১
মুজাহাদা মুমিন জীবনের দিশারী
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৯
হাদীস -৮.
8 - عن أبي عبد اللَّه حُذَيْفةَ بن اليمانِ، رضي اللهُ عنهما، قال : صَلَّيْتُ مع النَّبِيِّ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وسَلَّم ذَاتَ ليْلَةٍ، فَافَتَتَحَ الْبقرة، فقُلْت يرْكَعُ عِندَ المائة، ثُمَّ مضى، فَقُلْت يُصلِّي بِهَا في رَكْعةٍ، فَمَضَى . فَقُلْت يَرْكَع بهَا، ثمَّ افْتتَح النِّسَاءَ، فَقَرأَهَا، ثمَّ افْتتح آلَ عِمْرانَ فَقَرَأَهَا، يَقْرُأُ مُتَرَسِّلاً إذَا مرَّ بِآيَةٍ فِيها تَسْبِيحٌ سَبَّحَ، وإِذَا مَرَّ بِسْؤالٍ سَأل، وإذَا مَرَّ بِتَعَوذٍ تَعَوَّذَ، ثم ركع فَجعل يقُول : «سُبحانَ رَبِّيَ الْعظِيمِ» فَكَانَ ركُوعُه نحْوا مِنْ قِيامِهِ ثُمَّ قَالَ : «سمِع اللهُ لِمن حمِدَه، ربَّنا لك الْحمدُ» ثُم قَام قِياماً طوِيلاً قَريباً مِمَّا ركَع، ثُمَّ سَجَدَ فَقالَ : «سبحان رَبِّيَ الأعلَى» فَكَانَ سُجُوده قَرِيباً مِنْ قِيامِهِ» . رواه مسلم
হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে এক রাতে নামাজ পড়লাম। তিনি সূরা বাকারা পাঠ করা শুরু করলেন। আমি ভাবলাম একশ আয়াত পাঠ করে তিনি রুকু করবেন। কিন্তু তিনি পাঠ করতেই থাকলেন। ভাবলাম, হয়তো এক রাকাআতেই এ সূরা শেষ করবেন। কিন্তু তিনি পাঠ চালিয়ে গেলেন। মনে করলাম তিনি রুকু করবেন। কিন্তু তিনি সূরা আন নিসা শুরু করে দিলেন। পাঠ করলেন। এরপর সূরা আলে ইমরান আরম্ভ করলেন। তিনি ধীরস্থিরভাবে পাঠ করছিলেন। যখন এমন কোনো আয়াত পড়তেন যাতে আল্লাহর তাসবিহ রয়েছে, তিনি সেখানে তাসবিহ পড়তেন। আর যেখানে কোনো কিছু চাওয়ার আয়াত আসত, তিনি সেখানে প্রার্থনা করতেন। আবার যেখানে আশ্রয় প্রার্থনার আয়াত আসত সেখানে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। এরপর তিনি রুকুতে গিয়ে বলতে লাগলেন, সুবহানা রাবিবয়াল আজীম। তার রুকুও দাঁড়ানো অবস্থার মত দীর্ঘ ছিল। এরপর সামিআল্লাহু লিমান হামিদা বললেন। এরপর প্রায় রুকুর মত দীর্ঘক্ষণ দাড়িয়ে থাকলেন। তারপর সেজদায় গিয়ে বললেন, সুবহানা রাবিবয়াল আলা। তার সেজদাও দাঁড়ানোর মত দীর্ঘ ছিল।
(বর্ণনায়: সহিহ মুসলিম)
হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে এক রাতে নামাজ পড়লাম। তিনি সূরা বাকারা পাঠ করা শুরু করলেন। আমি ভাবলাম একশ আয়াত পাঠ করে তিনি রুকু করবেন। কিন্তু তিনি পাঠ করতেই থাকলেন। ভাবলাম, হয়তো এক রাকাআতেই এ সূরা শেষ করবেন। কিন্তু তিনি পাঠ চালিয়ে গেলেন। মনে করলাম তিনি রুকু করবেন। কিন্তু তিনি সূরা আন নিসা শুরু করে দিলেন। পাঠ করলেন। এরপর সূরা আলে ইমরান আরম্ভ করলেন। তিনি ধীরস্থিরভাবে পাঠ করছিলেন। যখন এমন কোনো আয়াত পড়তেন যাতে আল্লাহর তাসবিহ রয়েছে, তিনি সেখানে তাসবিহ পড়তেন। আর যেখানে কোনো কিছু চাওয়ার আয়াত আসত, তিনি সেখানে প্রার্থনা করতেন। আবার যেখানে আশ্রয় প্রার্থনার আয়াত আসত সেখানে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। এরপর তিনি রুকুতে গিয়ে বলতে লাগলেন, সুবহানা রাবিবয়াল আজীম। তার রুকুও দাঁড়ানো অবস্থার মত দীর্ঘ ছিল। এরপর সামিআল্লাহু লিমান হামিদা বললেন। এরপর প্রায় রুকুর মত দীর্ঘক্ষণ দাড়িয়ে থাকলেন। তারপর সেজদায় গিয়ে বললেন, সুবহানা রাবিবয়াল আলা। তার সেজদাও দাঁড়ানোর মত দীর্ঘ ছিল।
(বর্ণনায়: সহিহ মুসলিম)