১
শিয়া ও মসজিদে আকসা
লেখকঃ তারেক আহমদ হিজাযী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
তাদের কিতাবের নিম্নের বাণীগুলো তাই প্রমাণ করে:
শায়খ সাদুক বর্ণনা করেন: “তিনটি স্থান ব্যতীত (সাওয়াবের উদ্দেশ্যে) সফর করা যাবে না: মসজিদে হারাম, মসজিদে রাসূল ও মসজিদে কুফা”। [কামেলুয যিয়ারাত: (পৃ.১৩৭)]
শায়খ সাদুক “মান-লা ইয়াহদুরুহুল ফাকিহু” ও “আল-খেসাল” গ্রন্থে নিজ সনদে আমিরুল মুমেনিন আলাইহিস সালাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: “তিনটি মসজিদ ব্যতীত সফর করা যাবে না: মসজিদে হারাম, মসজিদে রাসূল ও মসজিদে কুফা”। [আল-ওয়াসায়েল: (৩/৫২৫)]
শিয়াদের নিকট মসজিদে কুফার [মসজিদে কুফা নির্মাণ করেন বিশিষ্ট সাহাবি সাদ ইব্ন আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু (১৭হি.)তে, কাদেসিয়া যুদ্ধের পর ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর খিলাফত আমলে। আশ্চর্য হল বিশিষ্ট এ সাহাবিকে শিয়া রাফেযিরা তাদের কিতাবে “উম্মতের কারুন” বলে! আবুল হাসান আমেলি রচিত “আল-বুরহান” গ্রন্থের ভূমিকায় (পৃ.২৮০) এসেছে: আবুল হাসান আমেলি বলেছেন: সাদ ইব্ন আবি ওয়াক্কাস এ উম্মতের কারুন। কারণ সে মুরতাদ হয়ে গিয়েছিল ও আমিরুল মুমেনিন আলি ইব্ন আবি তালেবের হাতে বায়আত গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল!এখানে আমাদের কতক প্রশ্ন: আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন কুফায় প্রস্থান করেন, তখন কেন তিনি এ মসজিদ ধ্বংস করেননি, অথচ তিনি সে সময় খলিফা ও হাকেম ছিলেন, যদি তার প্রতিষ্ঠাতা মুরতাদ হয়, -যেমন তাদের ধারণা-?! সাদ ইব্ন আবি ওয়াক্কাসকে মুরতাদ ও কারুন বলা সত্যেও কেন তাদের ইমামগণ এখানে সালাত আদায় করার ওসিয়ত করেন?! এ মসজিদের কেন এতো ফজিলত, যা আমিরুল মুমেনিন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর নির্দেশে নির্মাণ করা হয়েছে?! জাফর সাদেক কি বলেননি! তাকওয়া ব্যতীত যেসব ইবাদত সম্পন্ন করা হয়, বিক্ষিপ্ত খড়কুটার ন্যায়?!] ফজিলত ও মর্যাদা মসজিদে আকসার চেয়েও ঊর্ধ্বে। তাদের কিতাবে লিখিত হাদিসগুলো তাই প্রমাণ করে। আরো কতক বাতিল বর্ণনা দেখুন:
কুলাইনি আল-কাফি গ্রন্থে নিজ সনদে খালেদ আল-কালানিসি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ আলাইহিমুস সালামকে বলতে শুনেছি: “মসজিদে কুফার এক সালাত এক হাজার সালাতের সমপরিমাণ”! [আল-ওয়াসায়েল: (৩/৫৪৭)]
হাসান ইব্ন মেহরান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালামকে বলতে শুনেছি: আমিরুল মুমেনিন বলেছেন: “মক্কা আল্লাহর হারাম, মদিনা রাসূলের হারাম ও কুফা আমার হারাম, কোন ক্ষমতাধর যদি এতে অনিষ্টের ইচ্ছা করে, আল্লাহ তাকে ধ্বংস করে দিবেন”। [তাফসিলু ওয়াসায়েলুশ শিয়াহ: (১৪/৩৬০)]
অপর এক বর্ণনায় রয়েছে: “কুফা আল্লাহর হারাম, রাসূলের হারাম ও আমিরুল মুমেনিন এর হারাম। এখানে এক সালাত হাজার সালাতের সমান এবং এক দিরহাম হাজার দিরহামের সমান”। [কামেলুয যিয়ারাত: (পৃ.৭৩-৭৪)]
অপর বর্ণনায় রয়েছে: “নিশ্চয় আল্লাহর হারাম মক্কা, রাসূলের হারাম মদিনা এবং আমিরুল মুমেনিনের হারাম কুফা। আর আমাদের হারাম কুম, [“কুম্ম” ফারসি শব্দ, কুম্ম শিয়াদের পবিত্র শহর, যা ইরানে প্রসিদ্ধ। সেখানে অধিবাসী সবাই শিয়া ইমামিয়াহ। দেখুন: মুজামুল বুলদান: (৪/৩৯৭), কুম্ম শহরকে পবিত্র জ্ঞান করার কারণ সেখানে তাদের সপ্তম ইমাম মুসা ইব্ন জাফর এর মেয়ে ফাতেমার কবর রয়েছে। দেখুন: আব্দুর রাজ্জাক আল-হুসাইনি লিখিত “মাশাহেদুল ইতরাহ”: (পৃ.১৬২)] সেখানে ফাতেমা নামে আমার সন্তানের একজন নারী দাফন করা হবে, যে তার যিয়ারত করবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে”। [বিহারুল আনওয়ার: (১০২/৩৬৭)]
শায়খ সাদুক “মান-লা ইয়াহদুরুহুল ফাকিহু” ও “আল-খেসাল” গ্রন্থে নিজ সনদে আমিরুল মুমেনিন আলাইহিস সালাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: “তিনটি মসজিদ ব্যতীত সফর করা যাবে না: মসজিদে হারাম, মসজিদে রাসূল ও মসজিদে কুফা”। [আল-ওয়াসায়েল: (৩/৫২৫)]
শিয়াদের নিকট মসজিদে কুফার [মসজিদে কুফা নির্মাণ করেন বিশিষ্ট সাহাবি সাদ ইব্ন আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু (১৭হি.)তে, কাদেসিয়া যুদ্ধের পর ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর খিলাফত আমলে। আশ্চর্য হল বিশিষ্ট এ সাহাবিকে শিয়া রাফেযিরা তাদের কিতাবে “উম্মতের কারুন” বলে! আবুল হাসান আমেলি রচিত “আল-বুরহান” গ্রন্থের ভূমিকায় (পৃ.২৮০) এসেছে: আবুল হাসান আমেলি বলেছেন: সাদ ইব্ন আবি ওয়াক্কাস এ উম্মতের কারুন। কারণ সে মুরতাদ হয়ে গিয়েছিল ও আমিরুল মুমেনিন আলি ইব্ন আবি তালেবের হাতে বায়আত গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল!এখানে আমাদের কতক প্রশ্ন: আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন কুফায় প্রস্থান করেন, তখন কেন তিনি এ মসজিদ ধ্বংস করেননি, অথচ তিনি সে সময় খলিফা ও হাকেম ছিলেন, যদি তার প্রতিষ্ঠাতা মুরতাদ হয়, -যেমন তাদের ধারণা-?! সাদ ইব্ন আবি ওয়াক্কাসকে মুরতাদ ও কারুন বলা সত্যেও কেন তাদের ইমামগণ এখানে সালাত আদায় করার ওসিয়ত করেন?! এ মসজিদের কেন এতো ফজিলত, যা আমিরুল মুমেনিন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর নির্দেশে নির্মাণ করা হয়েছে?! জাফর সাদেক কি বলেননি! তাকওয়া ব্যতীত যেসব ইবাদত সম্পন্ন করা হয়, বিক্ষিপ্ত খড়কুটার ন্যায়?!] ফজিলত ও মর্যাদা মসজিদে আকসার চেয়েও ঊর্ধ্বে। তাদের কিতাবে লিখিত হাদিসগুলো তাই প্রমাণ করে। আরো কতক বাতিল বর্ণনা দেখুন:
কুলাইনি আল-কাফি গ্রন্থে নিজ সনদে খালেদ আল-কালানিসি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ আলাইহিমুস সালামকে বলতে শুনেছি: “মসজিদে কুফার এক সালাত এক হাজার সালাতের সমপরিমাণ”! [আল-ওয়াসায়েল: (৩/৫৪৭)]
হাসান ইব্ন মেহরান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালামকে বলতে শুনেছি: আমিরুল মুমেনিন বলেছেন: “মক্কা আল্লাহর হারাম, মদিনা রাসূলের হারাম ও কুফা আমার হারাম, কোন ক্ষমতাধর যদি এতে অনিষ্টের ইচ্ছা করে, আল্লাহ তাকে ধ্বংস করে দিবেন”। [তাফসিলু ওয়াসায়েলুশ শিয়াহ: (১৪/৩৬০)]
অপর এক বর্ণনায় রয়েছে: “কুফা আল্লাহর হারাম, রাসূলের হারাম ও আমিরুল মুমেনিন এর হারাম। এখানে এক সালাত হাজার সালাতের সমান এবং এক দিরহাম হাজার দিরহামের সমান”। [কামেলুয যিয়ারাত: (পৃ.৭৩-৭৪)]
অপর বর্ণনায় রয়েছে: “নিশ্চয় আল্লাহর হারাম মক্কা, রাসূলের হারাম মদিনা এবং আমিরুল মুমেনিনের হারাম কুফা। আর আমাদের হারাম কুম, [“কুম্ম” ফারসি শব্দ, কুম্ম শিয়াদের পবিত্র শহর, যা ইরানে প্রসিদ্ধ। সেখানে অধিবাসী সবাই শিয়া ইমামিয়াহ। দেখুন: মুজামুল বুলদান: (৪/৩৯৭), কুম্ম শহরকে পবিত্র জ্ঞান করার কারণ সেখানে তাদের সপ্তম ইমাম মুসা ইব্ন জাফর এর মেয়ে ফাতেমার কবর রয়েছে। দেখুন: আব্দুর রাজ্জাক আল-হুসাইনি লিখিত “মাশাহেদুল ইতরাহ”: (পৃ.১৬২)] সেখানে ফাতেমা নামে আমার সন্তানের একজন নারী দাফন করা হবে, যে তার যিয়ারত করবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে”। [বিহারুল আনওয়ার: (১০২/৩৬৭)]