১
দীনের ওপর অবিচল থাকার উপায়
লেখকঃ শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
দ্বিতীয়ত: আল্লাহর দেওয়া শরী‘আত যথাযথ মেনে চলা ও নেক আমল করা।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿يُثَبِّتُ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ بِٱلۡقَوۡلِ ٱلثَّابِتِ فِي ٱلۡحَيَوٰةِ ٱلدُّنۡيَا وَفِي ٱلۡأٓخِرَةِۖ وَيُضِلُّ ٱللَّهُ ٱلظَّٰلِمِينَۚ وَيَفۡعَلُ ٱللَّهُ مَا يَشَآءُ ٢٧ ﴾ [ ابراهيم : ٢٧ ]
“আল্লাহ অবিচল রাখেন ঈমানদারদেরকে সুদৃঢ় বাণী দ্বারা দুনিয়ার জীবনে ও আখিরাতে। আর আল্লাহ যালিমদের পথভ্রষ্ট করেন এবং আল্লাহ যা ইচ্ছা তা করেন” [সূরা ইবরাহীম, আয়াত: ২৮]
-কাতাদাহ রহ. বলেন, আল্লাহ তাদের দুনিয়ার জীনবে ভালো ও কল্যাণের ওপর অটল, সুদৃঢ় ও অবিচল রাখবেন। আর আখিরাত অর্থাৎ কবরের মধ্যে তাদের কামিয়াবী দেবেন। একই কথা পূর্বসূরীদের একাধিক ব্যক্তি থেকেও বর্ণিত হয়েছে। [ইবন কাসীর, ৩/৪২১।]
আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন,
﴿وَلَوۡ أَنَّهُمۡ فَعَلُواْ مَا يُوعَظُونَ بِهِۦ لَكَانَ خَيۡرٗا لَّهُمۡ وَأَشَدَّ تَثۡبِيتٗا ٦٦﴾ [ النساء : ٦٦ ]
“আর যে উপদেশ তাদেরকে দেওয়া হয় যদি তারা তা বাস্তবায়ন করত, তাহলে সেটি হত তাদের জন্য উত্তম এবং স্থিরতায় সুদৃঢ়” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৬৬] অর্থাৎ হকের ওপর সুদৃঢ়। এ কথা খুবই স্পষ্ট, অন্যথায় আমরা কি এ আশা করতে পারি যে, যারা অলস, নেক আমল করা থেকে বিরত থাকে তারা অবিচল থাকবে, যখন ফিতনা তাদের মাথায় আক্রমণ করবে। তবে যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে সালেহ অবলম্বন করেন, তাদের রব তাদেরকে তাদের ঈমানের কারণে সঠিক পথ দেখাবেন, ঈমানের ওপর অটল ও অবিচল রাখবেন। এ কারণেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নেক আমলের ওপর অটল ও অবিচল থাকতে উৎসাহ প্রদান করতেন। আর তার নিকট সর্বাধিক প্রিয় আমল হলো, কোন আমল সব সময় করা, যদিও তা কম হয়। আর তার সাহাবীগণ যখন কোনো আমল করতেন, তখন তারা সে আমলটি ছাড়তেন না, অব্যাহত রাখতেন। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার অভ্যাস ছিল, যখন কোনো আমল একবার করতেন তখন তিনি তা পাবন্দির সাথে করতেন, ছাড়তেন না।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন,
مَنْ ثَابَرَ عَلَى ثِنْتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً مِنَ السُّنَّةِ بَنَى اللَّهُ لَهُ بَيْتًا فِي الجَنَّةِ : ...
“যে ব্যক্তি বারো রাকা‘আত সালাত সব সময় আদায় করবে, আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন... [সুনানে তিরমিযি, ৩৭৩/২ ইমাম তিরমিযি বলেন হাদীসটি হাসান বা সহীহ। সুনান নাসায়ী: ৩৮৮/১; তিরমিযী, ১৩১/২]
অনুরূপ হাদীসে কুদসীতে বর্ণিত, আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
وَمَا يَزَالُ عَبْدِي يَتَقَرَّبُ إِلَيَّ بِالنَّوَافِلِ حَتَّى أُحِبَّهُ
“বান্দা সব সময় নফল ইবাদাতের মাধ্যমে আমার নৈকট্য লাভ করতে থাকে, ফলে এক পর্যায়ে আমি তাকে মহব্বত করে ফেলি”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬৫০২; ফতহুল বারী, ৩৪০/১১]
﴿يُثَبِّتُ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ بِٱلۡقَوۡلِ ٱلثَّابِتِ فِي ٱلۡحَيَوٰةِ ٱلدُّنۡيَا وَفِي ٱلۡأٓخِرَةِۖ وَيُضِلُّ ٱللَّهُ ٱلظَّٰلِمِينَۚ وَيَفۡعَلُ ٱللَّهُ مَا يَشَآءُ ٢٧ ﴾ [ ابراهيم : ٢٧ ]
“আল্লাহ অবিচল রাখেন ঈমানদারদেরকে সুদৃঢ় বাণী দ্বারা দুনিয়ার জীবনে ও আখিরাতে। আর আল্লাহ যালিমদের পথভ্রষ্ট করেন এবং আল্লাহ যা ইচ্ছা তা করেন” [সূরা ইবরাহীম, আয়াত: ২৮]
-কাতাদাহ রহ. বলেন, আল্লাহ তাদের দুনিয়ার জীনবে ভালো ও কল্যাণের ওপর অটল, সুদৃঢ় ও অবিচল রাখবেন। আর আখিরাত অর্থাৎ কবরের মধ্যে তাদের কামিয়াবী দেবেন। একই কথা পূর্বসূরীদের একাধিক ব্যক্তি থেকেও বর্ণিত হয়েছে। [ইবন কাসীর, ৩/৪২১।]
আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন,
﴿وَلَوۡ أَنَّهُمۡ فَعَلُواْ مَا يُوعَظُونَ بِهِۦ لَكَانَ خَيۡرٗا لَّهُمۡ وَأَشَدَّ تَثۡبِيتٗا ٦٦﴾ [ النساء : ٦٦ ]
“আর যে উপদেশ তাদেরকে দেওয়া হয় যদি তারা তা বাস্তবায়ন করত, তাহলে সেটি হত তাদের জন্য উত্তম এবং স্থিরতায় সুদৃঢ়” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৬৬] অর্থাৎ হকের ওপর সুদৃঢ়। এ কথা খুবই স্পষ্ট, অন্যথায় আমরা কি এ আশা করতে পারি যে, যারা অলস, নেক আমল করা থেকে বিরত থাকে তারা অবিচল থাকবে, যখন ফিতনা তাদের মাথায় আক্রমণ করবে। তবে যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে সালেহ অবলম্বন করেন, তাদের রব তাদেরকে তাদের ঈমানের কারণে সঠিক পথ দেখাবেন, ঈমানের ওপর অটল ও অবিচল রাখবেন। এ কারণেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নেক আমলের ওপর অটল ও অবিচল থাকতে উৎসাহ প্রদান করতেন। আর তার নিকট সর্বাধিক প্রিয় আমল হলো, কোন আমল সব সময় করা, যদিও তা কম হয়। আর তার সাহাবীগণ যখন কোনো আমল করতেন, তখন তারা সে আমলটি ছাড়তেন না, অব্যাহত রাখতেন। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার অভ্যাস ছিল, যখন কোনো আমল একবার করতেন তখন তিনি তা পাবন্দির সাথে করতেন, ছাড়তেন না।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন,
مَنْ ثَابَرَ عَلَى ثِنْتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً مِنَ السُّنَّةِ بَنَى اللَّهُ لَهُ بَيْتًا فِي الجَنَّةِ : ...
“যে ব্যক্তি বারো রাকা‘আত সালাত সব সময় আদায় করবে, আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন... [সুনানে তিরমিযি, ৩৭৩/২ ইমাম তিরমিযি বলেন হাদীসটি হাসান বা সহীহ। সুনান নাসায়ী: ৩৮৮/১; তিরমিযী, ১৩১/২]
অনুরূপ হাদীসে কুদসীতে বর্ণিত, আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
وَمَا يَزَالُ عَبْدِي يَتَقَرَّبُ إِلَيَّ بِالنَّوَافِلِ حَتَّى أُحِبَّهُ
“বান্দা সব সময় নফল ইবাদাতের মাধ্যমে আমার নৈকট্য লাভ করতে থাকে, ফলে এক পর্যায়ে আমি তাকে মহব্বত করে ফেলি”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬৫০২; ফতহুল বারী, ৩৪০/১১]