মারা যাবে তারা জান্নাতের অধিবাসী হবে, আর যারা কাফির অবস্থায় মারা যাবে তারা জাহান্নামের অধিবাসী হবে।