১
দীনের ওপর অবিচল থাকার উপায়
লেখকঃ শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
সপ্তম: তারবিয়ত বা সঠিক লালন-পালন
ঈমানী, ইলমী, সদাজাগ্রত ও ধারাবাহিক তারবিয়ত দীনের ওপর অটল ও অবিচল থাকার কার্যকর মাধ্যমসমূহ থেকে মৌলিক একটি কার্যকর বিষয়।
ঈমানী তারবিয়ত: এ দ্বারা আত্মা ও অন্তর ভয়, আশা ও মহব্বত দ্বারা জীবন্ত থাকে। এটি কুরআন ও সূন্নাহ থেকে দূরে থাকা এবং মানুষের কথা-বার্তার সামনে অবস্থানের ফলে অন্তরে যে শুস্কতা ও কাঠিন্যতা তৈরি হয় তা দূর করে।
ইলমী তারবিয়ত: এটি সহীহ ও বিশুদ্ধ দলীলের ওপর প্রতিষ্ঠিত। যা অন্ধ অনুকরণ ও নিন্দিত অর্বাচিনতার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
সদাজাগ্রত তারবিয়ত: যার দ্বারা অপরাধীদের পথ তুমি জানতে পারবে, ইসলামের শত্রুদের পরিকল্পনা ও টার্গেটগুলো নির্ণয় করতে পারবে এবং বাস্তবতাকে উপলব্ধি করবে এবং ঘটনাবলীকে বুঝতে এবং মূল্যায়ন করতে পারবে। এটি চিন্তাগত বদ্ধতা ও নিজেকে ছোট পরিবেশের গণ্ডিতে আবদ্ধ থাকা থেকে মুক্ত রাখবে।
ধারাবাহিক তারবিয়ত: যাতে একজন মুসলিম ধীরে ধীরে চলা আরম্ভ করে। মূল্যবান পরিকল্পনা ও টার্গেট নির্ধারণের মাধ্যমে একজন মুসলিম পরিপূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ সোপানগুলো অতিক্রম করতে পারে।
আর আল্লাহর দীনের ওপর অটল ও অবিচল থাকার মাধ্যমসমূহ হতে এ মাধ্যমটির গুরুত্ব অনুধাবন করতে হলে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সীরাতের দিকে ফিরে দেখবো এবং আমাদের নিজেদের প্রশ্ন করবো:
-কঠিন ও দু্র্যোগপূর্ণ মুহুর্তে মক্কায় রাসূলের সাহাবীদের অটল ও অবিচল থাকার উৎস কি ছিল?
সাহাবীগণের অটল ও অবিচল থাকা নবুওয়াতের প্রশিক্ষণশালা থেকে গভীর ও নিবিড় প্রশিক্ষণ ছাড়া কি সম্ভব হয়েছে? যার ফলে তাদের ব্যক্তিত্ব কলুষমুক্ত ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে গেছে।
দৃষ্টান্ত হিসেবে একজন সাহাবীর কথাই এখানে উল্লেখ করব। তিনি হলেন, খাব্বাব ইবনুল আরাত রাদিয়াল্লাহু আনহু। তার মহিলা মুনীব লোহার টুকরোগুলো গরম করত যখন সেগুলো লাল হয়ে যেতো তখন তাকে এ উত্তপ্ত লোহার লাল আগুনে খালি গায়ে নিক্ষেপ করত, ঐ উত্তপ্ত আগুন খাব্বাবের দেহের রক্ত, পুঁজ ও প্রবাহিত চর্বি দ্বারাই নিবতো। কোন বস্তু তাকে এমন বানালো যে, তিনি এতসব কষ্ট ও নির্যাতনের ওপর ধৈর্য ধারণ করলেন?
আর বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু মরুভূমির বালুর মধ্যে পাথরের নিচে ধৈর্যধারণ করেছে? আর সুমাইয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু শিকল ও কড়া পরিহিত অবস্থায় বন্দী ছিল?। কীসে তাদেরকে ধৈর্যধারণ করার প্রতি প্রতিজ্ঞ করে তুলল?
মাদানী জীবনের আরেকটি নমূনা পেশ করা যেতে পারে, হুনাইনের যুদ্ধে কিসের কারণে কোনো কোনো সাহাবী রাসূলের সাথে অটল ও অবিচল ছিলেন? তারা কি ছিল মক্কা বিজয়ের পরে ইসলাম গ্রহণ করা নও মুসলিমরা? যারা তারবিয়াত গ্রহণের যথার্থ সময় পায় নি। যাদের অনেকেই গনীমতের আশায় সে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। কখনও নয়, অধিকাংশ সে বাছাইকৃত মুমিন লোকেরাই রাসূলের সাথে অবিচল ও অটল ছিল যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতে তারবিয়াত নিয়েছিলেন।
যদি সে তারবিয়াত তারা না পেতো তবে কি তারা সে কঠিন মুহূর্তে অটল থাকতে পারতো?
ঈমানী তারবিয়ত: এ দ্বারা আত্মা ও অন্তর ভয়, আশা ও মহব্বত দ্বারা জীবন্ত থাকে। এটি কুরআন ও সূন্নাহ থেকে দূরে থাকা এবং মানুষের কথা-বার্তার সামনে অবস্থানের ফলে অন্তরে যে শুস্কতা ও কাঠিন্যতা তৈরি হয় তা দূর করে।
ইলমী তারবিয়ত: এটি সহীহ ও বিশুদ্ধ দলীলের ওপর প্রতিষ্ঠিত। যা অন্ধ অনুকরণ ও নিন্দিত অর্বাচিনতার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
সদাজাগ্রত তারবিয়ত: যার দ্বারা অপরাধীদের পথ তুমি জানতে পারবে, ইসলামের শত্রুদের পরিকল্পনা ও টার্গেটগুলো নির্ণয় করতে পারবে এবং বাস্তবতাকে উপলব্ধি করবে এবং ঘটনাবলীকে বুঝতে এবং মূল্যায়ন করতে পারবে। এটি চিন্তাগত বদ্ধতা ও নিজেকে ছোট পরিবেশের গণ্ডিতে আবদ্ধ থাকা থেকে মুক্ত রাখবে।
ধারাবাহিক তারবিয়ত: যাতে একজন মুসলিম ধীরে ধীরে চলা আরম্ভ করে। মূল্যবান পরিকল্পনা ও টার্গেট নির্ধারণের মাধ্যমে একজন মুসলিম পরিপূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ সোপানগুলো অতিক্রম করতে পারে।
আর আল্লাহর দীনের ওপর অটল ও অবিচল থাকার মাধ্যমসমূহ হতে এ মাধ্যমটির গুরুত্ব অনুধাবন করতে হলে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সীরাতের দিকে ফিরে দেখবো এবং আমাদের নিজেদের প্রশ্ন করবো:
-কঠিন ও দু্র্যোগপূর্ণ মুহুর্তে মক্কায় রাসূলের সাহাবীদের অটল ও অবিচল থাকার উৎস কি ছিল?
সাহাবীগণের অটল ও অবিচল থাকা নবুওয়াতের প্রশিক্ষণশালা থেকে গভীর ও নিবিড় প্রশিক্ষণ ছাড়া কি সম্ভব হয়েছে? যার ফলে তাদের ব্যক্তিত্ব কলুষমুক্ত ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে গেছে।
দৃষ্টান্ত হিসেবে একজন সাহাবীর কথাই এখানে উল্লেখ করব। তিনি হলেন, খাব্বাব ইবনুল আরাত রাদিয়াল্লাহু আনহু। তার মহিলা মুনীব লোহার টুকরোগুলো গরম করত যখন সেগুলো লাল হয়ে যেতো তখন তাকে এ উত্তপ্ত লোহার লাল আগুনে খালি গায়ে নিক্ষেপ করত, ঐ উত্তপ্ত আগুন খাব্বাবের দেহের রক্ত, পুঁজ ও প্রবাহিত চর্বি দ্বারাই নিবতো। কোন বস্তু তাকে এমন বানালো যে, তিনি এতসব কষ্ট ও নির্যাতনের ওপর ধৈর্য ধারণ করলেন?
আর বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু মরুভূমির বালুর মধ্যে পাথরের নিচে ধৈর্যধারণ করেছে? আর সুমাইয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু শিকল ও কড়া পরিহিত অবস্থায় বন্দী ছিল?। কীসে তাদেরকে ধৈর্যধারণ করার প্রতি প্রতিজ্ঞ করে তুলল?
মাদানী জীবনের আরেকটি নমূনা পেশ করা যেতে পারে, হুনাইনের যুদ্ধে কিসের কারণে কোনো কোনো সাহাবী রাসূলের সাথে অটল ও অবিচল ছিলেন? তারা কি ছিল মক্কা বিজয়ের পরে ইসলাম গ্রহণ করা নও মুসলিমরা? যারা তারবিয়াত গ্রহণের যথার্থ সময় পায় নি। যাদের অনেকেই গনীমতের আশায় সে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। কখনও নয়, অধিকাংশ সে বাছাইকৃত মুমিন লোকেরাই রাসূলের সাথে অবিচল ও অটল ছিল যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতে তারবিয়াত নিয়েছিলেন।
যদি সে তারবিয়াত তারা না পেতো তবে কি তারা সে কঠিন মুহূর্তে অটল থাকতে পারতো?