১
শিয়া ও মসজিদে আকসা
লেখকঃ তারেক আহমদ হিজাযী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
মুসলিমের অন্তরে মসজিদে আকসার মর্যাদা
মসজিদে আকসার মর্যাদা সম্পর্কে সন্দেহ পোষণকারীদের বর্ণনা শেষে, উচিত হবে পাঠকের সামনে আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের নিকট মসজিদে আকসার ফজিলত তুলে ধরা। যাতে রয়েছে তাদের মিথ্যাচার ও বানোয়াট বর্ণনার উত্তর:
আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿ بَلۡ نَقۡذِفُ بِٱلۡحَقِّ عَلَى ٱلۡبَٰطِلِ فَيَدۡمَغُهُۥ فَإِذَا هُوَ زَاهِقٞۚ وَلَكُمُ ٱلۡوَيۡلُ مِمَّا تَصِفُونَ ١٨ ﴾ [ الانبياء : ١٨ ]
“বরং আমি মিথ্যার উপর সত্য নিক্ষেপ করি; ফলে তা মিথ্যাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয় এবং নিমিষেই তা বিলুপ্ত হয়। আর তোমাদের জন্য রয়েছে দুর্ভোগ তোমরা যা বলছ তার জন্য”। [সূরা আম্বিয়া: (১৮)]
মসজিদে আকসা ও বায়তুল মাকদিসের ফজিলত সম্পর্কে কুরআন ও হাদিসে প্রচুর দলিল রয়েছে। ইসলামের প্রতি বিদ্বেষ ও হিংসা পোষণকারী ব্যতীত কেউ তাতে সন্দেহ করে না। মসজিদে আকসার ফজিলত সম্পর্কে সন্দেহকারীদের যুক্তি ও দলিলগুলো মাকড়সার ঘরের চেয়েও দুর্বল। আমরা সংক্ষেপে তার আলোচনা করছি। আল্লাহর কিতাবের বাণী আমাদের জন্য যথেষ্ট। কুরআন আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছে বায়তুল মাকদিস থেকে কাবার দিকে কেবলা পরিবর্তনের ফলে কতক বেকুবরা প্রশ্ন ও আপত্তি করবে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কেবলা পরিবর্তনের নির্দেশ দেয়ার আগেই আল্লাহ তাকে জানিয়ে দেন। তিনি ইরশাদ করেন:
﴿ سَيَقُولُ ٱلسُّفَهَآءُ مِنَ ٱلنَّاسِ مَا وَلَّىٰهُمۡ عَن قِبۡلَتِهِمُ ٱلَّتِي كَانُواْ عَلَيۡهَاۚ قُل لِّلَّهِ ٱلۡمَشۡرِقُ وَٱلۡمَغۡرِبُۚ يَهۡدِي مَن يَشَآءُ إِلَىٰ صِرَٰطٖ مُّسۡتَقِيمٖ ١٤٢ ﴾ [ البقرة : ١٤٢ ] “অচিরেই নির্বোধ লোকেরা বলবে, ‘কীসে তাদেরকে তাদের কিবলা থেকে ফিরাল, যার উপর তারা ছিল?’ বল, ‘পূর্ব ও পশ্চিম আল্লাহরই। তিনি যাকে চান সোজা পথ দেখান”। [সূরা বাকরা: (১৪২)]
কিবলা পরিবর্তনে আপত্তিকারী কুরআনের ভাষায় বেকুব। কারণ আল্লাহর হুকুম ও শরীয়তের ওপর সে আপত্তি করেছে। “সুফাহা” শব্দের অর্থ বিবেচনা করলে তাদের কথার উত্তর বা তাদের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করার কোন প্রয়োজন হয় না। তবুও আল্লাহ এ সন্দেহ জিইয়ে রাখেননি, বরং দূরীভূত করেছেন, কতক অন্তরে যার উদ্রেক হয় তার উত্তর দিয়েছেন। তিনি বলেন:
قُل لِّلَّهِ ٱلۡمَشۡرِقُ وَٱلۡمَغۡرِبُۚ “বল: পূর্ব ও পশ্চিম আল্লাহরই”। অর্থাৎ হে মুহাম্মদ তাদেরকে বল: আল্লাহর জন্যই পূর্ব-পশ্চিম এবং প্রত্যেক দিকই তার মালিকানাধীন।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿ بَلۡ نَقۡذِفُ بِٱلۡحَقِّ عَلَى ٱلۡبَٰطِلِ فَيَدۡمَغُهُۥ فَإِذَا هُوَ زَاهِقٞۚ وَلَكُمُ ٱلۡوَيۡلُ مِمَّا تَصِفُونَ ١٨ ﴾ [ الانبياء : ١٨ ]
“বরং আমি মিথ্যার উপর সত্য নিক্ষেপ করি; ফলে তা মিথ্যাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয় এবং নিমিষেই তা বিলুপ্ত হয়। আর তোমাদের জন্য রয়েছে দুর্ভোগ তোমরা যা বলছ তার জন্য”। [সূরা আম্বিয়া: (১৮)]
মসজিদে আকসা ও বায়তুল মাকদিসের ফজিলত সম্পর্কে কুরআন ও হাদিসে প্রচুর দলিল রয়েছে। ইসলামের প্রতি বিদ্বেষ ও হিংসা পোষণকারী ব্যতীত কেউ তাতে সন্দেহ করে না। মসজিদে আকসার ফজিলত সম্পর্কে সন্দেহকারীদের যুক্তি ও দলিলগুলো মাকড়সার ঘরের চেয়েও দুর্বল। আমরা সংক্ষেপে তার আলোচনা করছি। আল্লাহর কিতাবের বাণী আমাদের জন্য যথেষ্ট। কুরআন আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছে বায়তুল মাকদিস থেকে কাবার দিকে কেবলা পরিবর্তনের ফলে কতক বেকুবরা প্রশ্ন ও আপত্তি করবে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কেবলা পরিবর্তনের নির্দেশ দেয়ার আগেই আল্লাহ তাকে জানিয়ে দেন। তিনি ইরশাদ করেন:
﴿ سَيَقُولُ ٱلسُّفَهَآءُ مِنَ ٱلنَّاسِ مَا وَلَّىٰهُمۡ عَن قِبۡلَتِهِمُ ٱلَّتِي كَانُواْ عَلَيۡهَاۚ قُل لِّلَّهِ ٱلۡمَشۡرِقُ وَٱلۡمَغۡرِبُۚ يَهۡدِي مَن يَشَآءُ إِلَىٰ صِرَٰطٖ مُّسۡتَقِيمٖ ١٤٢ ﴾ [ البقرة : ١٤٢ ] “অচিরেই নির্বোধ লোকেরা বলবে, ‘কীসে তাদেরকে তাদের কিবলা থেকে ফিরাল, যার উপর তারা ছিল?’ বল, ‘পূর্ব ও পশ্চিম আল্লাহরই। তিনি যাকে চান সোজা পথ দেখান”। [সূরা বাকরা: (১৪২)]
কিবলা পরিবর্তনে আপত্তিকারী কুরআনের ভাষায় বেকুব। কারণ আল্লাহর হুকুম ও শরীয়তের ওপর সে আপত্তি করেছে। “সুফাহা” শব্দের অর্থ বিবেচনা করলে তাদের কথার উত্তর বা তাদের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করার কোন প্রয়োজন হয় না। তবুও আল্লাহ এ সন্দেহ জিইয়ে রাখেননি, বরং দূরীভূত করেছেন, কতক অন্তরে যার উদ্রেক হয় তার উত্তর দিয়েছেন। তিনি বলেন:
قُل لِّلَّهِ ٱلۡمَشۡرِقُ وَٱلۡمَغۡرِبُۚ “বল: পূর্ব ও পশ্চিম আল্লাহরই”। অর্থাৎ হে মুহাম্মদ তাদেরকে বল: আল্লাহর জন্যই পূর্ব-পশ্চিম এবং প্রত্যেক দিকই তার মালিকানাধীন।