১
হজ, উমরাহ ও যিয়ারতের পদ্ধতি [মাসনূন দো‘আসহ]
লেখকঃ হাজী ও উমরাকারীদের হাদিয়া অফিসস্থ ইসলামী গবেষণা পরিষদ, মক্কা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮
মুযদালিফায় রাত্রি যাপন
‘আরাফার বরকতময় দিনের সূর্য অস্ত যাওয়ার পর হাজীদের জনস্রোত মুযদালিফার দিকে চলতে থাকে। প্রিয় ভাই, মুযদালিফায় পৌঁছে আপনি প্রথম যে কাজটি করবেন তা হলো মাগরিব ও এশার সালাত একত্রে কসর করে পড়া। আপনি মাগরিব পড়বেন তিন রাকাত এবং এশা পড়বেন দু’রাকাত। এ রাত্রি আপনি মুযদালিফায় যাপন করবেন। একটু আগেভাগে ঘুমিয়ে পড়ার চেষ্টা করুন যাতে কুরবানীর দিন হজের কাজগুলো আদায়ে তৎপর হতে পারেন। সুব্হে সাদিক উদিত হলে দেরী না করে ফজর পড়ে নিন। এরপর মাশ‘আরুল হারামের কাছে অবস্থান গ্রহণ করুন। মাশ‘আরুল হারাম মুযদালিফায় অবস্থিত একটি পাহাড়। এর কাছে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে, যা হাজী সাহেবগণ দেখতে পায়। এ স্থান ছাড়াও মুযদালিফার যে কোনো স্থানে আপনি অবস্থান করতে পারেন। আর ক্বিবলামুখী হয়ে আল্লাহর কাছে দো‘আ করুন, তাকবীর দিন, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু পড়ুন এবং হাত তুলে বেশি বেশি দো‘আ করুন। চারিদিক আলোকিত হওয়া পর্যন্ত এভাবে করতে থাকুন।
ভোরের আলো খুব ফর্সা হয়ে গেলে সূর্যোদয়ের আগেই মুযদালিফা থেকে মিনার দিকে চলতে থাকুন, যদি তা সহজসাধ্য হয়।
কুরবানীর দিন জামরায়ে আকাবায় নিক্ষেপের জন্য মুযদালিফা থেকে শুধু সাতটি কংকর নেয়া এবং এর বেশি না নেয়াটাই হলো সুন্নাত। বাকী কংকরগুলো মিনা থেকেই নেয়া উত্তম। তবে যে কোনো স্থান থেকেই কংকর সংগ্রহ করা যথেষ্ট। মুযদালিফা থেকেই জামারাতের সকল কংকর সংগ্রহ করতে হবে বলে অনেক লোক যে বিশ্বাস পোষণ করে, তা শুদ্ধ নয়। বরং শুদ্ধ কথা হলো: মুযদালিফা ও মিনা উভয় স্থান থেকে এগুলো সংগ্রহ করা জায়েয। এ কংকরগুলো বুটের দানার চেয়ে খানিকটা বড় হবে। দ্বীনের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি ও কংকরের আকার বড় হওয়া থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন।
[নাসাঈ, ইবন মাজাহ, আহমাদ ও আরো অনেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আলবানী একে সহীহ বলেছেন ।]
প্রিয় ভাই! মুযদালিফা থেকে রমীর কংকর আপনার সংগ্রহ করা হয়ে গেলে আল্লাহর অনুগ্রহে মিনার দিকে যেতে থাকুন এবং চলার সময় বেশি বেশি তালবিয়া পাঠ করুন। ওয়াদী মুহাসসারের কাছে পৌঁছে কিছুটা দ্রুত চলা মুস্তাহাব। এটি হলো মুযদালিফা ও মিনার মাঝখানে একটি উপত্যকা। তবে দ্রুত চলতে গিয়ে কাউকে যেন কষ্ট দেওয়া না হয়, যেরূপ আপনার নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম করেছিলেন। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩০০৯।]
মুযদালিফার রাত তথা ঈদের রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারী, দুর্বল লোক ও শিশুদেরকে ফজরের পূর্বেই জামরায়ে ‘আকাবায় কংকর নিক্ষেপের জন্য চন্দ্র অস্তমিত হওয়ার পর রাতের শেষভাগে- যখন রাতের এক চতুর্থাংশ কিংবা প্রায় ততটুকু পরিমাণ সময় বাকী থাকবে তখন মুযদালিফা থেকে চলে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন। [এ হাদীসটি বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ ও নাসাঈ বর্ণনা করেছেন।] এ হুকুমটি এসব লোকের জন্যই নির্দিষ্ট।
আর যারা ভীড় সহ্য করতে পারে, তাদের ওপর ওয়াজিব হলো নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণ করতঃ সূর্যোদয়ের পর কংকর নিক্ষেপ করা।
ভোরের আলো খুব ফর্সা হয়ে গেলে সূর্যোদয়ের আগেই মুযদালিফা থেকে মিনার দিকে চলতে থাকুন, যদি তা সহজসাধ্য হয়।
কুরবানীর দিন জামরায়ে আকাবায় নিক্ষেপের জন্য মুযদালিফা থেকে শুধু সাতটি কংকর নেয়া এবং এর বেশি না নেয়াটাই হলো সুন্নাত। বাকী কংকরগুলো মিনা থেকেই নেয়া উত্তম। তবে যে কোনো স্থান থেকেই কংকর সংগ্রহ করা যথেষ্ট। মুযদালিফা থেকেই জামারাতের সকল কংকর সংগ্রহ করতে হবে বলে অনেক লোক যে বিশ্বাস পোষণ করে, তা শুদ্ধ নয়। বরং শুদ্ধ কথা হলো: মুযদালিফা ও মিনা উভয় স্থান থেকে এগুলো সংগ্রহ করা জায়েয। এ কংকরগুলো বুটের দানার চেয়ে খানিকটা বড় হবে। দ্বীনের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি ও কংকরের আকার বড় হওয়া থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন।
[নাসাঈ, ইবন মাজাহ, আহমাদ ও আরো অনেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আলবানী একে সহীহ বলেছেন ।]
প্রিয় ভাই! মুযদালিফা থেকে রমীর কংকর আপনার সংগ্রহ করা হয়ে গেলে আল্লাহর অনুগ্রহে মিনার দিকে যেতে থাকুন এবং চলার সময় বেশি বেশি তালবিয়া পাঠ করুন। ওয়াদী মুহাসসারের কাছে পৌঁছে কিছুটা দ্রুত চলা মুস্তাহাব। এটি হলো মুযদালিফা ও মিনার মাঝখানে একটি উপত্যকা। তবে দ্রুত চলতে গিয়ে কাউকে যেন কষ্ট দেওয়া না হয়, যেরূপ আপনার নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম করেছিলেন। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩০০৯।]
মুযদালিফার রাত তথা ঈদের রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারী, দুর্বল লোক ও শিশুদেরকে ফজরের পূর্বেই জামরায়ে ‘আকাবায় কংকর নিক্ষেপের জন্য চন্দ্র অস্তমিত হওয়ার পর রাতের শেষভাগে- যখন রাতের এক চতুর্থাংশ কিংবা প্রায় ততটুকু পরিমাণ সময় বাকী থাকবে তখন মুযদালিফা থেকে চলে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন। [এ হাদীসটি বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ ও নাসাঈ বর্ণনা করেছেন।] এ হুকুমটি এসব লোকের জন্যই নির্দিষ্ট।
আর যারা ভীড় সহ্য করতে পারে, তাদের ওপর ওয়াজিব হলো নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণ করতঃ সূর্যোদয়ের পর কংকর নিক্ষেপ করা।