hadith book logo

হজ, উমরাহ ও যিয়ারতের পদ্ধতি [মাসনূন দো‘আসহ]

লেখকঃ হাজী ও উমরাকারীদের হাদিয়া অফিসস্থ ইসলামী গবেষণা পরিষদ, মক্কা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৪

হজ ও উমরার ফযীলত

আল্লাহর কাছে হজ ও উমরার ফযীলত অসীম ঐ ব্যক্তির জন্য যে তার নিয়তকে আল্লাহর জন্য খালেস করে নেবে এবং মহান আল কুরআন ও পবিত্র সুন্নাহ মোতাবেক হজ ও উমরার সকল কাজ সমাধা করবে।

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

«مَنْ أَتَى هَذَا الْبَيْتَ فَلَمْ يَرْفُثْ وَلَمْ يَفْسُقْ رَجَعَ كَمَا وَلَدَتْهُ أُمُّه»

“যে ব্যক্তি এ ঘরে আগমন করল এবং কোনো অশালীন আচরণ করে নি ও পাপকাজে লিপ্ত হয় নি (হজ শেষে) সে ঐরূপ হয়ে ফিরে যাবে যে রূপ তার মা তাকে প্রসব করেছিল।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৮১৯ ও সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৩৫৭।] অর্থাৎ সে এমন অবস্থায় ফিরে যাবে যে, তার সকল পাপ মাফ করে দেওয়া হয়েছে, ঐ শিশুর ন্যায় যে কোনো পাপ বা অন্যায় করে নি।

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে আরো বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

«الْعُمْرَةُ إِلَى الْعُمْرَةِ كَفَّارَةٌ لِمَا بَيْنَهُمَا وَالْحَجُّ الْمَبْرُورُ لَيْسَ لَهُ جَزَاءٌ إِلاَّ الْجَنَّة»

“এক উমরাহ থেকে আরেক উমরাহ পালন এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সময়ে কৃত পাপের কাফফারা হয়ে থাকে। আর পূণ্যময় হজের পুরস্কার জান্নাত ছাড়া আর কিছূই নয়।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৭৭৩ ও সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৩৫৫।]

প্রিয় মুসলিম ভাই!

পূণ্যময় হজ হলো সে হজ যাতে কোনো প্রদর্শনেচ্ছা (রিয়া) ও প্রসিদ্ধি লাভের লোভ নেই এবং যা পাপ ও ফিসক্ মিশ্রিত নয়। আর তা এমন - হজ পালনকারী যার সকল কাজ পরিপূর্ণভাবে সমাধা করেছে, যেমনটি আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিয়েছেন।