১
হজ, উমরাহ ও যিয়ারতের পদ্ধতি [মাসনূন দো‘আসহ]
লেখকঃ হাজী ও উমরাকারীদের হাদিয়া অফিসস্থ ইসলামী গবেষণা পরিষদ, মক্কা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
মক্কা ও মসজিদুল হারামে প্রবেশ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় প্রবেশ করে গোসল করেছিলেন। [বুখারী ও মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন।] অতএব, মক্কায় পৌঁছার পর আপনার জন্য গোসল করা সুন্নাত। অযু এবং গোসল করার জন্য মসজিদুল হারামের আশেপাশেই বহু স্থান তৈরি করা হয়েছে। আল্লাহর কাছে দো‘আ করি তিনি এ কাজের পূণ্য সে ব্যক্তিরবর্গের নেকীর পাল্লায় রেখে দিন, যারা আল্লাহর মেহমানদের জন্য এগুলো স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন এবং স্থাপন করেছেন। এরপর আপনি উমরার কাজগুলো সমাধা করার জন্য তালবিয়া পড়তে পড়তে কা‘বার উদ্দেশ্যে মসজিদুল হারামের দিকে গমন করবেন।
মসজিদুল হারামে প্রবেশের সময় আপনার জন্য সুন্নাত হলো ডান পা আগে বাড়িয়ে দেওয়া এবং এ দো‘আ পড়া: [এ হাদীসের প্রথম অংশ ‘‘ বিসমিল্লাহি ওয়াস সালাতু’ ইবনুস সুন্নি বর্ণনা করেছেন এবং আলবানী তা সহীহ বলেছেন। আর ‘ওয়াস সালামু ‘আলা রাসূলিল্লাহ ...’ বর্ণনা করেছেন ইমাম মুসলিম। আর ‘আঊযুবিল্লাহিল আযীম’ থেকে শেষাংশ আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন এবং আলবানী সহীহহুল জামে গ্রন্থে একে সহীহ বলে অভিহিত করেছেন।]
«بِسْمِ اللهِ وَالصَّلاةُ وَالسَّلامُ عَلى رَسُوْلِ الله، اللّهُمَّ افْتَحْ لِيْ أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ، أَعُوْذُ باِللهِ الْعَظِيمِ وَ وَجْهِهِ الْكَرِيْمِ وَسُلْطَانِهِ الْقَدِيْمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ»
“আল্লাহর নামে (প্রবেশ করছি)। দুরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূলের ওপর। হে আল্লাহ! আপনি আপনার অনুগ্রহের দ্বার আমার জন্য উন্মুক্ত করে দিন। আমি বিতাড়িত শয়তান হতে মহান আল্লাহ, তাঁর সম্মানিত চেহারা ও সত্ত্বা, আর অনাদি শক্তির উসীলায় আশ্রয় প্রার্থনা করছি”।
সকল মসজিদে প্রবেশের সময়ই এ দো‘আ পড়তে হয়। এরপর উমরার তাওয়াফ শুরু করার জন্য কা‘বার দিকে অগ্রসর হবেন। তাওয়াফ অবস্থায় আপনার ওপর ওয়াজিব হলো পাক-পবিত্র থাকা। এ তাওয়াফের শুরু খেকে শেষ পর্যন্ত পুরুষদের জন্য সুন্নাত হলো ইদতিবা’ করা। আর ইদতিবা’ হলো- ইহরামের চাদরের মধ্যবর্তী অংশ ডান বোগলের নিচে রেখে, ডান কাঁধকে খোলা রেখে চাদরের দু’প্রান্তকে বাম কাঁধের ওপর ছড়িয়ে দেওয়া। তাওয়াফ শুরু করা অবস্থায় তালবিয়া পড়া বন্ধ হয়ে যাবে।
মসজিদুল হারামে প্রবেশের সময় আপনার জন্য সুন্নাত হলো ডান পা আগে বাড়িয়ে দেওয়া এবং এ দো‘আ পড়া: [এ হাদীসের প্রথম অংশ ‘‘ বিসমিল্লাহি ওয়াস সালাতু’ ইবনুস সুন্নি বর্ণনা করেছেন এবং আলবানী তা সহীহ বলেছেন। আর ‘ওয়াস সালামু ‘আলা রাসূলিল্লাহ ...’ বর্ণনা করেছেন ইমাম মুসলিম। আর ‘আঊযুবিল্লাহিল আযীম’ থেকে শেষাংশ আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন এবং আলবানী সহীহহুল জামে গ্রন্থে একে সহীহ বলে অভিহিত করেছেন।]
«بِسْمِ اللهِ وَالصَّلاةُ وَالسَّلامُ عَلى رَسُوْلِ الله، اللّهُمَّ افْتَحْ لِيْ أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ، أَعُوْذُ باِللهِ الْعَظِيمِ وَ وَجْهِهِ الْكَرِيْمِ وَسُلْطَانِهِ الْقَدِيْمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ»
“আল্লাহর নামে (প্রবেশ করছি)। দুরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূলের ওপর। হে আল্লাহ! আপনি আপনার অনুগ্রহের দ্বার আমার জন্য উন্মুক্ত করে দিন। আমি বিতাড়িত শয়তান হতে মহান আল্লাহ, তাঁর সম্মানিত চেহারা ও সত্ত্বা, আর অনাদি শক্তির উসীলায় আশ্রয় প্রার্থনা করছি”।
সকল মসজিদে প্রবেশের সময়ই এ দো‘আ পড়তে হয়। এরপর উমরার তাওয়াফ শুরু করার জন্য কা‘বার দিকে অগ্রসর হবেন। তাওয়াফ অবস্থায় আপনার ওপর ওয়াজিব হলো পাক-পবিত্র থাকা। এ তাওয়াফের শুরু খেকে শেষ পর্যন্ত পুরুষদের জন্য সুন্নাত হলো ইদতিবা’ করা। আর ইদতিবা’ হলো- ইহরামের চাদরের মধ্যবর্তী অংশ ডান বোগলের নিচে রেখে, ডান কাঁধকে খোলা রেখে চাদরের দু’প্রান্তকে বাম কাঁধের ওপর ছড়িয়ে দেওয়া। তাওয়াফ শুরু করা অবস্থায় তালবিয়া পড়া বন্ধ হয়ে যাবে।