hadith book logo

হজ, উমরাহ ও যিয়ারতের পদ্ধতি [মাসনূন দো‘আসহ]

লেখকঃ হাজী ও উমরাকারীদের হাদিয়া অফিসস্থ ইসলামী গবেষণা পরিষদ, মক্কা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৫

তারবিয়ার দিন তথা যিলহজ মাসের ৮ তারিখে হাজীর করণীয় কাজসমূহ

তারবিয়ার দিন তথা যিলহজ মাসের আট তারিখ সমাগত হলে তামাত্তুকারী যিনি উমরাহ করার পর হালাল হয়েছেন তার জন্য মুস্তাহাব হলো তিনি যে বাসস্থানে আছেন সেখান থেকে চাশতের সময় হজের ইহরাম করা। একইভাবে মক্কাবাসীদের যারা হজ করতে চান, তারা নিজ নিজ গৃহ থেকেই ইহরাম করবেন।

আর ক্বিরান ও ইফরাদকারী যারা তাদের ইহরাম থেকে হালাল হননি তারা তাদের প্রথম ইহরামের ওপরই বলবৎ থাকবেন।

তামাত্তুকারী এবং যারা হজ পালন করতে চান, এদিন তারা ইহরামের কাপড় পরিধান করবেন এবং গোসল, পাক সাফ হওয়া, খুশবু লাগানো ইত্যাদি যেসব কাজ মীকাতে করেছিলেন তা করবেন। এরপর অন্তরে হজের নিয়ত করবেন এবং মুখে ‘লাব্বাইকা হাজ্জান’ বলে নিম্নোক্ত তালবিয়া পাঠ করতে থাকবেন:

«لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ»

ইতোপূর্বে এর অর্থ বর্ণনা করা হয়েছে।

এদিন সূর্য ঢলে পড়ার আগেই সকল হাজী সাহেবগণ মিনার পবিত্র ভূমির দিকে রওয়ানা হবেন, চাই তারা তামাত্তুকারী হন কিংবা ক্বিরানকারী কিংবা ইফরাদকারী। তারা সেখানে গিয়ে যোহর ও আসরের প্রত্যেক সালাত ওয়াক্ত অনুযায়ী দু’রাকাত করে আদায় করবেন। অনুরূপভাবে মাগরিবের সময় তিন রাকাত মাগরিবের সালাত আদায় করবেন। এশার সময় দু’রাকাত এশার সালাত এবং নয় তারিখের ফজরের সালাত দু’রাকাত আদায় করবেন।

হজ পালনকারী ভাই!

আপনার জন্য আরাফার রাত মিনায় যাপন করা মুস্তাহাব, যেভাবে আপনার নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলইহি ওয়া সাল্লাম করেছিলেন। ফজর পড়ে সূর্যোদয় পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। সূর্য উদিত হলে মিনা থেকে তালবিয়া পড়তে পড়তে ও তাকবীর দিতে দিতে আপনি ‘আরাফা অভিমুখে রওয়ানা হবেন।