১
দীনের ওপর অবিচল থাকার উপায়
লেখকঃ শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
পঞ্চম: আল্লাহর যিকির
এটি অটল ও অবিচল থাকার গুরুত্বপূর্ণ ও বড় মাধ্যম
আল্লাহ তা‘আলা কুরআনে কারীমে দুটি বিষয় অর্থাৎ ‘আল্লাহর যিকির এবং অবিচল থাকা’ এ দু’টি বিষয়কে একত্রে উল্লেখ করেছেন। সুতরাং এ বিষয়ে গভীরভাবে চিন্তা, ফিকির ও গবেষণা কর। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِذَا لَقِيتُمۡ فِئَةٗ فَٱثۡبُتُواْ وَٱذۡكُرُواْ ٱللَّهَ كَثِيرٗا لَّعَلَّكُمۡ تُفۡلِحُونَ ٤٥﴾ [ الانفال : ٤٥ ]
“হে মুমিনগণ, যখন তোমরা কোনো দলের মুখোমুখি হও, তখন অবিচল থাক, আর আল্লাহকে অধিক স্মরণ কর, যাতে তোমরা সফল হও” [সূরা আল-আনফাল, আয়াত: ৪৫] এ আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা তার যিকির করাকে জিহাদের মাঠে অটল ও অবিচল থাকার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম সাব্যস্ত করেছেন।
আর “তুমি ফারস্য ও রোমবাসীদের দেহের বিষয়ে চিন্তা কর, কীভাবে তাদের দেহ তাদের সাথে খিয়ানত করল (ঐ সময় যখন তারা নিজেদের দেহের প্রতি সবচেয়ে বেশি মুখাপেক্ষী)” [কথাটি আল্লামা ইবনুল কাইয়্যেম রহ.-এর কথা থেকে চয়ন করা হয়েছে, যা তিনি তার রচিত কিতাব আদ-দাউ ওয়াদ-দাওয়াউ-তে উল্লেখ করেছেন।]। অথচ যারা বেশি বেশি আল্লাহর যিকিরকারী তাদের সংখ্যা নগণ্য এবং তাদের যুদ্ধের সরঞ্জাম অপ্রতুল। (তা সত্বেও তারা বিজয়ী হয় )
-একজন রুপবতী, ক্ষমতাধর ও যুবতী নারী যখন ইউসূফ আলাইহিস সালামকে তার সাথে অপকর্মের প্রতি আহ্বান করে এমন একটি কঠিন পরীক্ষা ও ফিতনার মূহুর্তে তিনি অবিচল থাকার জন্য কিসের দ্বারা সাহায্য চেয়েছিলেন? (তা একটু ভেবে দেখ)। তিনি কি ‘আল্লাহর আশ্রয় কামনা’ এর দূর্গে প্রবেশ করেন নি? অবশ্যই প্রবেশ করেছেন। ফলে তার দূর্গের দেয়ালে অবস্থানকারী প্রবৃত্তির সমস্ত সৈন্যের বাঁধ ও প্রাচীর ভেঙ্গে যায় এবং তা চুর্ণ-বিচুর্ণ হয়ে পড়ে যায়।
আর মুমিনদের অবিচল ও সুদৃঢ় রাখার ক্ষেত্রে যিকিরের প্রভাব ও ক্রিয়া এমনই হয়ে থাকে।
আল্লাহ তা‘আলা কুরআনে কারীমে দুটি বিষয় অর্থাৎ ‘আল্লাহর যিকির এবং অবিচল থাকা’ এ দু’টি বিষয়কে একত্রে উল্লেখ করেছেন। সুতরাং এ বিষয়ে গভীরভাবে চিন্তা, ফিকির ও গবেষণা কর। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِذَا لَقِيتُمۡ فِئَةٗ فَٱثۡبُتُواْ وَٱذۡكُرُواْ ٱللَّهَ كَثِيرٗا لَّعَلَّكُمۡ تُفۡلِحُونَ ٤٥﴾ [ الانفال : ٤٥ ]
“হে মুমিনগণ, যখন তোমরা কোনো দলের মুখোমুখি হও, তখন অবিচল থাক, আর আল্লাহকে অধিক স্মরণ কর, যাতে তোমরা সফল হও” [সূরা আল-আনফাল, আয়াত: ৪৫] এ আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা তার যিকির করাকে জিহাদের মাঠে অটল ও অবিচল থাকার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম সাব্যস্ত করেছেন।
আর “তুমি ফারস্য ও রোমবাসীদের দেহের বিষয়ে চিন্তা কর, কীভাবে তাদের দেহ তাদের সাথে খিয়ানত করল (ঐ সময় যখন তারা নিজেদের দেহের প্রতি সবচেয়ে বেশি মুখাপেক্ষী)” [কথাটি আল্লামা ইবনুল কাইয়্যেম রহ.-এর কথা থেকে চয়ন করা হয়েছে, যা তিনি তার রচিত কিতাব আদ-দাউ ওয়াদ-দাওয়াউ-তে উল্লেখ করেছেন।]। অথচ যারা বেশি বেশি আল্লাহর যিকিরকারী তাদের সংখ্যা নগণ্য এবং তাদের যুদ্ধের সরঞ্জাম অপ্রতুল। (তা সত্বেও তারা বিজয়ী হয় )
-একজন রুপবতী, ক্ষমতাধর ও যুবতী নারী যখন ইউসূফ আলাইহিস সালামকে তার সাথে অপকর্মের প্রতি আহ্বান করে এমন একটি কঠিন পরীক্ষা ও ফিতনার মূহুর্তে তিনি অবিচল থাকার জন্য কিসের দ্বারা সাহায্য চেয়েছিলেন? (তা একটু ভেবে দেখ)। তিনি কি ‘আল্লাহর আশ্রয় কামনা’ এর দূর্গে প্রবেশ করেন নি? অবশ্যই প্রবেশ করেছেন। ফলে তার দূর্গের দেয়ালে অবস্থানকারী প্রবৃত্তির সমস্ত সৈন্যের বাঁধ ও প্রাচীর ভেঙ্গে যায় এবং তা চুর্ণ-বিচুর্ণ হয়ে পড়ে যায়।
আর মুমিনদের অবিচল ও সুদৃঢ় রাখার ক্ষেত্রে যিকিরের প্রভাব ও ক্রিয়া এমনই হয়ে থাকে।