hadith book logo

মুজাহাদা মুমিন জীবনের দিশারী

লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৩৬

হাদীস থেকে শিক্ষা ও মাসায়েলঃ

১- সদকা প্রদানের জন্য সাহাবায়ে কেরাম কষ্ট করেছেন, করেছেন মুজাহাদা।

২- যে প্রচুর পরিমাণে সদকা করল, তারও সমালোচনা করা হল আর যে কম সদকা করল তারও সমালোচনা করা হল। এটা হল মুনাফিক চরিত্র। তারা সর্বদা মুমিনের দোষ খুঁজে বেড়ায়।

৩- মানুষ কি বলবে, অনেকে সেদিকে খুব গুরুত্ব দেয়। যারা মানুষের কথা থেকে বাঁচার জন্য কিছু করতে বা বর্জন করতে চায়, তারা আসলে কখনো মানুষের কথা থেকে বাঁচতে পারে না।

৪- দীন-ধর্মের যে কোনো কাজ কেউ করলে তার সমালোচনা বা অবজ্ঞা কিংবা অবমূল্যায়ন করা ঠিক নয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :

لا تحقرن من المعروف شيئًا

‘ তোমরা ভাল কাজের কোনো কিছুকেই ছোট মনে করবে না।’

৫-সৎ কাজের অবজ্ঞা করা মুমিনের গুণাবলীর মধ্যে গণ্য হয় না। এটা মুনাফিকের স্বভাব।

৬- প্রত্যেকে তার নিজ সামর্থানুযায়ী ব্যয় করবে। অসচ্ছল ব্যক্তি তার সামর্থ্য অনুপাতে ব্যয় করবে আর সচ্ছল ব্যক্তি তার সাধ্যানুযায়ী ব্যয় করবে। কত দিতে পারল, সেটা বড় কথা নয়। আসল কথা হল, দিতে পেরেছে কি না।

৭- কেউ কেউ প্রচুর সদকা দেয়। আবার কেউ দরিদ্র, বেশি সদকা দিতে পারে না। আবার কেউ আছে কোনো কিছুই দেয়ার সামর্থ্য রাখে না। তারা নিজ সময় ও শ্রম দিতে পারে। এরা সকলেই আল্লাহর কাছে প্রিয়। আয়াতে সেটাই বলা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা সঠিক নিয়ত ও মনের অবস্থা দেখেন।

৮- নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগের এক সা হল কর্তমানে দুই কেজি চল্লিশ গ্রাম।

৯- কেউ দীন-ইসলামের জন্য কোনো কাজ করলে - তা যত ছোটই হোক- তা নিয়ে উপহাস বা বিদ্রুপ করা অন্যায়। যারা এ রকম করবে তাদের জন্য আল্লাহ তাআলা উল্লেখিত আয়াতে শাস্তির কথা শুনিয়েছেন।