১
হজ, উমরাহ ও যিয়ারতের পদ্ধতি [মাসনূন দো‘আসহ]
লেখকঃ হাজী ও উমরাকারীদের হাদিয়া অফিসস্থ ইসলামী গবেষণা পরিষদ, মক্কা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২১
বিদায়ী তাওয়াফ
আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে নির্দেশ দিয়েছেন, সেভাবেই আল্লাহর অশেষ কৃপা ও দয়ায় হাজীগণ পরিপূর্ণভাবে হজের সকল কাজ আদায় করার পর এই তো এক্ষণে হাজীদের কাফেলাসমূহ পবিত্র ভূমি থেকে প্রস্থানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাদের এ বরকতময় সফরের সমাপ্তি ঘটবে বিদায়ী তাওয়ফের মাধ্যমে। স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের জন্য যারা মক্কা থেকে রওয়ানা হয়ে যেতে চান, এ তাওয়াফই হলো তাদের জন্য হজের সর্বশেষ ওয়াজিব কাজ। আমাদের নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«لاَ يَنْفِرَنَّ أَحَدٌ حَتَّى يَكُونَ آخِرُ عَهْدِهِ بِالْبَيْتِ»
“বায়তুল্লার তাওয়াফ প্রত্যেক ব্যক্তির শেষ কাজ না হওয়া পর্যন্ত কেউ যেন মক্কা থেকে বেরিয়ে না যায়।” [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩২৮৩।]
তবে যে সকল মহিলা হায়েয ও নিফাস অবস্থায় রয়েছে, এ ব্যাপারে তাদেরকে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। অতএব, তাদের জন্য বিদায়ী তাওয়াফ তরক করা জায়েয। তবে তারা ছাড়া আর কারো জন্য বিদায়ী তাওয়াফ ত্যাগ করা জায়েয নেই।
ঠিক উমরার তাওয়াফের যে নিয়ম, বিদায়ী তাওয়াফের নিয়মও তেমনি। অবশ্য এ তাওয়াফ হাজী তার স্বাভাবিক পোশাক পরেই করবে এবং এতে রমল ও ইদতিবা’ করা সুন্নাত নয়। তাওয়াফের পর মাকামে ইবরাহীমের পেছনে দু’রাকাত সালাত পড়ুন। এরপর মসজিদুল হারাম থেকে বেরিয়ে পড়ুন এবং মসজিদ থেকে বের হওয়ার দো‘আটি পাঠ করুন:
«بِسْمِ اللهِ وَالصَّلاةُ وَالسَّلامُ عَلى رَسُوْلِ الله، اللَّهُمَّ إِنِّى أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِك»
“আল্লাহর নামে (বেরিয়ে যাচ্ছি)। দুরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূলের ওপর। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আপনার অনুগ্রহ কামনা করছি।” [ইতঃপূর্বে হাদিসটির বিবরণ দেয়া হয়েছে । এর প্রথমাংশ ইবনে সুন্নী বর্ণনা করেছেন যা আলবানী হাসান বলেছেন এবং শেষাংশ মুসলিম বর্ণনা করেছেন।]
এরপর আপনি নিজ দেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করুন। আল্লাহর পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ও তত্ত্বাবধান আপনাকে ঘিরে রাখবে। বিদায়ী তাওয়াফের পর যদি আপনি থাকাবস্থায়ই ফরয সালাতের ওয়াক্ত হয়ে যায় কিংবা আপনি নফল সালাত পড়তে চান, তাহলে তাতে অসুবিধা নেই। তবে আপনি দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করতে পারবেন না। চেষ্টা করুন যেন বিদায়ী তাওয়াফটাই মক্কায় যেন আপনার শেষ অবস্থান হয়।
«لاَ يَنْفِرَنَّ أَحَدٌ حَتَّى يَكُونَ آخِرُ عَهْدِهِ بِالْبَيْتِ»
“বায়তুল্লার তাওয়াফ প্রত্যেক ব্যক্তির শেষ কাজ না হওয়া পর্যন্ত কেউ যেন মক্কা থেকে বেরিয়ে না যায়।” [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩২৮৩।]
তবে যে সকল মহিলা হায়েয ও নিফাস অবস্থায় রয়েছে, এ ব্যাপারে তাদেরকে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। অতএব, তাদের জন্য বিদায়ী তাওয়াফ তরক করা জায়েয। তবে তারা ছাড়া আর কারো জন্য বিদায়ী তাওয়াফ ত্যাগ করা জায়েয নেই।
ঠিক উমরার তাওয়াফের যে নিয়ম, বিদায়ী তাওয়াফের নিয়মও তেমনি। অবশ্য এ তাওয়াফ হাজী তার স্বাভাবিক পোশাক পরেই করবে এবং এতে রমল ও ইদতিবা’ করা সুন্নাত নয়। তাওয়াফের পর মাকামে ইবরাহীমের পেছনে দু’রাকাত সালাত পড়ুন। এরপর মসজিদুল হারাম থেকে বেরিয়ে পড়ুন এবং মসজিদ থেকে বের হওয়ার দো‘আটি পাঠ করুন:
«بِسْمِ اللهِ وَالصَّلاةُ وَالسَّلامُ عَلى رَسُوْلِ الله، اللَّهُمَّ إِنِّى أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِك»
“আল্লাহর নামে (বেরিয়ে যাচ্ছি)। দুরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূলের ওপর। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আপনার অনুগ্রহ কামনা করছি।” [ইতঃপূর্বে হাদিসটির বিবরণ দেয়া হয়েছে । এর প্রথমাংশ ইবনে সুন্নী বর্ণনা করেছেন যা আলবানী হাসান বলেছেন এবং শেষাংশ মুসলিম বর্ণনা করেছেন।]
এরপর আপনি নিজ দেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করুন। আল্লাহর পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ও তত্ত্বাবধান আপনাকে ঘিরে রাখবে। বিদায়ী তাওয়াফের পর যদি আপনি থাকাবস্থায়ই ফরয সালাতের ওয়াক্ত হয়ে যায় কিংবা আপনি নফল সালাত পড়তে চান, তাহলে তাতে অসুবিধা নেই। তবে আপনি দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করতে পারবেন না। চেষ্টা করুন যেন বিদায়ী তাওয়াফটাই মক্কায় যেন আপনার শেষ অবস্থান হয়।