hadith book logo

মুজাহাদা মুমিন জীবনের দিশারী

লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৬

হাদীস থেকে শিক্ষা ও মাসায়েলঃ

১- শক্তিশালী মুমিন আল্লাহ তাআলার কাছে বেশি প্রিয়। তাই এ হাদীসাটি প্রতিটি মুমিনকেই শক্তিশালী হতে আহবান জানায়।

২- মুমিন ব্যক্তি দুর্বল হলেও তার মধ্যে কল্যাণ আছে।

৩- যা কিছু উপকারী, তা অর্জন করতে উৎসাহ দেয়া হয়েছে। তাই যা কিছু উপকারী নয়, যা অনর্থক, তা বর্জন করতে হবে।

৪- উপকারী বিষয় অর্জন করতে আল্লাহ তাআলার কাছে শক্তি-সামর্থ্য ও সাহায্য চাইতে হবে।

৫- উপকারী বিষয়গুলো অর্জন করতে গিয়ে নিজেকে কখনো অক্ষম মনে করা যাবে না। সর্বক্ষেত্রে ‘আমি পারবই’ এমন প্রত্যাশা ধারণ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে এ হাদীসে। এমনিভাবে একজন মুমিন কোনো কাজে কখনো নিজেকে অক্ষম ভাবতে পারবে না।

৬- উপরের এ শিক্ষাগুলো মেনে নিয়ে যখন মুমিন ব্যক্তি কোনো কাজ করে এবং তাতে ব্যর্থ হয় বা বিপদে পড়ে যায় অথবা পরিণতি প্রত্যাশার বিপরীত হয় তখন বলা যাবে না যে, আমি এটা না করলে ভাল হত। অথবা ওরকম না করলেই এ বিপদ এড়াতে পারতাম। কারণ এ ধরনের কথা তাকদীরের প্রতি বিশ্বাসের পরিপন্থী। তাই ‘যদি এ রকম করতাম তাহলে এমন হত’ জাতীয় কথাগুলো শয়তানের প্ররোচণা ব্যতীত আর কিছুই নয়।

৭- যে কোনো বিপদ-মুসিবত আসে তা তাকদীরে আগেই লেখা ছিল বলে বিশ্বাস করতে হবে। আল্লাহ রাববুল আলামীন বলেন :

(আরবি)

‘জমীনে এবং তোমাদের নিজদের মধ্যে এমন কোনো মুসিবত আপতিত হয় না, যা আমি সংঘটিত করার পূর্বে কিতাবে লিপিবদ্ধ রাখি না। নিশ্চয় এটা আল্লাহর পক্ষে খুবই সহজ। যাতে তোমরা আফসোস না কর তার উপর, যা তোমাদের থেকে হারিয়ে গেছে এবং তোমরা উৎফুল্ল না হও তিনি তোমাদেরকে যা দিয়েছেন তার কারণে। আর আল্লাহ কোনো উদ্ধত ও অহঙ্কারীকে পছন্দ করেন না।’ (সূরা হাদীদ : ২২-২৩)