১
শিয়া ও মসজিদে আকসা
লেখকঃ তারেক আহমদ হিজাযী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
কুদসের পূর্বে কারবালা স্বাধীন কর!
শিয়া মতবাদ প্রচারকারী “আল-মিম্বার” [“আল-মিম্বার” পত্রিকা “খুদ্দামুল মাহদি” সংস্থা থেকে মাসিক প্রকাশিত হয়, কুয়েতে যার প্রধান ইয়াসির হাবিব। পত্রিকার প্রধান সম্পাদক ইউসূফ আব্দুল হাদি। এ পত্রিকা ডিসেম্বর ১৯৯৯ইং থেকে কুয়েত সরকারের ২০০৪ইং সনে “খুদ্দামুল মাহিদ” সংস্থা নিষিদ্ধ করা ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের গালি দেয়ার অপরাধে ইয়াসির হাবিবকে জেলে দেয়ার আগ পর্যন্ত নিয়মিত প্রকাশিত হত। তাদের ওয়েব সাইটের ঠিকানা: www.14masom.com/menber] পত্রিকায় “কুদসের পূর্বে.. কারবালা স্বাধীন কর” শিরোনামে একটি সম্পাদকীয় ছাপা হয়েছিল:
“নিশ্চয় কারবালা পৃথিবীর –যেখানে মক্কা ও মদিনা বিদ্যমান- সবচেয়ে পবিত্র ও মর্যাদাপূর্ণ ভূমি, নিষ্পাপ ইমামদের স্পষ্ট বাণী তাই প্রমাণ করে। কারবালা এ মর্যাদা লাভ করেছে ইমাম আবু আব্দুল্লাহ হুসাইন আলাইহিস সালামের মরদেহ ধারণ করে। কারণ তিনি আল্লাহর পক্ষ গ্রহণকারী ও তার রাসূলের অংশ। তার পবিত্র রক্ত কারবালার বালু-কণার সাথে মিশেছে, তাই সে এ মহান ফজিলত অর্জন করেছে, যার ঊর্ধ্বে কোন ফজিলত নেই। কারবালা এখন মুক্ত লোকের কাবা, অন্তরের ঠিকানা, ওলীদের দলিল ও প্রত্যেক অভাবীর তীর্থ ভূমি।
লিখক আরো বলেন: “কুদসের যত মর্যাদা ও পবিত্রতাই থাক, তা কখনো কারবালার সমপরিমাণ নয়। কুদস কারবালার মত নয়, যেমন পাথর হুসাইন ও মসজিদে হারামের মত নয়... কুদস স্বাধীন করার পূর্বে আমাদের কর্তব্য কারবালা স্বাধীন করা”। [আমেরিকার হাতে ইরাকের পতন ঘটার পূর্বে ইরাক বার্থ পার্টির অধীনে ছিল।] সেখান থেকে আমরা ফিলিস্তিনের দিকে রওয়ানা করব, সেখান থেকে দুনিয়ার সর্বত্র নূর ও হিদায়েতের মশাল নিয়ে ছড়িয়ে পড়ব। আমরা ইতিপূর্বে বলেছি কুদস কখনো এ উম্মতের হাতে আসবে না, যতক্ষণ না তারা মুহাম্মদ ও আলি আলাইহিমুস সালামের দিকে ফিরে আসবে”!
তিনি আরো বলেন: “তোমরা মুহাম্মদ ও আলির দিকে ফিরে যাও... কুদস তোমাদের হাতে আসবে... প্রথমে বরং সবার পূর্বে কারবালাকে মুক্ত কর, অতঃপর কুদস ও অন্যান্য বিষয়ে চিন্তা কর”! [“আল-মিম্বারিয়াহ” পত্রিকা, সংখ্যা: ২৩, মুহাররম ১৪২৩হি. মার্চ ২০০২ইং]
“নিশ্চয় কারবালা পৃথিবীর –যেখানে মক্কা ও মদিনা বিদ্যমান- সবচেয়ে পবিত্র ও মর্যাদাপূর্ণ ভূমি, নিষ্পাপ ইমামদের স্পষ্ট বাণী তাই প্রমাণ করে। কারবালা এ মর্যাদা লাভ করেছে ইমাম আবু আব্দুল্লাহ হুসাইন আলাইহিস সালামের মরদেহ ধারণ করে। কারণ তিনি আল্লাহর পক্ষ গ্রহণকারী ও তার রাসূলের অংশ। তার পবিত্র রক্ত কারবালার বালু-কণার সাথে মিশেছে, তাই সে এ মহান ফজিলত অর্জন করেছে, যার ঊর্ধ্বে কোন ফজিলত নেই। কারবালা এখন মুক্ত লোকের কাবা, অন্তরের ঠিকানা, ওলীদের দলিল ও প্রত্যেক অভাবীর তীর্থ ভূমি।
লিখক আরো বলেন: “কুদসের যত মর্যাদা ও পবিত্রতাই থাক, তা কখনো কারবালার সমপরিমাণ নয়। কুদস কারবালার মত নয়, যেমন পাথর হুসাইন ও মসজিদে হারামের মত নয়... কুদস স্বাধীন করার পূর্বে আমাদের কর্তব্য কারবালা স্বাধীন করা”। [আমেরিকার হাতে ইরাকের পতন ঘটার পূর্বে ইরাক বার্থ পার্টির অধীনে ছিল।] সেখান থেকে আমরা ফিলিস্তিনের দিকে রওয়ানা করব, সেখান থেকে দুনিয়ার সর্বত্র নূর ও হিদায়েতের মশাল নিয়ে ছড়িয়ে পড়ব। আমরা ইতিপূর্বে বলেছি কুদস কখনো এ উম্মতের হাতে আসবে না, যতক্ষণ না তারা মুহাম্মদ ও আলি আলাইহিমুস সালামের দিকে ফিরে আসবে”!
তিনি আরো বলেন: “তোমরা মুহাম্মদ ও আলির দিকে ফিরে যাও... কুদস তোমাদের হাতে আসবে... প্রথমে বরং সবার পূর্বে কারবালাকে মুক্ত কর, অতঃপর কুদস ও অন্যান্য বিষয়ে চিন্তা কর”! [“আল-মিম্বারিয়াহ” পত্রিকা, সংখ্যা: ২৩, মুহাররম ১৪২৩হি. মার্চ ২০০২ইং]